বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার বাল্যজীবন কেটেছে আখাউড়ায়। আব্বা রেলওয়েতে চাকুরি করতেন। কুমারপাড়া রেলওয়ে কলোনীতে ছিল আমাদের বাসা। ছাই রঙের বিড়াল ছিল আমাদের। আদর পেয়ে গড়গড় আওয়াজ করতো। ও ছিল আমাদের পরিবারের অংশ।
আব্বা বদলি হলেন নারায়ণগঞ্জ। কলোনীর প্রতিবেশীরা চোখের জলে আমাদের বিদায় জানালো। বিকেল ৪ টার গ্রীনএ্যরো ট্রেনে আমরা সপরিবারে আখাউড়া ছাড়লাম। ট্রেনে উঠে গেছি। জানালার পাশে বসেছি। হঠাৎ দেখি আমাদের বিড়াল অসহায় চাহনি নিয়ে প্লাটফর্মে কম্পার্টমেন্টের সামনে দাঁড়ানো। মাকে দেখালাম। মা বললেন, কেন ট্রেনে তুলে নিচ্ছিস না ওকে? ততক্ষণে ট্রেন চলা শুরু করেছে। ট্রেন ছুটছে--বিড়ালও ছুটছে। নিমিষেই হেরে গেল বিড়াল। মা কান্নায় লুটিয়ে পড়লেন। মায়ের কান্নায় আমরাও কাঁদলাম। একটা গোটা পরিবার কেঁদেছি বিড়ালটির জন্য। মা বলতেন--কেন ওকে সাথে আনতে পারলাম না ? তোরাও তো আমাকে মনে করাতে পারতি। বিড়ালটিকে আনতে মাসখানেক পর আমাকে আখাউড়া পাঠানো হলো। ওই বাড়ির নতুন বাসিন্দা বললেন, বিড়ালটি প্রতিরাতে খুব কাঁদাকাটি করতো । তারপর আর ওকে দেখা যায় না। মা খুব আশায় ছিলেন। খালি হাতে আমাকে ফিরতে দেখে আবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন মা
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now