বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিৎজা

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ᴍᴅ. ɪǫʙᴀʟ ᴍᴀʜᴍᴜᴅ (০ পয়েন্ট)

X পিৎজা, পিৎযা (ইতালীয়: Pizza পিৎ'ৎসা) বা পিজা (বাংলা উচ্চারণ: [পিৎজা] হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি খাবার। এই খাবারটির উদ্ভাবন হয়েছে মূলত ইতালির নেপলস শহরে। কালক্রমে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সব বড় শহরেই এটি যথেষ্ট পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এটি তৈরি হয় এক প্রস্থ মোটা, সাধারণত গোলাকৃতি রুটির ওপর পনিরের প্রলেপ দিয়ে। সাথে অবশ্যই টমেটো এবং কখনো কখনো টমেটোর সস থাকে। এছাড়া স্থান, সংস্কৃতি এবং রুচি ভেদে আরো অনেক কিছুই যোগ করা হয়, যেমন মাংস বা পেঁয়াজ কুচি। ইতালির নেপল্‌স শহরের বিখ্যাত নেপোলিটান পিৎজা খাবারটির মূলত নেপোলিটান রন্ধনপ্রণালীর একটি অংশ হওয়া সত্ত্বেও সারা বিশ্বেই এটি তুমুল জনপ্রিয়। যে ধরনের দোকানগুলোতে পিৎজা বিক্রি হয়, তা মূলত পিৎজেইরা বা পিজারিয়া নামে পরিচিত। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের দোকান পিৎজা পার্লার, পিৎজা প্লেস, এবং পিৎজা শপ নামে পরিচিত। ইউরোপে এটি দুপুর বা রাতের মূল খাদ্য হলেও বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে এটি একটি ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার হিসাবে গণ্য। ইতিহাস সম্পাদনা-- পিৎজার আসল উৎপত্তি এখনও অজানা হওয়া সত্বেও মনে করা হয় যে, খুব সম্ভবত, এই ধরনের খাবারের উৎপত্তি রোমানীয় চ্যাপ্টা রুটি ফোকাসিয়া থেকে। আনুমানিক আঠারো বা উনিশ শতকে ইতালির নেপলসে আধুনিক পিৎজার আবির্ভাব হয়, সেইজন্য এর তখনকার দিনে তার নাম ছিল নেপোলিটান পাই। তবে প্রাচীন গ্রিক, মিশরীয়, আর্মেনীয় ইত্যাদি খাবারেও এর কিছু উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রিকরা (একে প্লাকুওস বলত) তাদের রুটি ওপরাংশে তেল, লতাগুল্ম এবং পনির দিয়ে উনুনে সেঁকে খেত। এছাড়া প্রাচীন রোমানরা এটিকে একটু উন্নত করে পাতলা রুটির ওপর পনির, মধু, ও তেজপাতা লাগিয়ে খেত। তবে ১৫২২ সাল নাগাদ যখন টোম্যাটো এবং সেই জাতীয় সবজি পেরু থেকে ইউরোপে বানিজ্যের কারণে আসে, তখন বিষাক্ত ফল মনে করে সেগুলো খাওয়া হত না এবং তা অভাবি মানুষদের কাছে সহজলভ্য ছিল। তারা তখন ইস্ট এর সাথে ময়দা মিশিয়ে তাতে টোম্যাটো ও অন্যান্য মশলা দিয়ে খেতে শুরু করে, ও পরবর্তীতে তা বিশেষ জনপ্রিয়ও হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে পারস্য সৈনিকদের পাতলা রুটির উপর চীজ ও খেজুর দিয়ে খাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, পিৎজার উৎপত্তি পিজ্জারেল থেকে, যা আসলে রোমান জিউসদের খাবার ছিল। মনে করা হয় যে, রাফায়েল এসপোসিটো নামক এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম আধুনিক পিৎজার আবিষ্কার করেন। তিনি এই পিৎজা ১৮০০ শতকে রাজা উম্বেরত ও রানী মারগারিটার জন্য চীজ, বেসিল, টোম্যাটো সহযোগে বানান, যা তাঁদের খুবই পছন্দ হয় এবং তখন থেকে এর নাম 'পিৎজা মারগারিটা' রাখা হয়। পিৎজার দোকান খোলা হয় নেপলসের পোর্ট অ্যালবাতে, যা আজও উপস্থিত। পিৎজার সমগোত্রীয় খাবারের প্রচলন প্রায় গোটা বিশ্বেই দেখা যায়। চিনে একে যেমন বিঙ বলা হয় তেমনই ভারত-বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিতে এটি পরোটা, রুটি, নান ইত্যাদি নামে পরিচিত। রন্ধন প্রণালী সম্পাদনা--- পিৎজা টাটকা বা প্যাকেজ করা, দুই হিসাবেই গোটা আর টুকরো আকারে দোকানে কিনতে পাওয়া যায়। প্যাকেজ করা পিৎজাতে সমস্ত মশলা শুকনো অবস্থায় থাকে যা দোকান থেকে কিনে বাড়িতে বানানো যায়। আর এক ধরনের পিৎজা হয়, যা দোকান থেকে কাঁচা সামগ্রী দিয়ে বানানো হয় ও বাড়িতে এনে সেটাকে রান্না করলেই তৈরী হয়ে যায়। যে ধরনের ওভেনে আমাদের দেশে পাউরটি তৈরি করা হয় সে রকম রেস্তোরায় ওভেনেই পিৎজা তৈরি করা হয়। পিৎজার বেস (রুটি জাতীয় জিনিস, যার উপর পিৎজার অন্যান্য উপকরণ গুলি সাজানো হয়), যাকে ক্রাস্ট বলে, তৈরী করা হয় ময়দার সাথে ঈস্ট, নুন, চিনি, গরম জল, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা ইত্যাদি মিশিয়ে। তারপর সেটা কিছুক্ষণের জন্য রেখে দেওয়া হয়। তারপর নান নান রুটি বা পরোটার কায়দায় তা বেলা হয়। এই রুটি খুব মোটা অথবা খুব পাতলা হয় না। সাধারণত, রুটির মাঝের অংশ পাতলা ও ধারের দিক গুলো মোটা হয়। তারপর এর ওপর চীজ ,সস, টমেটো, পেঁয়াজ কুচি, লবণ ,গোল মরিচ, সামান্য অলিভ ওয়েল, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি দেয়া হয়। পিৎজার ক্ষেত্রে সাধারণত মোজারেলা চীজ ই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া চিংড়ি মাছ, মুরগীর মাংসের কুচি, মাশ্রুম ইত্যাদি ও দেওয়া হয়। তারপর লম্বা হাতা জাতীয় প্যানের ওপর এটি রেখে ওভেনের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়া হয়। রুটি সেদ্ধ হয়ে গেলে তা ঐ হাতার সাহায্যে বের করে এনে গরম গরম পরিবেশন করা হয়। "পিৎজা" সমর্পিত কিছু তথ্য--- 188২ সালে, রাজা অ্যামবার্টো আই এবং রানী মার্জারিটি প্রথম এক নতুন যুগান্তকারী ইতালি পরিদর্শন করেন এবং নেপলস মাধ্যমে এসেছিলেন। কিংবদন্তিটি এই যে, তারা ফরাসি হট রন্ধনপ্রণালী একটি সুষম খাদ্যের বিরক্ত হয়ে ওঠে এবং রাণী জিজ্ঞাসা করে যে বিভিন্ন ধরনের পিৎজা চেষ্টা করার জন্য। ইতালির পতাকার রং প্রতিফলিত করার জন্য দ্য পিট্রো পিজারিয়া (এখন পিজ্জারিয়া ব্রান্ডি নামে পরিচিত) এর একটি রেশমের নামকরণকারী একটি বেকার, লাল টমেটো সস, সাদা মোজাজারেলা এবং সবুজ বেসিল দিয়ে একটি পিজা আবিষ্কার করেন। কুইন মার্গারিরিটা এই পিজাটিকে অনুমোদন করে এবং এটি শীঘ্রই পিস্তাপার মার্গারিরিটা নামে পরিচিত হয়। যদিও রানী পিজাটিতে তার রাজকীয় আশীর্বাদ দিয়েছে, 1800 সালের শেষের দিকেই পিপা নেপলসের বাইরে ভালভাবে পরিচিত হয় নি, যখন ইতালীয়রা আমেরিকাতে স্থানান্তরিত হয় এবং তাদের সাথে তাদের স্বাদ এবং রেসিপি বহন করে। 1905 সালে, গ্রেনারো লোম্বারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম পিজারিয়া খুলেন, ম্যানহাটানে তার রাস্তার সামনে দোকানে পিজা বিক্রি করে, একটি শক্তিশালী ইতালীয়-আমেরিকান আশেপাশে অবস্থিত। Lombardi এর এখনও অপারেশন আজ এবং, যদিও এটি 1905 এর অবস্থানের মধ্যে আর নেই, রেস্টুরেন্ট একই চুলা আছে যেমন 1905 সালে ছিল। 1930-এর দশক পর্যন্ত, পিজা ব্যবসায় জমানো। ইতালীয়-আমেরিকানরা ম্যানহাটন, নিউ জার্সি ও বস্টন জুড়ে পিজিরিয়াগুলি খুলতে শুরু করে। 1943 সালে, আইক সেলওয়াল শিকাগোতে ইউনোর খোলে, শিকাগো-স্টাইলের পিজা নিয়ে আসেন। তবে, এর জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও, পিজা এখনও প্রধানত একটি দরিদ্র কাজ মানুষ এর খাদ্য ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, জিআইগুলি ইউরোপ থেকে ফিরে আসলো, তারা যে সব পিঁপড়া খেতে পেরেছিল সেগুলিকে স্বাদ নিতে চায়। 1945 সালে ফেরার সৈন্য ইরা নেভিন বেকারের প্রাইভ গ্যাস-চালিত পিজা ওভেন আবিষ্কার করেন, যার ফলে ক্রেতারা কয়লাভিত্তিক এবং সহজেই কেজি পেলে পিঁপড়া, কাঠকয়লা বা কাঠের ফসিল ছাড়া। শৌচাগার ও রেস্তোরাঁগুলি আরও বেশি পিজাস বিক্রি করতে শুরু করেছে। পিজা শৃঙ্খল আবির্ভাব সঙ্গে পিজার বাস্তব বিস্তার ঘটেছে। 1958 সালে পিজার হাট খোলা, 1 9 5২ সালে লিটল সিজার খোলা হয়, 1 9 60 সালে ডমিনির খোলা হয় এবং 1 9 8২ সালে পাপা জনকে খোলা হয়, এই ধারণাটি দিয়ে তারা জনসাধারণকে পিজ বিক্রি করবে। 1957 সালে, Celentano এর হিমায়িত পিজা বিপণন শুরু করে এবং পিজরা শীঘ্রই সব হিমায়িত খাবারগুলির মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আজ, পিজা ব্যবসায় আনুমানিক $ 32 বিলিয়ন আয়কে আয়ের মধ্যে নিয়ে আসে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর 3 বিলিয়ন পোজ বিক্রি করে। (সংগৃহীত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পিৎজা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now