বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিঁপরাজ্য

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বকুল রায় (০ পয়েন্ট)

X পরন্ত বিকেল। সূর্য প্রায় ডুবু ডুবু অবস্থা। পশ্চিম দিগন্ত রক্তের ন্যায় রক্তিম আভা ধারণ করেছে। সেসব আভা মেঘের উপর পরে মেঘের রঙ পাল্টে দিয়েছে। প্রকৃতি এই বিকেলে অপরূপ সাজে সেজেছে। দূরে কৃষকের দল পথ ধরে ঘরে ফিরছে। এখান থেকে তাদের কালো ছায়া দেখা যাচ্ছে। এখানে আমি একটা প্রকান্ড নিম গাছ তলায় বসে আছি। গাছের নিচে দূর্বাঘাস মাথা তুলে দাড়িয়ে আছে। গাছের শেকড়গুলো চারিদিকে ছড়িয়ে আছে। এমণি একটা শেকড়ের উপর বসে আছি। জানি না কেন! হঠাৎ শুনতে পেলাম যে কে যেন বলছে যে, ওই দেখ এক দোপেয়ে দৈত্য দেখা যাচ্ছে। চল আমরা তার কাছে যাই। চারিদিকে তাকালাম। কোথাও কেউ নেই। না, আমারই মনের ভূল। দৈত্য দানব থাকবে রূপকথার গল্পে, বাস্তবে নয়। ছোটবেলায় কতো রূপকথার গল্প শুনতাম। ঠাকুরদার কাছে, বাবার কাছে, মায়ের কাছে। ঠাকুরমার থেকে শোনার ভাগ্য অবশ্য হয় নি। আমার জন্মের মাস ছয়েকের মধ্যেই তিনি স্বধাম প্রাপ্ত হন। প্রণাম দোপেয়ে দৈত্যরাজ। এটা আবার কি শুনলাম! চারিদিকে আবার তাকালাম। কেউ নেই তো। না, যদি দোপেয়ে দৈত্য আসে, তবে তো আকারে অনেক বড় হবে। আর আমার চোখে সহজেই ধরা পরতো। এই যে, নিচে দেখুন, আপনার পায়ের কাছে। নিচে পায়ের কাছে তাকালাম। দেখি কটা কলো পিঁপড়া তাদের হাত পা নেড়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে। আর তাদের দলে একটা বড় পিঁপড়া আছে। মনে হচ্ছে এটাই এই দলের পান্ডা।তাই নিচে ঝুকে পড়লাম। বড় পান্ডা গোছের পিঁপড়াটা বললো, আজ্ঞে, দোপেয়ে দৈত্যরাজ, আপনি কি আমাদের একটা উপকার করতে পারেন? আমি তো অবাক। পিঁপড়া কথা বলতে পারে। আমি বললাম, পিঁপড়া, তুমি কি কথা বলতেছো? আজ্ঞে,দোপেয়ে দৈত্যরাজ! এবার বুঝলাম। আমাকে পিঁপড়াগুলো দোপেয়ে দৈত্য ভাবতেছে। কি আশ্চর্য! আমি ভাবতাম আমি যদি কোনোদিন দৈত্য দেখি, তো সেটা নিশ্চয়ই বিশাল আকারের হবে মনে করে এসেছি। আর আমি যে পিঁপড়াদের নিকট দোপেয়ে দৈত্য হয়ে যাব, এটা কল্পনাও করে দেখি নি। যাইহোক, নিজেকে পিঁপড়াদের কাছে দৈত্য হিসেবে কল্পনা করে ভালোই লাগছে। gj gj এই যে দৈত্যরাজ, আপনি কি আমাদের সাহায্য করবেন? পিঁপড়াগুলো আমার নিকট থেকে সাহায্য চাইছে। তাই বললাম, আমার নিকট থেকে সাহায্য চাইছো? -- আজ্ঞে,দৈত্যরাজ! -- কিন্তু আমি তো দৈত্য। আমাকে তো তোমাদের ভয় পাওয়ার কথা! -- অন্য কোনো দোপেয়ে দৈত্য হলে ভয় পেতাম।কিন্তু আপনাকে ভয় পাচ্ছি না দৈত্যরাজ! -- কেন? -- আপনার উপর আমার পিঁপসৈন্যরা পাঁচদিন ধরে নজর রেখেছে। আপনার মধ্যে কোনো রাগ দেখতে পায় নি। সেদিন আপনি নাকি একটা উরন্তক্ষস ছানাকে তার বাসায় রেখে এসেছেন,যেটা মাটিতে পরে গেছলো। তাই আমার পিঁপসৈন্যরা এই খবরটা আমাকে দেয়। আমি তাই আপনার কাছে এসেছি সাহায্যের জন্য। -- বুঝলাম। তো বলো তোমাদের কি সাহায্য চাই? -- আজ্ঞে, সেটা আপনাকে আমাদের পিঁপরাজা মশাই বুঝিয়ে দেবেন। -- তুমি রাজা নও! তবে কে রাজা? আর তুমিই বা কে? -- আজ্ঞে, আমাদের পিঁপরাজার নাম এনট্রাজ। তিনি আমাদের মৃত্তিকাতল রাজ্যের রাজা। আর আমি ওনার পিঁপসেনাপতি। আমার নাম কর্নেল। -- তা তোমাদের মৃত্তিকাতল রাজ্য কোথায়? -- সেটা মাটির নিচে। -- সেখানে যাওয়ার পথ? -- আজ্ঞে, আপনি যদি আমার সাথে আমাদের রাজ্যে যান, তবে রাজন খুবই উপকৃত হবেন। -- তবে চলো, যাওয়া যাক। এতোক্ষণে গোধূলিলগ্নও পার হয়ে গেছে। সূর্যমামাকে দেখা যাচ্ছে না। তিনি এতোক্ষণে মামির নিকট চলে গেছেন। আর আমি চলছি পিঁপড়াদের দেশে, মৃত্তিকাতল রাজ্যে। একটা জঙ্গলের কাছে এসে পিঁপসেনাপতি কর্নেল বললো, ওই আমাদের পিঁপরাজপ্রাসাদ দেখা যায়। তাদের পিঁপরাজপ্রাসাদটা চমৎকার দেখা যাচ্ছে। মাটির ছোট ছোট দানা দিয়ে তৈরি, তার উপর লাল রং করা। পিঁপরাজপ্রাসাদের সিংহদ্বারে মাটির দানা দিয়ে চমৎকার নকশা করা হয়েছে। সিংহদ্বারের নিচে কম করে একশ পিঁপড়া প্রহরি হিসেবে আছে। কেউ দাড়িয়ে আছে, কেউ পায়চারি করছে,আমাদেকে আসা দেখছে। হয়তো ভাবছে যে এ আবার কোন দোপেয়ে দৈত্য এলো! পিঁপসেনাপতি কর্ণেল আদেশ দিলেন, দ্বার খোলো। সঙ্গে সঙ্গে তারা দ্বার খোলায় মনযোগ দিলো। দ্বার খোলা হলে আমরা ভেতরে প্রবেশ করলাম। এই নগরীটা অত্যন্ত চমৎকার। রাস্তার দুধারারে মাটির দানার প্রাচীর। মাথার উপরেও মাটির দানার ছাদ আছে। এটা তাই অন্ধকার হওয়ার কথা। কিন্তু হচ্ছে না। কারণ, শতশত জোনাকি পোকা আলো জ্বালছে। তাই পথ চলতে বেশ লাগছে। আমার জানার আগ্রহ হলো যে এই জোনাকির দল কেনো এই পথ আলোকিত করে রেখেছে। তাই জিজ্ঞাসা করলাম পিঁপসেনাপতি কর্ণেলকে। --কর্ণেল, এই জোনাকির দল কেনো এই পথ আলোকিত করেছে? -- দোপেয়ে দৈত্যরাজ! এরা সবাই এখানে চাকুরি করে। এ জন্য এদেরকে পারিশ্রমিক দেয়া হয়। -- কতক্ষণ একজনের ডিউটি? -- আটঘন্টা। তিনটি দল চব্বিশ ঘন্টায় ডিউটি দেয়। ততক্ষণে পিঁপরাজপ্রাসাদের কাছে পৌঁছেছি। কর্ণেল বলল, পিঁপরাজকে সংবাদ দাও যে পিঁপসেনাপতি দোপেয়ে দৈত্যকে নিয়ে এসেছে। দুটি পিঁপড়া দৌড়ে চলে গেলো। তারপর আমরা পিঁপরাজসভায় প্রবেশ করলাম। এতো দেখছি আরো চমৎকার! এযে দেখছি কারুকার্যের ছড়াছড়ি। চিত্তাকর্ষক একটা সিংহাসনে বসে আছে এক বিরাট পিঁপড়া। মনে হচ্ছে এটাই পিঁপড়াদের পিঁপরাজা এনট্রাজ।যাইহোক, পিঁপরাজ এনট্রাজ আমাকে দেখে সিংহাসন থেকে দাড়ালেন। পিঁপরাজসভার আরো গণ্যমান্য পিঁপড়ারাও দাড়ালো। -- স্বাগতম! দোপেয়ে দৈত্যরাজ!! -- ধন্যবাদ পিঁপরাজন, আমাকে আহবানের কারণ কি? --আসলে হয়েছেটা কি, আমার পুত্র পিঁপরাজকুমার প্রিন্স। সে একদম পাল্টে গেছে। -- সে কি রকম পাল্টেছে সেটা বিস্তারিত বর্ণনা করুন পিঁপরাজ। -- আমার একমাত্র পুত্র পিঁপরাজকুমার প্রিন্স আগে অন্য কোনো পিঁপড়ার দুঃখ দেখলে সে খুব কষ্ট পেত। তাই তাদেরকে সাহায্য করতো। আর একদিন পিঁপরাজকুমার এসে বলল যে সে এই মৃত্তিকাতল রাজ্য সহ আরো কিছু রাজ্য ঘুরে দেখতে চায়। কোথায় পিঁপপ্রজারা কেমন আছে, কতটা সুখে-দুঃখে আছে, সেটা নিজের চোখে দেখতে চায়। ততদিনে আমি তাকে পিঁপযুবরাজ হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছি। একজন পিঁপরাজার কর্তব্য হলো পিঁপপ্রজাদের দুঃখে-কষ্টে তাদের পাশে দাড়ানো, তাদের সাহায্য করা। তাই একজন পিঁপরাজা হওয়ার জন্য ভ্রমণ করে জ্ঞান অর্জন করা আবস্যক। যাতে সে ভ্রমণ করে পিঁপপ্রজাদের দুঃখ-কষ্ট নিজের চোখে দেখতে পারে। ণপিঁপরাজকুমার এই মৃত্তিকাতল পিঁপরাজ্যের ভবিষ্যতের পিঁপরাজা। তার জন্য আমি পিঁপরাজকুমারকে পিঁপরাজ্য ভ্রমণের অনুমতি দেই। বলুন তো এতে কী আমার কোনো ভূল ছিলো? -- নাতো,একজন পিঁপরাজা হিসেবে তাকে অনুমতি দেওয়া আপনার কর্তব্যই তো পিঁপরাজ। -- কিন্তু এটাই আমার সবচেয়ে বড় ভূল ছিলো। পিঁপরাজকুমার তো ভ্রমণে গেলো পিঁপযুবরাজ হিসেবে, কিন্তু ফিরে এলো পিঁপডাকাত হিসেবে ! -- মানে! -- মানে হলো এই যে সে মৃত্তিকাতলে ফিরে এসে শুরু করে অন্যায় কাজ। তার দাত দিয়ে সাধারণ পিঁপড়াদের হত্যা করা শুরু করে, কিছু পিঁপনগরী ধ্বংস করে দেয়। আমি গিয়ে থামানোর চেষ্টা করি, সে যেন আমাকে চিনতেই পারে না। সে আমাকেও আক্রমণ করে বসে। --খুবই দুঃখজক ! আপনি তাকে বন্দি করেন নি পিঁপরাজন? -- না দোপেয়ে দৈত্যরাজ। আমি কিভাবে তাকে বন্দি করবো! আমি তো তার পিঁপপিতা! আর যদি তাকে বন্দি করতে গিয়ে ভূলবসত সে হত্যা হয়ে যায় তাহলে আমার পুত্র হত্যা পাপ হবে। আর যদি আমি হত্যা হয়ে যাই তাহলে পিঁপরাজকুমারের পিঁপপিতা হত্যার পাপ হবে। -- সেটাও ঠিক। কিন্তু আপনার পিঁপসৈন্যরা, পিঁপসেনাপতি তো আছে। তারা তো বন্দি করলেই পারতো। -- সেটা হতো। কিন্তু তারা সবাই পরাজিত হয়েছে। শতশত পিঁপসৈন্য আত্মত্যাগ করেছে। -- তো এখন আপনাকেই কিছু করতে হবে পিঁপরাজন। -- ঠিক বলেছেন দোপেয়ে দৈত্যরাজ। আর আমি কি করবো, সে বিষয়ে জানার জন্যই আপনাকে এখানে নিয়ে আসা। এখন আপনি একটা পথ দেখান দোপেয়ে দৈত্যরাজ। -- আমি কোনো রাজা নই। তাই এ অবস্থায় রাজা বা পিঁপরাজার কি কর্তব্য সে বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই। -- তবে এখন উপায় কি হবে! এভাবে কি মৃত্তিকাতল পিঁপরাজ্য ধ্বংস হয়ে যাবে! -- না পিঁপরাজ। আমার এক বন্ধু রাজা। তার কাছে আগে ফোন করে দেখি। তারপর আমি মেহরাজকে কল দিলাম। রিং হচ্ছে। -- হ্যালো বকুল, -- হ্যা মানুরাজ। কি খবর! -- তুমি আমাকে মানুরাজ বলছো কেন? -- ও না মানে, আসলে আমি এখন পিঁপড়া রাজ্যে আছি তো! এখানে পিঁপড়াদের রাজাকে পিঁপরাজন বলে তো সবাই। তাই তুমি মানুষদের রাজা বলে মুখ দিয়ে মানুরাজন বেড়িয়ে গেছে। -- ও। তা কি জন্য কল করেছো। তারপর আমি মেহরাজকে মোটামুটি রকম ভাবে ব্যাপারটা খুলে বললাম। সব শুনে মেহরাজ বললো, একজন যোগ্য রাজার কর্তব্য হলো সবার আগে রাজধর্ম পালন করা। পরে পিতৃধর্ম। তাই ওই পিঁপরাজকে প্রথমে রাজধর্ম পালন করতে বলো। তখন আমি পিঁপরাজকে বললাম, আপনি প্রথমে পিঁপরাজ ধর্ম পালন করুন। কারণ, প্রজারা একজনের উপর এই বিশ্বাসে তাকে রাজা হিসেবে মানে ও কর দেয় যে রাজা তাদের বিপদের দিনে সাহায্য করবে। -- ঠিক আছে। তবে আমি পিঁপরাজ ধর্মই পালন করছি। তখনই এক পিঁপগুপ্তচর এসে সংবাদ দিলো যে পিঁপরাজকুমার প্রিন্স আসছে। তা শুনে পিঁপরাজ পিঁপসিংহাসন থেকে নেমে এলো। কাউকে কিছু না বলেই তিনি পিঁপরাজপ্রাসাদের বাইরে যেতে শুরু করলেন। পিঁপসেনাপতি বললো, পিঁপরাজ, কোথা যাচ্ছেন? -- আমার পিঁপরাজ ধর্ম পালন করতে। পিঁপরাজকে অনুসরণ করে সবাই বাইরে এলাম। দেখি একটা পিঁপড়া পিঁপনগর ধ্বংসে মত্ত। মনে হচ্ছে এটাই পিঁপরাজকুমার ও পিঁপযুবরাজ প্রিন্স। পিঁপরাজ কিছু না বলে ওকে আক্রমণ করলো। যুদ্ধ শুরু হলো। পিঁপরাজ ক্রমশ দূর্বল হচ্ছে। একবার পিঁপরাজ মাটিতে পরে গেলো। পিঁপরাজকুমার তার ভয়ংকর দুটি দাত দিয়ে পিঁপরাজকে কামড় দিতে গেলো। তখুনি পিঁপসেনাপতি নির্দেশ দিলেন, রক্ষা করো পিঁপরাজকে,,,, পিঁপসৈন্যরা ঝাঁপিয়ে পরলো। পিঁপরাজকুমার একে একে সব পিঁপসৈন্যদের মাথা কাটতে লাগলো তার দাত দিয়ে। তখন আমি হাত দিয়ে ধরে ফেললাম পিঁপরাজকুমারকে। সে তখন তার দাত দিয়ে আমার আঙুলে কামড় দিলো। আর আমার আঙুল দিয়ে রক্ত পরতে লাগলো। তখন আমি দুইহাতে তার দাত দুটি ধরে ফেললাম। বললাম, একে বন্দি করো। পিঁপসৈন্যরা দড়ি এনে পেচিয়ে ওকে বন্দি করে ফেললো। পরবর্তী ঘটনা অতি সংক্ষিপ্ত। পিঁপরাজকুমারকে ভালো করে চিকিৎসা করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর তার বর্ণনা দিলো এরুপ, আমি এই পিঁপরাজ্য পার হয়ে একটা জঙ্গলে প্রবেশ করি। কিছু ভয়ংকর দস্যু পিঁপড়া আমাকে আক্রমণ করে বন্দি করে। তারা আমাকে একটা ঔষধ খাইয়ে পাগল করে দেয়। আর কিছু অধিক ক্ষমতাশালি এক পুডিং খাইয়ে দেয়, এতে আমার শরীরে অনেক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর পরে আমাকে এখানে এনে রেখে দেয়। আর শেষে ওই পিঁপড়াদের ধরে শাস্তি দেয়া হয়। আর আমি দোপেয়ে দৈত্য পিঁপরাজ্য ছেড়ে ফিরে আসি আমার বাড়ি, আপনারাও এবার এই পিঁপরাজ্য ছেড়ে চলে যান তারাতারি।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পিঁপরাজ্য

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now