বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মিম: কি হল তুমি আমার দিকে এমন করে তাকিয়ে আছো কেন??(লজ্জায় লাল হয়ে)
:- আমি:তুমি না অনেক সুন্দর।
:- মিম: এই কি বল্লে
:- আমি: না না কিছু না।(ভ্যাবাচেকা খেয়ে)
:- কিন্তু তুমাকে তো আমি দেখতে পারতাম না কেন???
:- মিম: দেখবে কিভাবে তুমি তো তোমার বন্ধুদের সাথে ক্যানভাসে বসে আড্ডা দিতে।কিন্তু আমি তোমাদের পাশ দিয়েই যাই কিন্তু তুমি দেখতে না।।
:- আমি: ওওও আচ্ছা তুমি এখানে কার কাছে থাকো।।
:- মিম: আমার ফুপুর সাথে এখানেই থাকি।।
:- আমি: ওও হাতঘরির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ১২টা বাজে।।
:- মিম: আমার না খুব ঘুম পাচ্ছে।
:- আমি: হুম আমারও।।আচ্ছা তুমি ঘুমিয়ে পড়ো।।
:- হঠাৎ করে মোবাইলটা বেজে উঠলো। মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখি আম্মু ফোন দিয়েছে।।
:- আমি: হ্যালো আম্মু কেমন আছো।
:- আম্মু: ভালো...তুই কেমন আছিস বাবা।।
:- আমি: আব্বু, তানিশা(ছোট বোন)এরা কোথায়??
:- আম্মু: এরা এই মাএ ঘুমিয়ে পড়েছে।।
:- আমি: তুমি এখনো ঘুমাওনি কেন??
:- আম্মু: তোর জন্যে খুব চিন্তা হয় বাবা।
:- আমি: তুমি কোনো চিন্তা করো না তো আমি বাসে উঠেছি কাল সকালের মধ্যে চলে আসবো।তুমি এখন শুয়ে পড়ো।
:- আম্মু: আচ্ছা রাখি।
:- আমি: হুমম রাখি বাই।।
:- আম্মুর সাথে কথা বলে মিমের দিকে তাকিয়ে দেখি কি সুন্দর করে ঘুমিয়ে গেছে।।আমি ভাবতে লাগলাম মেয়েটা কি সুন্দর প্রথমদিনেই কি সুন্দর করে বন্ধুত্ব হয়ে গেছে।।আর না ভেবে.......
:- কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে সিটের সাথে হেলান দিয়ে শুয়ে পড়লাম।।গান শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতেই পারিনি।।
:- সকালে কন্টাক্টকের ডাকে ঘুম ভাঙ্গে।।
:- কন্টাক্টদার: ভাই চলে এসেছি নামেন।।
:- আমি: চলে এসেছি।।
:- কন্টাক্টদার: হুমম
:- পাশে তাকিয়ে দেখি মিম আমার কাধে মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে আছে।।বাহিরের সূর্যের আলোতে মিমের চেহারার মধ্যে মায়া আরো বাড়িয়ে তুলেছে।।দেখতে একদম নিষ্পাপ বাচ্চাদের মতো লাগছে।।অপুরুপ সুন্দর লাগছে মিমকে।
:- আমি: এই মিম মিম বাস চলে এসেছে নামতে হবে উঠ।
:- মিম: উহুমম ঘুমোতে দেও(ঘুম ঘুম চোখে+ আমাকে জরিয়ে ধরে)
:- আমি: এই আমরা চলে এসেছি।।
:- মিম: আমরা চলে এসেছি।
:- মিম যখন দেখলো আমাকে জরিয়ে ধরে রেখেছে সাথে সাথে ছেড়ে দিয়ে লজ্জামাখা চেহারা নিয়ে বলে...
:- মিম: সরি আসলে আমি ঘুমিয়ে পড়লে আমি কোনোকিছু বুঝতে পারি না।।তুমি কিছু মনে করো না।
:- আমি: ইট'স ওকে আমি কিছু মনে করিনি।।(আমার তো ভালোই লাগছিলো।।)
:- চলো এখন আমাদের গন্তব্যে চলে এসেছি।।
:- মিম: হুমম চলো।।
..............।।।
:- কাধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বাস থেকে নামলামা।।
:- মিম: আচ্ছা তোমাকে একটা কথা বলি।
:- আমি: হুমম বলো।
:- মিম: না মানে আসলে...
:- আমি:: কি মানে মানে করছ ঠিকমত বলো কি বলবে।।
:- মিম: আসলে তোমার নাম্বারটা দেওয়া যাবে।।
:- আমি: এটা বলতে তোমায় এতো দেরি লাগছে হা হা হা।
:- এই নাও নাম্বার ০১৮১২৪১০৭.........এটাই আমার নাম্বার।
:- মিম: ধন্যবাদ তোমাকে তাহলে আমি যাই বাই(হাত নাড়িয়ে)পরে তোমাকে ফোন দিবো।
:- আমি: হুম বাই(হাত নাড়িয়ে)
:- হাত ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখি সকাল ৭টা বাজে।।
:- আমি: এই মামা যাবেন(রিক্সাওয়ালাকে ডাক দিয়ে)
:- রিক্সাওয়ালা: হুমম যাবো। তা কোথায় যাবেন।।
:- আমি: ###এই জায়গায় যাব।
:- রিক্সাওয়ালা: তাহলে উঠুন।
:- আমি সাথে সাথে রিক্সায় উঠে পড়লাম।।
:- গ্রামের আশেপাশে তাকিয়ে দেখি অনেকটা উন্নত শিখরে পৌছেছে।।কাচা রাস্তা থেকে পাকা রাস্তায় পরিনত হয়েছে।।বিশাল বিশাল অট্টালিকা ইত্যাদি ইত্যাদি।।এইসব দেখতে দেখতে বাড়িতে পৌছে যাই।।রিক্সাওয়ালা মামার পাওনা মিটিয়ে দিয়ে বাড়ির উদ্দশ্যে রওনা দিলাম।।
:- কলিংবেল বাজার সাথে সাথে ছোট বোন দরজা খুলে দিলো।।
:- তানিশা: ভাইয়া তুই এসে পড়েছিস(আমাকে জরিয়ে ধরে)।তুই অনেক পচা আমাকে তোর মনে পড়ে না।।(অভিমান সুরে)
:- আমি: এই আমার পাগলি বোনটা অভিমান করেছে মনে হয়।
:- তানিশা: হুমম
:- আমি: মনে পড়ে দেখেই তো তোর কাছে ছুটে এসেছি।।এখন বল তুই কেমন আছি।।
:- তানিশা: আগে ভালো ছিলাম না কিন্তু এখন ভালো আছি।।
:- আমি: পাগলি বোন আমার (মাথায় হাত বুলিয়ে)
:- আম্মু: কিরে তানিশা কার সাথে এতো কথা বলছিস(রান্না ঘর থেকে কথাটা বল্ল)
:- তানিশা: দেখো না আম্মু ভাইয়া এসেছে।।
:- আম্মু: কই দেখি দেখি আমার বাবাটাকে।
:- আমি: আম্মু ভালো আছো(পায়ে সালাম করে)
:- আম্মু: হুমম ভালো আছি।। তুই কেমন আছস।।আমদের কথা কি তোর একটুও মনে পড়েনা।।(কান্নাকাটি করে)
:- আমি: মনে পড়ে থেকেই তো চলে আসলাম।।আমার না আম্মু খুব খিদে পেয়েছে আমাকে খাবার দাও।।
:- আম্মু: আচ্ছা তুই ফ্রেশ হয়ে আস আমি খাবার আনছি।।
:- আমি: আম্মু আব্বু কোথায়??
:- আম্মু: তোর আব্বু কতক্ষণ আগেই অফিসে চলে গেল।।
:- আমি: ওওও।।
:- আমি ফ্রেশ হয়ে সবাই মিলে ব্রেকফাস্ট করতে বসলাম।
:- আম্মু: আচ্ছা তোর খালা কি ঠিকমত যত্ন করে তো।।
:- আমি: হুমম আম্মু(আসলে আমি ঢাকায় খালার বাসায় থাকি)
:- আম্মু: ওওও এখন খাও।
:- খাওয়া দাওয়া করে নিজের ঘরে চলে আসলাম।।
:- বিছানায় শুয়ে ছিলাম।হঠাৎ তানিশা এসে বলে....
:- তানিশা: ভাইয়া তুই অনেক পচা (মন খারাপ করে)
:- আমি: কেন আমি পচা কেন??
:- তানিশা: কারন তুই এতো দিন পরে আসলি আমার জন্যে কিছুই নিয়ে আসিস নাই(অভিমান কন্ঠে)
:- আমি: তাই এইজন্যে বুঝি আমার ছোট বোনটা রাগ করেছে।।
:- তানিশা: হুমম(মন খারাপ করে)
:- আমি: তোর জন্যে নিয়ে আসবো না মানে।।তুই আমার প্রান তোর কিছু হয়ে গেলে আমি কি নিয়ে বাচবো বল।।তুই চোখটা বন্ধ কর তোর জন্যে সারপ্রাইজ আছে।।
:- তানিশা: না (মন খারাপ করে)
:- আমি: তুই চোখ বন্ধ কর তোর জন্যে গিফট নিয়ে আসছি।।
:- তানিশা: সত্যি ভাইয়া এই আমি চোখ বন্ধ করলাম।।
:- আমি: হুমম আমি না বলা পর্যন্ত চোখ খুলবি না।
:- ব্যাগের চেন খুলে ব্যাগ থেকে গিফটা বের করে তানিশা সামনে ধরে টখন বললাম...
:- আমি: এখন চোখ খুল।।
:- তানিশা মিট মিট করে চোখ খুলে থেকে আমার হাতে একটা দামি মোবাইল।
:- সাথে সাথে তানিশা আমাকে জরিয়ে ধরে বলতে লাগল..
:- তানিশা: ভাইয়া এটা কি আমার জন্য।
:- আমি: হুমম
:- তানিশা: তুই আমার Best ভাইয়া।।তুই আমাকে এতো ভালোবাসিস ভাইয়া।(কাদতে কাদতে)
:- আমি: এই পাগলি কাদিস কেন(কপালে ভালোবাসার পরস একে দিয়ে)তুই জানিস না তোকে আমি কতটা ভালোবাসি।।তোর কিছু হয়ে গেলে আমি বাচবো কি করে।।তোকে তো আমি নিজের জান থেকে বেশি ভালোবাসি।।
:- তানিশা: I love You Vaiya...তুই অনেক ভালো।।(আবার জরিয়ে ধরে)
:- আমি: I Love You Too Pagli....এখন না কেদে চোখের পানি মুছ।।
।।
।।
।।
((((চলবে,,,,,,,,,,,)))) ????????????
।।
গল্পটি কেমন হচ্ছে জানাতে ভূলবেন না কিন্তু।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now