বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পেত্নীর সাথে বন্ধুত্ব!!!

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☫☤Ꮶℳ ЅᎯᎫU Ꭿℋℳℰⅅ ℛᎾᏦℐℬ ☢☣ (০ পয়েন্ট)

X writer:-KM Saju Ahmed Rokib ম্যাচের বারান্দায় বসে ছিলাম বাহিরে প্রচণ্ড গরম থাকা সত্ত্বেও আমার বারান্দাটায় কেমন যানি শীত শীত ভাব লাগছিল। চলতি মাসের এক তারিখে নতুন ম্যাচ ভাড়া নিলাম, ম্যাচ ভাড়াটাও কম। মনে মনে খুব আনন্দ লাগছিল কখনও ভাবিনি এত কম টাকায় ম্যাচ ভাড়া পাব। আমার রুমের পাশে আরও দুটি রুম ছিল সেগুলো খালি ছিল বাড়িওয়ালাকে জিগ্যেস করলাম আঙ্কেল এই রুম দুটি খালি পড়ে রয়েছে কেন কেউ কি কেউ থাকতে আসে না? কথাটা শুনে বাড়িওয়ালার মুখটা কাল হয়ে গেল তিনি শুধু না উত্তর দিলেন আর বললেন বাবা তোমার যদি কোন অসুবিধা হয় তাহলে আমাকে বলবা। আমি উত্তরে বললাম আাচ্ছা ঠিক আছে আন্কেল। তারপর উনি চলে গেলেন।।। আমি মনে মনে আরও খুশি হলাম কেউ যদি না থাকে তাহলে আরো ভাল, কারণ একা থাকাটা খুবই পছন্দ করি।।। রাতে পড়া শেষ করে ঘুমাতে গেলাম রুমের ভেতরে প্রচুর ঠাণ্ডা এটা যে গরমকাল তা বুঝাই যাচ্ছে নাহ্।।। যাই হোক অতশত না ভেবে ঘুমাতে গেলাম।।। গভীর রাতে কারো পায়ে হেটে চলার শব্দ শুনতে পেতাম।।। এরকম প্রায় দু সপ্তাহ হয়ে প্রতি রাতে ঐ একই শব্দ শুনতে পেতাম যাই হোক আমি ভয় পাওয়ার মানুষ নই। একদিন বিকেলবেলা হাটতে বের হই হঠাৎ একজন বৃদ্ধ লোকে ডেকে দাড় করালেন বললেন বাবা এলাকায় কি নতুন এসেছ? আমি উত্তরে বললাম হ্যাঁ চাচা। উনি আবার জিগ্যেস করলেন কোথায় উঠেছ??? আমি বাসার ঠিকানা বলাতে উনি চমকে উঠলেন বললেন কতদিন হল এই বাসাতে উঠেছ??? আমি বললাম দুই সপ্তাহ হল এই বাসা ভাড়া নিয়েছি।।। তিনি আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন এই বাসাতে যারাই এসেছে তারা দুচারদিন থেকে আর থাকতে চায় নাই।। আমি এই কথা শুনে নিজেও অবাক হয়ে গেলাম এবং বৃদ্ধ লোকটিকে বললাম কিসের জন্য তারা থাকতে চায়নি? তিনি বললেন এই বাড়িতে এক অভিশপ্ত আত্মা ঘুরে বেড়ায় লোকে ভয়ে সেখানে আর থাকতে চায়নি।। তিনি আরো বললেন বহু আগে এই বাড়িতে সেতু নামের একটি মেয়ে মারা যায় আর তার সেই আত্মা রাতের বেলা ঘুরে বেড়ায়।।। তিনি আমাকে সতর্ক থাকতে বললেন এবং তিনি চলে গেলেন।।। আর এদিকে বাড়িওয়ালা আমার সবসময় খুুঁজ খবর নিত আমি ঠিকঠাক আছি কিনা।।। তিনি প্রতিদিন এসে বলতেন বাবা এখানে থাকতে তোমার কোন সমস্যা হচ্ছে না তো আমি হাসি মুখে বলতাম না আঙ্কেল আমার কোন সমস্যা হচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক আছে তিনি আমার কথাগুলো শুনে স্বস্তি পেয়ে চলে যেতেন।।। প্রতিদিনের মত পড়া শেষ করে ঘুমাতে গেলাম কিছুতে যেন ঘুম আসছিল না তাই হাতে একটা ম্যাগাজিন নিয়ে পড়তে বসলাম হঠাৎ সেই হাটার আওয়াজ শুনতে পেলাম আমি মনে সাহস নিয়ে বললাম কে ওখানে!!! হাটার আওয়াজ থেমে কি শুরু হল হাসির আওয়াজ এবার আমি সত্যিই ভয় পেয়ে গেলাম আমার শরীরটা যেন হিম হয়ে আসল।।। আমি আবার নিজের মনটাকে শক্ত করে বললাম হাসতেছেন কেন কে আপনি??? উত্তর আসল কি ভয় পাইছেন নাকি?? আমি বললাম আপনাকে আমি দেখতে চাই!!! আবার সেই হি হি হি করে হাসি এবং সে বলতেছে খুব সাহসী লোক তো আপনি পেত্নীকে দেখতে চান মানুষ পেত্নী নাম শুনলে ভয় পায় আর আপনি সেই পেত্নীকে দেখতে চান "হি হি হি" আপনি কি পাবেন নাহ্!!! আমি বললাম আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি তাই নিশ্চয়ই আপনিও আমার কোন ক্ষতি করতে চাইবেন না!!! সে বললল ঠিক আছে আমি আপনাকে দেখা দিব তবে আজ নয়।। কাল ঠিক এই সময় আবার আসব যাই এখন। এই কথা বলে চলে গেল এবং আমার ভয়টা মোটামুটি কেটে গেল।।। (→→→→চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পেত্নীর সাথে বন্ধুত্ব!!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now