বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পদ্মবতী অপ্সরী

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X লেখক: সায়েমুছ সুহান(কাব্য) চারিদিকে ঝিরঝিরে বাতাস মৃদু ভাবে হেসে চলেছে ! কারণটাও আকস্মিক ! পাশ দিয়ে হেঁটে চলেছে পদ্নাবতী, লজ্জাবতীর মত মাথা নিচু করে হাঁটছে, আর তা দেখে বাতাস হাসছে। পদ্মাবতী আর কেউ না, সাবলীল ধ্যানে মুগ্ধ থাকা, টোল পড়া হাসি দিয়ে বাতাসকে হার মানানো, যার কলরব শোনার জন্য স্বয়ং কোকিল মাটিতে নেমে আসে ! সেই মেয়েটি, নাম তান্নি। বলতে পারেন, মোনালিসার ছোট বোন! তান্নির টোল পড়া হাসিটা এতই সুন্দর যে, মাধুরী দীক্ষিত তার কাছে জিরো মনে হবে। দুটি চোখ হলদে পাখির মত ধারালো, হাঁটা চাল চলন সবকিছুই অদ্ভুত ধরনের। তাকে দেখলেই আমার লেখা এই কবিতাটির কথা মনে পড়ে যায়.... "হাসি মাখা তোর মুখ, কেন লাগে অদ্ভুত, হাসি মাখা তোর গাল, প্রকৃতি হয় টালমাটাল। সুন্দর তোর দুটি চোখ,চাহনিতে অনেক সুখ!" আসলেই তান্নির চোখগুলো অনেক আকর্ষণীয়, যতই রাগি মোডে থাকান না কেনো, তার চোখ দেখলে সেটি হাসিতে পরিণত হয়ে যাবে। আমার সাথে একই ডিপার্টমেন্টে পড়ালেখা করে । আমরা দুজনই এখন বন্ধু..প্রতিদিন কথা হয়, সাথে কেয়ারিংয়ের বিষয় তো আছে। সবার মত রক্ত মাংসে গড়া মেয়েটি কেমন জানি অন্য সবার থেকে আলাদা , নিজেও মাঝে মাঝে আশ্চর্য হয়ে যাই। সচেতন পরিবার হওয়ার জন্য বাহিরে বের হলেই হিজাবের মধ্যে নিজেকে বন্দি করতে হয়। এই গরমের মধ্যে নিজেকে খোলামেলা রাখতে চাইলেও কিছু করার নেই। পরিবারের আইন অমান্য করলে যে পড়ালেখা বন্ধ করতে হবে। কি করবে বেচারি..ইচ্ছা থাকলেও তো উপায় নেই! কলেজে আসলেই চঞ্চলতার ভাব প্রকাশ পায়, মনে হয় মুগ্ধ আকাশে উড়তে চাইছে! আকাশে কাছে থাকা পরীগুলো তান্নিকে কাছে নেওয়ার জন্য হই-হুল্লোড় শুরু করে দিচ্ছে। মনোমুগ্ধকর ভাবে চারিদিকে থাকালে মনে হয় গাছ গুলো হাঁসছে, এমন ভাবে হাঁসছে যে তাদের পাতা গুলো অচিরেই পড়ে যাচ্ছে । তান্নির কন্ঠটিও দারুণ, আমরা কোকিলের সুর শুনেছি নিশ্চয়, তাহলে তান্নির কন্ঠটি শোনতে কষ্ট করতে হবে না, মনে করবেন এটাই তান্নির কন্ঠ! একটা অদ্ভুত ছেলেখেলা আছে তান্নির মাঝে, সেটা হলো অল্পতেই চিৎকার দেয়া। আর এই চিৎকারটি এতোই মধুর যে, বারবার মনে হয় তান্নিকে বলি , যেন আরেকটা চিৎকার দেয়। অনেক সময় ওর কথা শুনেও না শোনার ভাব করি, আমি জানি তার কথা না শোনলে চিৎকার দেয়, আমার আশাটাও পুরণ হয়ে যায়। পদ্মবতীর রাগও যতেষ্ট আছে। যদি রেগে যায় তাহলে তুলকালাম। হাতের কাছে পেলে মারতেও তোয়াক্কা করবে না। তবে ওর রাগের চেয়ে হাসিটাই বেশি ভালো লাগে। তান্নির একটা বড় বদঅভ্যাস আছে, সেটা হলো সবসময় মোবাইল টেপাটেপি করা। মনে হয় মোবাইল-ই তার স্বামী, তাকে আঁকড়ে ধরে রাখে,যাতে অন্যকেউ না নিয়ে যায়। ভাত না খেলেও তার কিছু যায় আসে না,তবে মোবাইল চাই-ই চাই। এজন্য অান্টির অনেক বকা খায়। তারপরও পরিবর্তন বলে কিছু নেই। সবসময় সবার সাথে গল্প করতে ভালোবাসে । বাড়ীর ছোট বড় সবাই তার বন্ধু, যদিও মাঝে মাঝে ঝগড়া লেগে যায়। সবার প্রতি যত্নশীল হওয়াটা তার একটা অভ্যাস। বন্ধু হিসেবেও সে অসাধারণ। সবসময় খুনসুটির মধ্যে থাকে,চিল্লানি চেঁচামেচি তো আছেই। সবিশেষে বলতে পারি, পদ্নবতী এমনই একজন যাকে নিয়া লিখা যায় কিন্তু শেষ করা যায় না। শতশত কাব্য রচনা করা যায়, শতশত উপন্যাস লিখা যায়, কিন্তু পদ্নবতী সম্পর্কে লিখে শেষ করা যায় না।আমিও শেষ করতে পারলাম না, রেখে দিলাম হয়তো আবারো সামনে আসবো পদ্মাবতীকে নিয়ে..... (অসমাপ্ত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পদ্মবতী অপ্সরী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now