বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বানর দেখলো বটতলা ছেলেদের অধীনে,সেখানে কেবল ছেলে আর ছেলে,ঘরে ছেলে,বাইরে ছেলে,জলে-শুকনোতে ছেলে,পথে-ঘাটে ছেলে,সবুজ ঘাসের যেদিকেই তাকায় সেইদিকেই ছেলের পাল। কেউ কালো,কেউ অনেক সুইট। কারো পায়ে নূপুর,কারো কাঁকালে ছোটছেলে,কারো গলায় সোনার দানা। কেউ বাঁশি সুরে পাগল করছে,কারো ঝুমুরে ঝুমঝুম করে বাজছে,কেউবা নূপুর বজিয়ে-বাজিয়ে কচি হাত ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে নাচছে। কারো পায়ে লাল জুতা,কারো মাথায় রাঙা টুপি,কারো গায়ে কোটি টাকার চাদর। কোনো ছেলে রোগা-রোগা,কোনো ছেলে মোটাসোটা,কেউ খারাপ,কেউ খুবই ভালো। একদল ছেলে ঘোরা চালিয়ে গেল। একদল দিঘির জলে মাছ ধরছে। একদল বাঁধের জলে নাইতে নেমেছে। একদল গাছ থেকে ফল পারছে। চারিদিকে শুধু খেলাধুলা আর মারামারি। সে এক নতুন দেশ,যেন সপনের দেশ। সেখানে পাটশালা নেই,পাটশালার গুরু নেই,গুরুর হাতে বেত নেই। সেখানে আছে দিঘির কালো জল,তার পাশে সরু বন,তারপর সারি-সারি ফলের বাগান,আছে নদীর জলে গোল চোখওয়ালা বোয়াল মাছ,কচু বনে মশার ঝাঁক। আর আছে বনের ধারে বনগাঁ-বাসি মাসি-পিসি,তিনি খৈইয়ের মোয়া বানান ঘরের ধারে পেয়ারা গাছটি তখন নাচতে থাকে! গৌর দেশের সোনার ময়ূর পথে-ঘাটে গরাগরি দিতেই আছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now