বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাথর

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X (আজগুবি একটা গল্প-রিয়েন সরকার) বেশ অনেক বছর আগে, সায়রা নামের একটা সুন্দরী মেয়ে পাঞ্জাবের গ্রামে বাস করত। সে দেখতে যেমন সুন্দরী,ঠিক তেমনি গুনবতী।সে হরেক রকমের সেলাই,রান্না ও বাশের ঝুড়ি বানাতে পারত।সে এত গুনবতী হলে কি হবে,তার সৎ মা যে তাকে দুচোখেও দেখতে পারত না।সারাদিন মেয়েকে দিয়ে কাজ করাত।আর প্রতিদিন সে সায়রার বাবার কাছে মেয়ের বিরুদ্ধে নালিশ করত। একদিন সায়রা ঝুরি বেচতে বাজারে গেলে; পারভেজ নামে এক বেদুইন ছেলের সাথে দেখা হয়।প্রথম দে্খাতেই তাদের মাঝে প্রেম হয়ে যায়।প্রতিদিন সে বাজারে আসত ঝুরি বেচতে; আর সেই সুযোগে সে পারভেজের সাথে দেখা করত।পারভেজ ও সায়রাকে দেখার আশায় বসে থাকতো। একদিন সায়রা বাজারে এলে সে একটা মালা উপহার দেয়, তাকে।সায়রা তা পেয়ে ভীষন খুশি হয়ে যায়।সে মালা পরে বাড়িতে এলে, সায়রার সৎ মায়ের সন্দেহ হয়।কোথায় মালা পেলি? জিজ্ঞাসা করলে সে বলে; রাস্তায় পরে ছিল;আর আমি সেটা কুরিয়ে নিয়েছি। পরদিন সায়রা বাজারে গেলে তার সৎ মা তার পিছু নিয়ে দেখে ফেলে।সে যা ধারনা করেছিল, তাই সত্যি!সে রেগেমেগে বাসায় এসে সব কথা সায়রার বাবাকে খুলে বলে।এসব কথা শুনে সায়রার বাবাও ভীষন ক্ষেপে যায়।এদিকে মেয়ে বাসায় ফিরলে;তার বাবা তাকে প্রচন্ড মারধোর করে। সেরাতেই তার এক বন্ধুর ছেলের সাথে তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। পরদিন সকালে সায়রাকে দেখার আসায় পারভেজ সারাদিন তার পথ চেয়ে বসে থাকে।কোন খোজ নে্ই, কেন? আজ কি হল, তার?জর এল নাকি?এসব কথা সারাদিন সে ভাবতে থাকে। সেদিন রাতেই মরুভূমির মাঝে পারভেজ পাথরে পাথরে ঘসা দিয়ে আগুন জালাতে গেলে; দেখে দূরে সায়রা সুন্দর একটা লাল লেহেঙ্গা পরে মাথায় ঘোমটা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মুখাবয়বের ডান পাশের অধেকটা দেখা যাচ্ছেনা। আর ঠিক সেসময় মরুভুমিতে প্রচন্ড ঘুনিঝড় বইতে শুরু করল।চারিদিকে বালি আর বালি।চোখ মুখ কানা হবার মত অবস্থা।ঝড় থেমে যেতেই দেখল সে; সায়রাকে এই ঝড়ের পরেও অসম্ভব সুন্দর লাগছে।গায়ে কোন বালি মাখা নেই।সে দূর থেকে বলে উঠল-পারভেজ আমি একবারে তোমার কাছে এসে পরেছি।তোমার সাথে সংসার করব বলে,তুমি আমায় গ্রহন করবে না?আমি তোমার বউ হতে চাই।আমি যে তোমায় প্রচন্ড ভালবাসি। একথা শুনে পারভেজ ভরকে গেল।সায়রার কাছে এগিয়ে এসে বলল ,তুমিতো আমার বউই।আমি তোমাকে কত ভালবাসি।কিন্তু তুমি এখন বাড়ি যাও।আমি বেদুইন যাযাবর মানুষ।আজ এখানেতো কাল সেখানে থাকি।আমার এখনো বিয়ে করার সময় হয়নি।তুমি চলে যাও এখন। বিয়েশাদি করে সুখি হও। একথা শুনে সায়রা প্রচন্ড ক্ষেপে উঠল।তার মাথার ঘোমটাটা খুলে ফেলল। মাথার ঘোমটা খুলে ফেলার সাথে সাথেই পারভেজ ভয় পেয়ে গেল।দেখল, সায়রার মুখের ডানপাশটা পোড়া আর সেই পোড়া মুখের ক্ষত থেকে পুজ বের হচ্ছে।ওর সুন্দর মুখের আড়াল থেকে এক কুৎসিত রুপ বের হয়ে আসল। গতকাল রাতে যখন তার বিয়ে হয়,সে পারভেজ কে না পেয়ে আগুনে ঝাপ দিয়ে আত্নাহুতি দিয়েছিল।অথচ পারভেজের এই সরুপ দেখে সেতো রীতিমত অবাক ও ক্রুদ্ধ।আজ সে অতৃপ্ত আত্না।শুধুমাত্র পারভেজকে পাবার জন্যই তার এই দসা।হঠাৎ সায়রার ক্রোধ বেড়ে যেতে লাগলে,সে ক্রমে ক্রমে লম্বা হতে শুরু করল। এরপর তার হাতের নখ আর দাত লম্বায় বাড়তে লাগল। কোন উপায় না দেখে কিংকতব্যবিমুড় হয়ে পারভেজ দোড়াতে লাগল।কিন্তু সায়রা হাত লম্বা করে পারভেজকে ধরে নখ দিয়ে আচড় কেটে মুখে পুড়ে ফেলল।পরদিন সকালে পারভেজের হাড়গোড় মরুভূমির বালির উপর পাওয়া গেল।সবাই ভাবল বোধ হয়,হিংস্র কোন পশুর আক্রমনে মৃত্যু হয়েছে তার। (সংগ্রহীত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পাথরের বন এর রহস্য
→ পাথর........
→ ভূতের পাথর
→ পাথর ও জীবন
→ বড় পাথর, নুড়ি পাথর এবং বালি
→ জাদুর পাথর
→ পরশ পাথর
→ জাদুর পাথর
→ পাথর
→ অভিশপ্ত পাথর প্রথম পর্ব
→ ভালোবাসার লাল পাথর
→ জীবন পাথর নুড়ি আর বালির সমন্বয়ের একটা জটিল উদাহরন
→ কৈলাস চৌধুরীর পাথর
→ কৈলাস চৌধুরীর পাথর – ৫ম
→ কৈলাস চৌধুরীর পাথর – ৪র্থ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now