বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাশে থাকার গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বাইরে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে,এই বর্ষার প্রথম বৃষ্টি।অজান্তার মাথার কাছে বড় জানালাটা যথারীতি খোলা।অনিক জানালাটা লাগিয়েদেয়,ঠান্ডা বাতাস আর বৃষ্টির ছাটে মেয়েটার ঠান্ডা লেগে যাবে।দুই মাস পর আজ দেশে ফিরেছে ও।দেশে ফিরেই সারাটাদিন বাবা আর মেয়ে একসাথে ঘুরে বেরিয়েছে আজ।এতদিন পর বাবাকে পেয়ে চুপচাপ মেয়েটাও আনন্দে মেতেছিল সারা দিন! রাতে বাইরে খাওয়াদাওয়া করে বাসায় ফিরেই ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে।ঘুমন্ত অজান্তার পাশে মেঝেতে বসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকে অনিক।মা মরা মেয়েটাবড় হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে।এ বছর ১০ এ পড়বে অজান্তা। স্কুল,পড়াশুনা এসব কিছু নিয়েই ব্যস্ত থাকেও। এ দুমাস খালার বাসায় রেখে গিয়েছিল ওকে।আজ এয়ারপোর্টে নেমেই মেয়ের কাছে ছুটে চলে এসেছে। অজান্তার রুমের দরজাটা লাগিয়ে বাইরে আসে অনিক।দীর্ঘ প্লেন জার্নি,সারাদিনেরঘুরাঘুরিতে প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে আছে শরীর,কিন্তু কোনভাবেই ঘুম আসছে না। ঘুম এখন ওর কাছে যেন বিলাসী কোন বস্তু, যা সহজে ধরা দিতে চায় না।নিজের রুমে এসে একটার জায়গায় দুটো ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেয় সে।প্রথমে খুব বেশি দিশেহারা লাগে,কি করে এই সময়টুকু পার করবে এখন?এক্সিবিশনের কাজে বাইরে ছিল এতদিন।গত কয়েক বছর ধরেই ওর কাজ খুব ভাল হচ্ছে,ছবির জগতে দেশে এখন সে খুব পরিচিত একজনমানুষ।এবারের এক্সিবিশনটাও অনেক ভাল হয়েছে।ওর বেশ কিছু ছবি বড় অঙ্কে কিনে নিয়েছে বিদেশিরা,সেখানকার পত্রিকায় ছাপা হয়েছে ওর নাম।গত কয়েক বছর ধরে সাফল্যের গ্রাফটা উঠছে তো উঠছেই।কিন্তু ঠিক এই মুহুর্তে ওকে কেউ দেখলে কিভাবে ভাববে যে এই সেই অনিক চৌধুরী!মানুষ যখন সফল হতে থাকে, প্রতিটা ক্ষেত্রে ভাল করতে থাকে,তখন হয়ত সে ধীরে ধীরে একাও হতেথাকে।আত্মীয়স্বজন,বন্ধুবান্ধব সবাই নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত, সবার থেকেই অনেকটা দূরে সরে এসেছে ও,না চাইতেও। আচ্ছা,এই কি চেয়েছিল সে জীবনে?এমন তো ও কখনই চায়নি,সবসময় সবকিছুর আগে চেয়েছিল সুন্দর একটা জীবন,সংসার।মাধবীর হাতে হাত রেখে জীবনটা কাটাতে চেয়েছিল সে।কিন্তু হঠাতই ঝড়ে সব কিছু বদলে গেল কেন? মাধবী,নামটা ভাবতেই মিষ্টি একটা ভাল লাগায় মন ভরে ওঠে আজো।ওর ছোটবেলাটা কেটেছে ঢাকার বাহিরে।বাবার ছিল সরকারি চাকুরী। সেই সুবাদে বিভিন্ন কোয়ার্টারে কেটেছে শৈশব,কৈশর।সেই রকমই এক কোয়ার্টারে মাধবীর সাথে পরিচয়,মাধবীর চেয়ে বছর দুয়েকের বড় ছিল ও।কিন্তু তারপরো একইসাথে দল বেঁধে আম কুড়ানো,কিংবা পেয়ারা গাছে উঠে পেয়ারা পাড়া,লাঠিদিয়ে কাঠবাদাম পেড়ে খাওয়া,সাইকেল চালানো,স্কুলে যাওয়া।রঙ্গিন কতগুলো বছর কেটেছিল মাধবীর সাথে,ছোটবেলার খুব ভাল একজন বন্ধু ছিল ও। তারপর হঠাতই হারিয়ে যায় মাধবী আর সেই নানা রঙের দিনগুলি।স্কুল কলেজের গন্ডি পেরিয়ে অনিকের জায়গা হয় ঢাকা ইউনিভার্সিটির চারুকলায়।এখানেও কেটে যায় দুটি বছর। নানা কারণে তখন ওর জীবন অনেকটাই এলোমেলো। ছন্দ হারিয়ে ফেলা জীবনটাকে ঠিককরতেই বোধ হয় বিধাতা ওর জীবনে এত বছর পর আবার নিয়ে আসেন মাধবীকে। মাধবী ভর্তি হয় ঢাকা ভার্সিটের ফিজিক্সে। একজন সায়েন্সের স্টুডেন্ট, আরেকজন আর্টসের! কিন্তু কপালের লিখন খন্ডায় কে। এতবছর পর আবারো গড়ে ওঠে সেই অকৃত্তিম সম্পর্ক। আগে একসাথে সাইকেল চালিয়ে বেড়াত,আর এখন একসাথে ঘুরে বেড়ায় রিকশায়। ক্যাম্পাসের পরিচিত গায়িকা মাধবীর একান্ত গিটারিস্টও হয়ে দাড়ায়অনিক। এলোমেলো জীবনটা হঠাতই আগের মত রঙ্গিন হয়ে ওঠে।একসময় নিজেকে সে হারিয়ে বসে মাধবীর কাজল কালো চোখের মায়াতে। এভাবেই চলে যাচ্ছিল সময়।অনিক বের হয়ে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করে দেয়। আর মাধবীও ওর পড়াশুনা চালিয়ে যায়।সমস্যা খালি একটাই। ছোটবেলা থেকেই মাধবীকারণে অকারনে প্রায়ই অসুস্থ থাকে। জ্বর,ঠান্ডা,জন্ডিস,টাইফয়েড ,এই অসুখ ওই অসুখ লেগেই আছে!তাই অনিক যেদিন প্রথম বলে-ভালবাসি,মাধবী প্রচণ্ডভাবে হেসে ওঠে,হাসতে হাসতেই ব্যাগ থেকে একটা কাগজ বের করে কি যেন লিখতে থাকে। তারপর ওর হাতে ধরায় দেয়। -এটা কি?বলা মাত্রই প্রেমপত্র দিয়ে দিলি? -গাধা কোথাকার,এটা প্রেমপত্র না,আমার এক মাসের ওষুধের লিস্ট।ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করলে তোর প্রেম ভালবাসা জানালা দিয়ে পালাবে! -কেন?আমি কি এতই গরিব,যে তোরে ওষুধ কিনে খাওয়াইতে পারব না?তোরে ভাত খাওয়াতে না পারি,ওষুধ ঠিকই খাওয়াব আমি,কথা দিচ্ছি! -ধুর,তুই কত ভাল মেয়ে পাবিআমার চাইতে!তুই কেন আমার সাথে সারাজীবন হাসপাতালে হাসপাতালে কাটাবি! অনিক কিছুক্ষণ ওর দিকে তাকায় থাকল হা করে। পুরোটা সময় মাধবী পাগলের মত হেসেছে,কিন্তু চোখ দিয়ে ঝরঝর করে গড়িয়ে পড়েছে বৃষ্টির পানি।মাধবী কি এত সহজে পারবে ওর কাছে নিজেকে আড়াল করতে?ওর চোখের পানিইবলে দিচ্ছে ওর ভালবাসার কথা। অনিকের আর কিছুই শোনার দরকার ছিল না ,উঠে আসার আগমুহুর্তে বলে এসেছিল -দেখা হবে,একেবারে আংটি পরানোর সময়! ওর জেদের কাছে মাধবী কিংবা মা বাবা কারো আপত্তিই টিকলনা।মাধবীকে ও হারিয়ে ফিরে পেয়েছিল আবার,তাকে আর হারাতে দিবেনা কিছুতেই! খুব বর্ষার এক দিনে মাধবী আনিকের ঘরে বউ হয়ে এল।ওদের বিয়েটা আর দশটা বিয়ের মত টাকা ওড়ানো জমকালো বিয়ে ছিল না।নামী কোন কমিউনিটি সেন্টারে সেইরকম ডেকোরেশন,৩/৪টা অনুষ্ঠান,দামি দামি শাড়ি,গহনা এসব কিছুই ওদের দুজনের চাওয়া ছিলনা।আশ্চর্য হলেও সত্যি, লাল টুকটুকে জামদানী,লাল ওড়না,খোপায় জড়ানো বেলী ফুল আর হাত ভর্তিরিনিঝিনি কাঁচের চুড়িতে বউ সেজেছিল ওর মাধবী।ওর তখনো পড়াশুনা শেষ হয় নি।আর অনিকও খুব প্রতিষ্ঠিত একজন হয়ে ওঠেনি।এর মাঝেই দুজনের পথচলা শুরু।আস্তে আস্তে সময় গড়ায়,মাধবী পড়াশুনা শেষ করে চাকরীতে ঢুকে,অনিকও ভালভাবেই আকাআকি চালিয়ে যায়। বিয়ের চার বছরের মাথায় ওদের ঘরে আসে অজান্তা। পুরো পরিবারে তখন খুশির বন্যা।পিচ্চি অজান্তাও একসময় হামাগুড়ি দেয়,হাটতেশিখে,কথা বলে ওঠে। অজান্তার বয়স তখন পাঁচ বছর।এত বছরে মাধবীও যথা নিয়মে অসুস্থ হত,আবার ঠিকও হয়ে যেত। সবসময় ডাক্তারের অ্যাডভাইজে থাকতে হত ওর,খুব নিয়ম মেনেও চলত।কিন্তু হঠাৎ করেই খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ল ও।পেটের বাম পাশে প্রচন্ড রকমের ব্যথা, কিছুই খেতে পারে নাও। গোলগাল মানুষটা ওজন কমে শুকায় কাঠ।হাসপাতালের স্যালাইনের উপর টিকে আছে ও,আবার ওইদিকে ডাক্তাররাও কোন সমস্যাই ধরতে পারেন না।বেশ কয়েক মাস পর ডাক্তার যা বললেন,তাতে অনিকের পায়ের তলার মাটি সরে গেল। মাধবীর নাকি কোলন ক্যান্সার ধরা পড়েছে।ক্রিটিক্যাল পর্যায়ে আছে,খুব বেশি দেরি করা যাবেনা।চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে নিয়ে যেতে হবে। মাধবীকে নিয়ে ও চলে আসে সিঙ্গাপুরে।টাকা পয়সার যোগাড় কিভাবে হয়েছিল তা আর মনে করতে ইচ্ছে করে না ওর।যা কিছু ছিল সবই দিয়ে দিয়েছিল ওর জন্য।আত্মীয়স্বজনরা বলেছিলেন,ও যখন বাঁচবেই না,তখন নিজের আর অজান্তার কথা তো ওকে ভাবতে হবে! কিন্তু অনিক তো সারাজীবনই জেদি ছিল খুব। মাধবীকে হারিয়ে ফেলবে আবার! কিভাবেপারবে সে? মাধবীর কাছে কোনকিছু লুকানো যায় নি।প্রথম যেদিন শুনেছিল সব,অনিককে জড়ায় ধরে সারা রাত কেঁদেছিল আর আস্তে আস্তে বলেছিল-আমি যাব না তোমাকে ছেড়ে,তোমাদের ছেড়ে,আমি যাব না,প্লিজ! কিন্তু তারপরের দিন থেকেই আশ্চর্য রকমের চুপ হয়ে গিয়েছিল ও।এখানে আসার পর অপারেশন হয় ওর,কেমোথেরাপিও শুরু হয়।ওর কষ্ট যখন দেখতে পারত না,তখন হাসপাতাল থেকে বের হয়ে কিছুক্ষন রাস্তায়পাগলের মত ঘুরে বেড়াত সে।তারপর আবার ফিরে আসত ওর কাছে। লম্বা কালো চুলে আগে যেমন হাত বুলিয়ে ঘুম পারিয়ে দিত,শেষমুহুর্ত পর্যন্তও সব চুল পরে যাওয়া মাথায় ঠিক তেমনিভাবেই হাত বুলিয়ে ঘুম পারিয়ে দিয়েছিল ওর মাধবীকে।প্রায়ই আগের মত মুখে হাসি আর চোখে পানি নিয়ে বলত,দেখেছ?আমার সাথে হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরার শখ মিটেছে তোমার? ওর চোখের পানিতে সেই আগের মতই ছিল অনিকের জন্যঅপার ভালবাসা। মাধবী চলে যায় দু বছর পর,এক সন্ধ্যাবেলায়,ওর হাতে হাত রেখে।অনিককে ফেলে,অজান্তাকে ফেলে। ওর উপর আজো অভিমান হয় খুব।খুব কি দরকার ছিল ওদের একা ফেলে এভাবে চলে যাওয়ার? ও চলে যাবার প্রায় তিন বছর হয়ে এল।বাবা মা চেয়েছিলেন,অনিক বিয়ে করুক আবার। কিন্তুমাধবীর জায়গায় অন্য কাওকে এখনো বসাতে পারেনি যে,কোনদিন পারবে ও না হয়ত। অজান্তাকে ঘিরেই এখন ওর স্বপ্ন।এমনিতে খুব ব্যস্ত থাকে।অজান্তার দেখাশুনা করা আর নিজের কাজ নিয়ে।আসলে ইচ্ছা করেই ব্যস্ত রাখে নিজেকে,মাধবী যে ওর সাথে নেই এই সত্যকে ভুলে থাকার জন্য।কিন্তু ইদানিং হয়েছে বিপদ।মানুষ হয়ত দুঃখের মুহুর্তগুলো দিব্যি একা কাটিয়ে দিতে পারে।কিন্তু সুখেরমুহুর্তগুলো,সাফল্য,আনন্দের মুহুর্তগুলো কারো সাথে ভাগাভাগি করে নিতে হয়।তা নাহলে আরো বেশি অসহ্য লাগে,অসহায় লাগে নিজেকে।এখন যখন অনেক কষ্টের পর এক একটা এক্সিবিশন শেষ করে বাড়ি ফিরে,চারিদিকে ওর ছবি নিয়ে কথা হয়,সেই আনন্দের মুহুর্তগুলোতে খুব বেশি করে মাধবীকে পাশে চায় সে,ওর সাথে এতদিনের কষ্টের আনন্দটুকু ভাগ করে নিতে চায় সবসময়। দুটো ওষুধেও কাজ হল না আজ,বারান্দা থেকে বের হয়ে কিচেনে ঢুকে অনিক।এক মগ চা বানিয়ে ওর রুমে ফিরে আসে।সিডি প্লেয়ারটা অন করে ক্যানভাসের সামনে বসে যায়।হাতে রঙের ব্রাশ,আর ঘরে বেজে চলে মাধবীর খুব প্রিয় একটা গান--- We were strangers, on a crazy adventure Never dreaming, how our dreams would come true Now herewe stand, unafraid of the future At the beginning with you And life is a road that I wanna keep going Love is a river, I wanna keep flowing Life is a road, now and forever, wonderful journey I'll be there when the world stops turning I'll be there when the storm is through In the end I wanna be standing At the beginning with you সত্যিই তো,চোখের আড়াল মানেই মনের আড়াল নয়।পাশে না থেকেও তো পাশেইথাকা যায় আজীবন...... গত কয়েকদিন ধরে একটা শব্দ মাথা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে-ক্যান্সার।ইদানিং খুব বেশি মানুষদের কেড়ে নিচ্ছে এই অসুখটা।মানুষের মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী,কিন্তু আমি আর এতদিন বাঁচব-এই সত্যটুকু জেনে কিভাবে বেঁচে থাকা যায়? আশেপাশে অনেক ধরনের ঘটনাই দেখছি,মানুষটা মরে যাবে দেখে নিজের স্ত্রী পুত্র কন্যারা তাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে গিয়েছে,সারাজীবন যেমানুষটা অর্থ উপার্জন করে গিয়েছেন,তার পিছনে অহেতুক টাকা 'অপচয়' করে লাভ কি! আবার এ ও শুনেছি মাথা ভরতি কালো লম্বা চুল থাকা অবস্থায় যেভাবে স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে ঘুম পাড়িয়ে দিতেন,কেমো দেওয়ার পরো তেমনিভাবেই মাথায় হাত রেখে আজো ঘুম পারিয়ে দেন তিনি! লিখাটা লিখতে খুব কষ্ট হয়েছে আমার,চোখে পানি এসে গিয়েছিল সেই মানুষগুলোর কথা ভেবে।শুধু এটুকুই চাই-মানুষগুলো যেখানেইথাকুক,ভালবাসাটুকু বেঁচে থাকুক আজীবন... ----------------------ইরতিজা হক


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পাশে থাকার গল্প
→ পাশে থাকার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now