বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পেরানরমলাল এক্টিভিটি নিজেকে সাহসী মনে করলে রাতে ঘুমানোর আগে এটা একটু পড়ে দেখুন ????)
রাতে ঘুমানোর সময় ঢিম লাইট না জ্বালানোই উচিত।হয় ঘরে পরিপূর্ণ আলো না হয় সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখা।
ওরা রাতে নানা রকম প্রানীর আবায়বে ঘরের কোনে ঝুলে থাকে।
ওরা মানুষের আবায়বকেই বেশী পছন্দ করে।তাছাড়া দেহ আর আপনজনদের হারিয়ে এরা খুব বিপর্যস্ত থাকে।তাই এদের দেখতে আর এদের আচারন খুব ভয়ংকর হয়।আগেই বলেছি এরা মানুষের মত দেখতে হলেও কিছুটা আলাদাও
যেমন এদের পায়ের পাতা উল্টো দিকে থাকে,কিংবা ধর ও মাথা উল্টো দিকে থাকে,নেকড়ের মত দাঁত ও পশম,মুখে শরীরে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ।রাতের আধাঁরে
ডিম লাইটের আলোয় হঠাৎ দেওয়ালে এদের ঝুলতে দেখলে নিশ্চিত ভয়ে পেয় যাবেন।
তাই রুমে পুরো আলো থাকাই উওম।আলোকে ওরা সহ্য করতে পারে না। ঘুমাতে যাওয়ার আগে দরজা জানলা,খাটের তল সিলিং ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিবেন।আর মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অন্ধকার ঘরে দেয়ালের কোনায়,খাটের তলায় না দেখাই ভালো। আবার এমনো হয় কলেজ হোস্টেলে এক রুমে তিনজন।ওরা সেখানে সুযোগ নিতে পারে।দেখা গেলো একজন কেউ কোন কাজে বাহিরে গেছে তখন ওরা ঐ বাহিরে থাকা ব্যাক্তির রূপ দরে আপনার সাথে সময় কাটাতে পারে।ওরা ওদের অতীত জীবন যেখানে শরীর আর আত্নার মিলন ঘটেছিলো সে জীবনটা ওরা খুব মিস করে।তাই সুযোগ পেলেই ওরা জিবিত মানুষের কাছে আসতে চায়।
আপনার খুব কাছের কেউ একজন যদি হঠাৎ মারা যায়।যার সাথে আনন্দ করেছেন,সময় কাটিয়েছেন অনেক মজা করেছেন।হোক না সে পরিবারের কোন সদস্য বা বন্ধু।হঠাৎ অপঘাতে সে মারা গেছে।মারা যাওয়ার পর তার আত্নাটা আপনাকে তার জগতে নিতে চাইবে।
কারন সে তার দেহ হারিয়ে এখন একাকি ও বিদ্ধস্ত।সে কিসে আপনার ভালো/ মন্দ তা বুঝতে চাইবে না।
যেহেতু তার ফিজাকালি কোন ব্রেইন থাকে না। তাই মূলত এরা জিবিত থাকার সময়ের কিছু মেমরি তাদের মনে থাকে।যা দিয়ে তারা নিজেদের একটা জগৎ তৈরি করে।ঐ মেমোরিতে আপনার উপস্থিতিই আসল বিষয়।তাই সে খুব চেষ্টা করবে আপনাকে তার সাথে নিতে।আর তা কেবল সম্ভব আপনার শরীরের মৃত্যুতে।
ছলেবলে কৌশলে আপনার হার্ট দূর্বল করে ফেলবে।মারা গেলে তো বেঁচেই গেলেন।আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন মনে রাখবেন হাসপাতালেও ওদের অবাদ বিচারন।
প্রতিটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ওরা ঘুরে বেড়ায়।সেভলনের গন্ধ ওরা পছন্দ করে।মর্গ গুলোতে চাপা আর্তনাদ করে।মরা মানুষের ছিন্নবিচ্ছিন্ন দেহের গন্ধ ওরা পছন্দ করে।হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া আপনার শরীরকে ওরা ক্রামগত টানা হেঁচড়া করে। স্যালাইনের গতি বাড়িয়ে দেয়, অক্সিজেনে সিলিন্ডারের নব ঘুরিয়ে দেয়।
রাতের বেলায় রাস্তায় কুকুর ডাকে।
সে রাস্তায় কখনো একা যাবেন না।কুকুর অনেক স্পর্শকাতর জিনিস দেখতে পারে। যা আমি আপনি খালি চোখে দেখি না। কুকুর ওদের ভয়ানক চেহারা দেখে ভয়ে চিৎকার করে।চিৎকার করে করে কান্না করে।রাতে অন্ধকারে শুয়ে আছেন। বহুদূর থেকে শেয়ালের করুন কান্না শুনা যাচ্ছে। মন ওদিক থেকে সরিয়ে আনুন।কান দেবার চেষ্টা করবেন না।আবারো বলছি কখনই কান দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।এ কান্না শোয়ালের নয়,একশো ভাগ নিশ্চিত থাকুন। এ কান্না ওদের।
ওদের কান্না যদি মনযোগ দিয়ে শুনেন তাহলে ওরা আপনার কাছে চলে আসবে খুব কাছে।
আমি ছোটবেলায় যে সরকারী কোয়ার্টারে বড় হয়েছি তার খুব কাছেই একটা গোরস্তান ছিলো।
আমি প্রায় রাতেই ওখান থেকে শেয়ালের কান্না শুনতে পেতাম।
কান্নার আওয়াজটা ধীরে ধীরে কাছে চলে আসত।আমি ভয়ে লাইট জ্বালিয়ে দিতাম!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now