বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাওয়া

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান A Rahman(guest) (০ পয়েন্ট)

X ওর পিছে খালি ঘুরেই যাচ্ছি আর ঘুরে ই যাচ্ছি।দূর থেকে দেখেই মনকে শান্ত করছি।আহ! কি শান্তি???? মনে হয় কত কাছের কত চেনা,কত আপনজন হাজার বছরের চেনা!!!তাকে দেখলেই সারা শরীরে একটা বিদ্যুৎ খেলে যায়।পুলকিত হয় ওঠে মনটা, মনে হয় কত জনম দরে এমন কিছুর জন্য অপেক্ষা করে আছি!! প্রতিদিন বাসা থেকে বের হয়ে দাড়িয়ে থাকা ও কখন আসবে কখন আসবে??এসে গেলেই না দেখার ভাণ করে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকতাম।বান্ধবীদের সাথে কি উচ্ছলতায়,হেসে -খেলে এগিয়ে যায় আমার পাশে দিয়ে। আমাকে অতিক্রম করলেই আমি কিছু দূরত্ব বজায় রেখে পিছু নিতাম।ওর হাটা মনে হয় দক্ষিণা হাওয়ায় ভেসে ভেসে এগিয়ে যাচ্ছে। চুলের বাহার যেন সেই দূর দিগন্তের কাশবনের মত হাওয়ার তালে তালে একবার এইদিকে আবার ওই দিকে আছড়ে পড়ছে!!আমি আবক হয়ে তাকিয়ে থাকি আর পিছু পিছু অনুসরণ করতে থাকি।।সেই কবে থেকে এই অনুসরণ এখন আর মনে পড়ে না। তব মাঝে মাঝে ওর পিছু ফিরে চাওয়া আমাকে থমকে দেয়।হার্ডব্রেক কষার মতপা দুটো কে দশমণ ওজনের পাথরের মত স্টপ করে দিতে হয়।।আর এই লুকোচুরি খেলা চলতেই থাকে।আমার মনটা সারাক্ষন শুধু আকুপাকু করে ওর সাথে একটু কথা বলার জন্য।।কিন্তু সাহসে হাটু কাঁপে তাই কথা বলা হয়ে উঠছেনা।। আমার বাড়ির পাশে একটু দূরে ওর একটা বান্ধবীর বাসা,ওর বান্ধবীরা আমাকে দেখলেই মুচকি মুচকি হাসা শুরু করে।।এক দিন মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম ওর সাথে কথা বলবই,কি কথা বলব ওইটা নিয়েই ভাবতে ভাবতে ঘলদঘর্ম হয়ে গেলাম।।তারপর দিন যথারীতি ওর পিছু নিলাম কিছুক্ষণ যাওয়ার পরে ওরা হঠাৎ থমকে দাড়াল এবং ডাকতে শুরু করল    এই যে মিষ্টার।। আমি না শুনার ভান করে ওদের কে অতিক্রম করে যাচ্ছিলাম ওরা আরো জোরে ডাকা শুরু করল।।    এই যে হ্যালো কানে শুনেন না নাকি??    আমি দাড়িয়ে বললাম, আমাকে কি ডাকছিলেন??    আপনি ছাড়া এখানে আর কেউ আছে নাকি??     চারপাশে তাকিয়ে, কই নাতো।আমাকে কেন ডাকছিলেন?    প্রতিদিন আমাদের পিছুনেন কেন??    কই আমি তো আপনাদের পিছু নেইনা।আমি তো সব নিয়মানুবর্তীতা বজায় রেখে কলেজে যাই।। আপনারা প্রত্যেকদিন আমি রওয়না করার আগে আসেন তাই আমি আপনাদের পিছে পড়ে যাই।।আমি তো আর ইচ্ছা করে আপনাদের পিছে পিছে আসি না!!    কি????আমরা প্রত্যেকদিন আপনার টাইমের আগে আসি???চাপাবাজির জায়গা পান না???     তাই ই তো!!     আর এক দিন যদি আমাদের পিছে আসতে দেখি তো আবস্থা খারাপ হয়ে যাবে কিন্তু।।যান এখন। ওর বানদ্ধবী গুলা এত্তো হারামি কেনো???ওতো একটা কথা ও বললো না    !মুচকি মুচকি হাসছে!!পিছন থেকে ওদের হাসাহাসি গুলা স্পষ্ট শুনেও আর  পিচনে না তাকিয়ে সোজা কলেজে চলে আসলাম!!! ওই ঘটনার পর আর আনেক দিন তাবাস্সুম আর ওর বান্ধবিদের মুখোমুখি হয়নি।কিন্তু মনতো আর মানতে চায় না।আবার পিছু নেওয়া শুরু করছি। ভালোবাসার কথা কিভাবে বলা যায় ওই চিন্তাতে আর ঘুম হয় না।একদিন টিফিন পিরিয়ডে ক্লাস রুমে মন খারাপ করে একা একা বসে আছি।হঠাৎ তাবাস্সুম পিছন থেকে বলে ওঠলো                   এই যে একটা কথা বলতে পারি?    আমিতো বিশ্বাস করতে পারিনি ও আমার সাথে কথা বলতে চাইছে!!আমি সব কিছু ভুলে ওর দিকে তাকিয়ে আছি।কতক্ষণ হলো জানি না,, অনেক্ষণ পর ও আমার মুখের সামনে হাত নাড়িয়ে বলে উঠলো     এই যে মিস্টার।      আমি হতভম্ব হয়ে লজ্জায় নিচের দিকে মুখ নামিয়ে আনলাম।     কি দেখলেন এতো গভীর ভাবে??     নিচের দিকে তাকিয়ে, জানি না।     খুব লজ্জা পাচ্ছেন নাকি?এতো দিন কইছিলেন??আর যে পিছে পিছে আসতে দেখি না???     আপনারাইতো আমাকে বকা দিয়ে নিষেধ করে দিলেন।।     আমি আবার কখন বকা দিলাম?আমার ও বান্ধবিরা বকা দিছে, আমিতো দেইনি।     হুম।।     এজন্য কি খুব ভয় পাইছেন??     বেশি না,তবে লুকাই লুকাই দেখছিলাম।।     কি দেখছিলেন?     কোনো একজন কে।     কাকে??     বলতে পারবো না।।     আচ্ছা থাক বলতে হবে না।আজকে ম্যাম যে ম্যাথ গুলা দিলো একটু বুঝাইতে পারবেন??     ওর সাথে কথা বলতেই আমার জ্বরদিয়ে ঘাম চাড়ছে বার বার রুমাল দিয়ে মুখ  মুছতে হচ্ছে,, আবার ম্যাথ বুঝানো।     হঠাৎ পিছন থেকে অনেক গুলা মেয়ের চেঁচামেচি শুনে পিছে তাকিয়ে দেখি ওর বান্ধবি গুলা মিটিমিটি হাসতেছে।সমস্বরে কি হচ্ছে এখানে??     তাবাস্সুম বলল কিছু ম্যাথ বুঝিনাই তো একটু বুঝার চেষ্টা করতেছি।     আমরাও তো বুঝিনাই আমাদেরকে ও তো ডাকতে পারতি!!!       অন্য দিকে আমিতো শেষ।।তারপর ও অনেক কষ্ট করে বললাম আচ্ছা সবাইকে বুঝাবো।     সমস্বরে, আচ্ছা বুঝান। এই ভাবে চলছে আমাদের দিনকাল।   আমার মনতো পুরাই পাঙ্খা!!প্রতিদিন কথা হয়, আড্ডা হয়।। বন্ধের দিনগুলাতে খুব কষ্ট হয়।ইস যদি বন্ধ না থাকতো!!! মাঝে কিছুদিন ক্লাসে যাই নি অসুস্থতার কারণে,কয়েক দিন মনে হলো কয়েক বছর।।ক্লাসে গিয়ে প্রিয় মুখটাকে খুজছি কিন্তু পাচ্ছিনা!     অনেকক্ষণ পরে পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠল কাউকে কি খুজছেন?? এতো দিন আসেন নাই কেনো জানতে পারি?? রিনরিনে ঝর্ণার কল ধ্বনির মতো মধুর স্বরটা শুনে বুঝতে বাকী রইল না পিছনে কে আছে।।     অসুস্থ ছিলাম তো তাই আসতে পারিনি।।     একটু কি জানাতে ও পারতেন না।     জানালেতো টেনশন করবেন তাই জানাইনি।আমি কি কোনো ভুল করেছি?     না,আপনি ভুল করবেন কেন??আপনিতো সবসময় ঠিক কাজ করেন!! এই ভাবেই চলছে আমাদের দিনকাল।। আপনারা ও দোয়া কইরেন যেনো আমরা একসাথে চলতে পারি।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তোমাকে পাওয়া
→ এক বিকালের পরম পাওয়া
→ এক বিকালের পরম পাওয়া
→ “প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না পাওয়ার গল্প”
→ অদ্ভুদ পাওয়ার
→ ২৫০০০০ বছর আগে পাওয়া আ্যালুমিনিয়ামের টুকরা
→ হঠাৎ ফিরে পাওয়া তারপর.............
→ ভালবেসে না পাওয়ার কষ্ট
→ পাওয়া
→ তোকে পাওয়া হলো না শেষ পাঠ
→ তোকে পাওয়া হলো না পাঠ৬
→ তোকে পাওয়া হলো না৫ পাট
→ তোকে পাওয়া হলোনা ৪ পাট
→ তোকে পাওয়া হলো না ৩ পাট
→ তোকে পাওয়া হলো না ২ পাট

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now