বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পালিয়ে বিয়ে ০১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shakib Ahammed (০ পয়েন্ট)

X - তোর অন্তত একবার ভাবা দরকার ছিল এই রিলেশন করার আগে! ও তোকে ছ্যাঁকা দিল এখন ঠেলা সামলা! আমিই জোশ আছি কোনো রিলেশন নেই আর কোনো ঝামেলাও নেই। (গল্পের নায়িকা) -তুই তো তুই ই। রিলেশন না থাকলে কি হবে? ভার্সিটির সব ছেলেরা তোর পিছনে ঘুরে। যেমন রুপ আর তেমনি সম্ভ্রান্ত পরিবার তোর! আর কি লাগবে তোর? (নায়িকার বান্ধবী) -বুঝতে হবে who I am? ইহিতা চৌধুরী। স্ট্যাটাস তো অবশ্যই থাকবে। (চোখ থেকে সানগ্লাস খুলে গাড়ি থেকে নেমে ইহিতা) তিথি গাড়ি থেকে নামলো না। ভার্সিটি তে এসে গেছে তবুও গাড়ি থেকে নামছেনা। ইহিতা তিথিকে বলল -নামবিনা নাকি তোকে সহ গাড়ি লক করে দিব? -দাঁড়া আসছি। (তিথি) ইহিতা গাড়ির চাবি আঙ্গুলে ঘুরাতে ঘুরাতে ক্যাম্পাসে ঢুকলো। তিথি ইহিতার পেছন পেছন আসছিল। ইহিতা আজকেও লেইট করে ক্লাশরুমে ঢুকেছে আর স্যারের পার্মিশন না নিয়েই ক্লাশরুমে ঢুকে পরে। গিয়ে ফার্স্ট বেঞ্চে বসে পড়ে। তার ক্লাশের ফার্স্ট বেঞ্চটা তার জন্য বরাদ্দ। কেউ ইহিতাকে কিছু বলার সাহস পায়না। কারণ ইহিতার বাবার কথায় চলে এই ভার্সিটি। আর্থিক সব অনুদান ইহিতার বাবা দেয় এই ভার্সিটির। ইহিতা পড়াশুনার জন্য ভার্সিটি তে আসেনা,,উচ্ছৃঙ্খলতা দেখাতেই আসে। টিচার ক্লাশ করাচ্ছে আর ইহিতা হেডফোন কানে লাগিয়ে গান শুনছে। এইটা নতুন কিছুনা। প্রতিদিনকার ঘটনা এইটা। সবাই এইসব দেখে অভ্যস্ত। স্যার ক্লাশ থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগেই ইহিতা বেরিয়ে গেল। পাশে তিথি বসা ছিল। তিথি ক্লাশ করছিল। ভার্সিটির শিক্ষকেরা আর শিক্ষার্থীরা ইহিতাকে অহংকারী আর বেয়াদব বলেই জানে। কিন্তু কেউ ইহিতার দিকে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস পায়না। ভার্সিটির সব ছেলেই ইহিতার জন্য পাগল। ইহিতার বাবার এত আদর পেয়েই ইহিতা বখে গেছে। ইহিতার বাবা কোনোদিন ইহিতার গায়ে ফুলে টোকা লাগতে দেননি কারণ ইহিতার মা নেই। সে যাই হোক,,,ইহিতা ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে বসে জুস খাচ্ছিল। এরপর তিথিকে এসএমএস করে ইহিতা গাড়ি নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষন এইদিক সেইদিক ঘুরে দুপুরে বাসায় আসে। বাসায় সিমি (কাজের মেয়ে) ছাড়া কেউ নেই আর থাকেও না। -ম্যাম কিছু খাবেন? (সিমি ইহিতাকে জিজ্ঞেস করলো) -না। এক কাজ করো এসিটা বাড়িয়ে দাও আর এক গ্লাস পানি নিয়ে আসো। -ওকে ম্যাম। সিমি চলে যাওয়ার পর ইহিতা চেঞ্জ করে ল্যাপটপ নিয়ে বসলো। সারাদিন গেমস খেলে সময় পার করে দিল। রাতে আশরাফ চৌধুরী মানে ইহিতার বাবা আসলেন ইহিতার ঘরে। -মামনি what r u doing now?? -Nothing বাবা। আসো।(উঠে বসে) -কি করলে সারাদিন?(ইহিতার মাথায় হাত রেখে আশরাফ চৌধুরী) -গান আর ল্যাপটপ। -ডিনার করবে এসো। আর তোমার জন্য একটা গিফট আছে। তারাতারি এসো। -আসছি। (খুশি হয়ে) ইহিতা নিচে যায়। তখন আশরাফ চৌধুরী ইহিতাকে একটা বড় প্যাকেট দিলেন আর একটা চাবি দিলেন। -এগুলো কি বাবা? (ইহিতা) -প্যাকেট তোমার জন্য লেটেস্ট মডেল এর ড্রেস আর নতুন গাড়ির চাবি এইটা। -সত্যিইইইইইইইইইই? গাড়ি কোথায় বাবা?(অনেক এক্সাইটেড হয়ে) -গার্ডেনে। -আমি দেখে আসছি। পিছু পিছু সিমি আর আশরাফ চৌধুরী ও গেলেন। ইহিতা গাড়ি চালাচ্ছিল আর হাসছিল। তা দেখে আশরাফ চৌধুরী কেঁদে দিলেন। চোখের পানি মুছে তিনি ইহিতাকে নেমে আসতে বললেন। ইহিতা আসার পর দুইজন একসাথে ডিনার করলো আর যে যার মত শুয়ে পরলো। পরেরদিন সকালে ইহিতা নতুন গাড়ি নিয়ে ভার্সিটি তে যায়। গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে পাশে থাকা কাঁদা দিয়ে একটা ছেলে ইহিতার ড্রেস নষ্ট করে দেয়। ছেলেটা বাইক নিয়ে ঢুকছিল ভার্সিটি তে। ইহিতা রেগে আগুন হয়ে যায় আর ছেলেটার কলার ধরে বলে -How dare u to spoil my dress? (রাগে ইহিতা দাঁতে দাঁত চেপে আছে) চলবে... মোবাইলে সমস্যা থাকায় ১ তারিখে লেখা শুরু করতে পারি নি। তার জন্য আমি সত্যিই খুব দুঃখিত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পালিয়ে বিয়ে ০১
→ " ভুল মেসেজে পালিয়ে বিয়ে"
→ পালিয়ে বিয়ে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now