বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চলে আসলাম বান্দরবান। পুরো দশ ঘন্টা
লাগলো রাজশাহি থেকে বান্দর বান। এত
জ্যাম রাস্তা ঘাটে কি আর বলবো।
জাইহোক চলে ত এসেই গেছি এখন থাকি
কয়েক দিন আরাম করি তারপর বাকি
চিন্তা। সবাই খুব ক্লান্ত। কিন্ত তারপরও
আমার বউয়ের মুখে হাসি লেগেই আছে।
মেয়েটা সারাক্ষন হাসি খুশি থাকে। এত
হাসি যে কই থেকে আসে আল্লাহই ভাল
জানে।
- কি হলো খুব বেশি ক্লান্ত লাগছে
তোমার। ( বউ)
- হ্যা একটু একটু।
- কিছু খাবে তুমি জুস দিতে বলবো।
- না না জুস লাগবে না। জাষ্ট এক গ্লাস
পানি হলেই চলবে। কাউকে দিয়ে এনে দিতে
পারবে?
- এনে দিতে পারবো মানে। আর কাউকে
মানে কি হ্যা। আমি আছি কি করতে,
তোমার জা কিছু লাগবে আমাকে বলবা
আমি এনে দিবো। শুধু তার বিনিময়ে
তোমার ভালবাসা চাই আমি।
আরে বাবারে বউ আমার আসতে না
আসতেই এত চেঞ্জ হল কি করে। কিছু
একটা গন্ডগল ত আছে। না না না আমাকে
দেখতে হচ্ছে ব্যাপার টা।
- কি গো,, কি হলো বলো না দেবে একটু
ভালবাসা??
- আ ইয়ে মানেব দিবো না কেনো হ্যা
দিবো না কেন।আমার সব ভালবাসাই ত
আমার বউয়ের জন্য তাই না বলো।
আহাহাহা,, একটু পাম দিতেই বেলুনের মত
ফুলতে শুরু করেছে আমার বউ। লজ্জায়
জেনো মুখ লাল হয়ে গেছে।
- কি বউ লজ্জা পাইছো।
- হুম। ( আস্তে আস্তে)
- তোমাকে না লজ্জা ভরা মুখে সেই লাগে
দেখতে। সারাক্ষন এরকম লজ্জাবতি মুখ
নিয়ে থাকবা ওকে আমার খুব ভাল লাগে
তোমাকে দেখতে।
ওওওও মা গো,, এবার বেলুন নির্ঘাত
ফাটবে আমি সিওর। ওও আল্লাহ কি
জিনিস বানাইলা তুমি।
আমি বসা থেকে দারিয়ে,, বউয়ের মুখটা
উপর করে ধরলাম।
নাহ এতক্ষন ফান করে বলছি কিন্ত এত
দেখছি সত্যি। মনে হচ্ছে মা লজ্জা বতি
দেবি। এত সুন্দর বউকে আগে কখনও লাগে
নাই। আমার সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেলো।
বউয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে। আমি আস্তে
আস্তে টুকুস করে বউয়ের ঠোটের সাথে
আমার ঠোট মিলিয়ে দিলাম। আহহ,, কি
মিষ্ট সুস্বাদু খাবার।
- ওওওওওওওওওইইই ভ্যাবলার বাচ্চা
ভ্যাবলা। কি শুরু করছোস এগুলা হুম। বাবা
কি তোরে তোর বউয়ের লগে এই সব ইন্টু
পিন্টু করতে পাঠাইছে???
বউ আমার সাথে সাথে আমার বুকে মুখ
লুকালো। আর আমার ত মেজাজ টাই
বিগরে গেলো।
- ওওফফ তোর জালায় কি বউয়ের সাথে
প্রেমটাও করতে পারবো না
জা ত এখান থেকে বোইন আমার জা ভাগ
বড় ভাইয়ের কাজে বিরক্ত করতে নেই।
- ওই ভ্যবলা এইজায়গায় আইতে না
আইতে এই সব শুরু করলি। দিনের বেলা
এমনিতেও। তাও আবার দরজা খোলা রেখে
বাহ বিনা টিকিটে সিনেমা দেখার সুজোগ
করে দিয়েছিলি।
- ওই আমি দিছি ত তোর বাপের কি হ্যা।
জাহ ভাগ তোর রুমে জা।
- হ্যা হ্যা জাচ্ছি জাচ্ছি। তবে এমন একদিন
আসবে যে আমাকেই তোর বেশি দরকার
পরবে আর তখন আমি এভাবেই চলে
জাবো দেখিস
- আরে তুই আগে ভাগ পরে কথা ক।
এর ভিতরেই আবার আংকেল এসে হাজির,,
জাহ সালা দিলো আমার প্রেমের বাড় টা
বাজিয়ে। আজ আর প্রেম করা হবে না।
- কি ব্যপার অদ্র বাবা,, কেমন আছো
তুমি??
- জি আংকেল আপনাদের দোয়ায় ভালই
আছি।
আপনি কেমন আছেন আংকেল?? শরীর
ভাল আছে আপনার??
- হ্যা বাবা আমি মোটামোটি ভালই
আছি। আর শরীর টাও চলছে আমার মতই।
তা বাবা আসতে রাস্তায় কোনো সমস্যা
হয়নি ত নাকি??
- না আংকেল তেমন কোনো সমস্যা
হয়নি। কিন্ত প্রচুর জানজোট রাস্তায়।
- হ্যা বাবা এখান যে হারে জনসংখা আর
গারি বাড়ছে তাতে এই অবস্থাই হওয়ার
ছিলো।
আচ্ছা বাবা আজ আমি উঠি। তোমরাও
বিশ্রাম করে নাও। কাল আবার কথা হবে।
- জী আংকেল। আসসালামু আলাইকুম।
- ওয়ালাইকুম সালাম। আসি তাহলে,, আর
কোনো দরকার হলে ডেকো কেমন।
- জি আংকেল আচ্ছা।
গেলো আপদ টা। সালা আরেকটু পরে
আসলে কি হত।
শুধু শুধু আমার প্রেমের গুষ্টি মাইরা
গেলো। বউ চলে গেছে বোনের কাছে আমি
একা সুয়ে আছি। আর পুরোনো দিন গুলা
ভাবছি। আজ এত কেন মনে পরছে পুরনো
দিনের কথা?? বুঝতে পারছি না কিছু।
এই সেই বাসা,, জেই বাসায় আমি প্রথম
বার এসেছিলাম বাবা মা য়ের সাথে। তখন
অদ্রিতা মায়ের পেটে আসছে এক মাস এর
মত হবে। এইজে আমি জেই খাটে শুয়ে আছি
এই খাটেই মা অদ্রিতাকে পেটে নিয়ে শুয়ে
ছিলো। আর আমি খুব দুষ্ট ছিলাম,, আমি
মায়ের পেটের ওপর মাথা রেখে শুনতাম
অদ্রিতা কি বলছে পেটের ভিতর থেকে। ওই
যে দক্ষিন দিকের বারান্দায় একটা চেয়ার
ছিলো ওই সময় এখন নেই। আর ওই
চেয়ারে বসে বসে বাবা আমার দুষ্টামি
দেখতো আর হাসতো।
এই পুরা বারিতেই আমি মায়ের ঘ্রান পাই।
এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে
পরলাম জানি না। হঠাত আমার মাথায়
কারোর হাতের স্পর্স অনুভব করলাম।
আমি শপ্নে দেখছি মা আমার মাথায় হাত
বুলিয়ে ডাকছে,,,,,
- অদ্র বাবা অদ্র উঠ বাবা রাত হয়ে গেছে
খাবি আয়।
- মা,, মাগো তুমি পাশে থাকলে আমার
খিদে পায়না মা।
- কি বাজে কথা বলছিস,, এসব পাগলামি
বাদ দিয়ে উঠে পর সোনা। আমিও খাইনি
তুই খেলে তারপর আমি খাবো।
- মা আরেকটু থাকো না আমার পাশে,,,,
ওওমা,,,মা,, মা গো,,,,
ওই অদ্র কি হইলো তোমার মাথা ঠিক
আছে ত। বউকে মা বলছো লজ্জা করে না।
- কি তারমানে এতক্ষন তুমি ছিলে আমার
সাথে??
- হুম সেই কখন থেকে ডাকছি তোমাকে।
কত রাত হয়ে গেছে দেখছো খাবে চলো।
আমার খুব খিদে পেয়েছে।
- তুমি খেয়ে নাও আমার খিদে নেই আমি
খাবো না।
- খিদে নেই বললেই হলো নাকি হুম। আজ
সারাদিন কিচ্ছু খাওনি আমি দেখছি। চলো
খাবে চলো।
- আরে বাবা আমার খিদে নেই সত্যি
বলছি,,
- তুমি খাবে না তাই ত
- খিদে নেই সোনা। আর পেট ভরা থাকলে
কি খেতে ইচ্ছে করে বলো।
- ওকে গুড নাইট,,
ধপাসসসসসস,,,,,
- আরে আরে কি হলো শুয়ে পরলে যে খাবে
না তুমি?
- না,,
- কেন খাবে না?
- খিদে নেই।
- এই মাত্রই ত বললে খুব খিদে পেয়েছে।
- হুম পেয়েছেই ত।
- তাহলে জাও খেয়ে আসো জাও।
- খাবো না আমি।
- কেন?
- ইচ্ছা নেই,, আমি খাই আর না খাই তাতে
কার কি। কারোর ত আর আমার জন্য কষ্ট
লাগে না।
- কি বলছো এসব সোনা,, তুমি না খেলে
আমার কি ভাল লাগে বলো। আর তুমি না
খেলে আমার কত কষ্ট হয় তুমি জানো না.
- আর তুমি না খেলে বুঝি আমার খুব ভাল
লাগে হুম।
- ওওওওও,, এই ব্যপার,, খুলে বলবে ত কি
হয়েছে।
- দেখ,, আমি তোমার মত নির্লজ্জ না যে
সব কিছু খুলে বলবো। আমার লজ্জা সরম
বলতে কিছু আছে ওকে।
- জা বাবা আমি বলি কি আর ছাগলে বুঝে
কি।
- ওই কি কইলি আমি ছাগল। জাহ আজ
আমি খাবো না।
- তাহলে আমি খাবো ভেবেছো।
- হইছে হইছে আর ন্যাকামো করতে হবে
না চলেন,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now