বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উউউউউউউউউউম্মম্মম্মাহহ
- ওই কুত্তা তুই এইটা কি করলি,, সকাল
সকাল মাথা টা গরম করে দিলি।
- নাহ বেশি কিছু ত করি নাই। শুধু সকাল
সকাল মিষ্টি মুখ করলাম আরকি।
- তোর মিষ্টি মুখ করাচ্ছি দারা।
এই বলেই ঝারু নিয়ে শুরু করলো
দোউরানি। ওও পরিচয় দিতে ভুলে গেছি,,
আমি অদ্র। বাবার অফিসে কাজ করি। আর
আমার পিছনে ঝারু দারনি টা হলো আমার
বউ দোলা। খুব ভালবাসে আমাকে কিন্ত
বলে না। কিন্ত আমিও কম জাইনা
সুজোগে সৎ ব্যবহার করি আরকি। যেমন
টা আজ সকালে করলাম। কি হয়েছে সকালে
শুনবেন,, আচ্ছা শুনুন তাহলে।
প্রতিদিনের ন্যায় আজও বউ আমার
আমার আগেই ঘুম থেকে উঠলো। আমি
শুয়েই আছি। কিন্ত আজ দেখছি বউ
আমার সকাল সকাল উঠেই মেকাপ করতে
লেগে গেলো। কিছুই বুঝলাম না, তাই
ভাবলাম বউ কে একটু জালাই। জেই ভাবা
সেই কাজ। আমি বিছানা ছেরে উঠেই
বউয়ের পাশে গিয়ে বসলাম।
- কি হলো আজ এত তারাতারি উঠলা যে,,
- জার বউ এত সুন্দর সেতো রাত না
ঘুমিয়েই পার করে দিবে।
- পাম দিচ্ছো আমাকে??
- হেই,,, তুমি সাইকেলের চাকা নাকি বেলুন
যে তোমাকে পাম দিবো হুম।
- না এমনি বললাম আরকি। অন্য কোনো
দিন ত সকালে এই রকম কথা বলনি তাই
বললাম।
- অন্য দিন সকালে ত আমার বউ টা এত
সুন্দর করে সাজে নি তাই বলি নাই।
- কিইইইইই,,, তারমানে আমি সাজলেই তুই
আমাকে ভালবাসবি আর না সাজলে
ভালবাসবি না, তাই না,, ( খুব বেশি রেগে
গেলে আমাকে তুই করেই বলে মেয়ে টা
অবশ্য আমার যে খারাপ লাগে তা না ভালই
লাগে ওকে রাগাতে)
- আরে না বউ আমার বলে কি,,, তুমি
সাজলে যেমন সুন্দর না সাজলে তুমি
আরও সুন্দর হও তাই ত তুমি না সাজলেও
আমি ভালবাসি তোমাকে।
- কিইইইইইই,, কি বললি তুই আমি না
সাজলে ভাল লাগে আর সাজলে পেত্নির
মত লাগে হুম।
- আরে জালা,,, আমি কখন বললাম
পেত্নির মত লাগে।
- তাহলে তুই বললি ক্যান যে না সাজলে
আরও বেশি ভাল লাগে।
- আরে আমি বলছি তোমাকে সাজলেও
ভাল লাগে আর না সাজলেও ভাল লাগে।
- হুহ
- রাগ করো না বউ আমার।
- আচ্ছা বলতো আমাকে কেমন লাগছে??
- মুখে বলবো নাকি দেখিয়ে দিবো??
- এটা আবার কেমন কথা কিভাবে দেখিয়ে
দিবা??
- শুধু তুমি অনুমতি দাও,, তারপর দেখাচ্ছি।
- আচ্ছা দেখাও কিভাবে
বলতে দেরি, আমার কাজ করতে দেরি নাই।
কি কাজ করলাম আর কাজের উপহার কি
পেলাম সেটা ত আপনারা ভাল করেই
জানেন,, তাই আর কিছু বললাম না।
জাই হোক,, কোনো মতে বেচে গেলাম
আজ ঝারুর হাত থেকে। তারপর ফ্রেশ হয়ে,
নাস্তা করে, প্রতিদিন কার মত বউয়ের
কিস খেয়ে বেরিয়ে পরলাম। ঠিকানা বাবার
অফিস। অফিসে পৌছে কাজ করতে
লাগলাম। সারাদিন কাজ করে বিকালে বাবা
কে বলে বাসায় আসার জন্য রওনা হলাম।
হঠাত মনে হলো কাল শুক্রবার, মানে
অফিস ছুটি। আজ কিছু একটা বউয়ের সাথে
করতে হবে, জাতে কাল আর বউ কে নিয়ে
কোথাও বের হতে না হয়। চিন্তা করলাম
কি করা জায় তারপর একটা পার্কে এসে বসে
ভাবতে থাকলাম। নাহ কোনো বুদ্ধি
আসছে না মাথায়। মনে হয় মাথার বুদ্ধিরা
আজ হরতাল ডেকেছে। মাথায় বের হলেই
গুলি খাওয়ার ভয় আছে। একটা কথা ভেবে
হাসি পাচ্ছে যে বুদ্ধিরাও মৃত্তু কে ভয় পায়।
জাইহোক বউয়ের জন্য এক গাদা
আইস্ক্রিম আর ফুল নিয়ে বাসার একটু
সামনে আসলাম। হঠাত দেখি আমার
পাশের বাসার এক ভাই হাতে ব্যথা পাওয়ার
কারনে ব্যন্ডিস করে বাসায় জাচ্ছে। এই ত
একটা বুদ্ধি এসেছে। পাইছি এবার আর কাল
কোথাও জেতে হবে না। ইয়াহুউউউউউউ,,
ভাবতেই কুতুকুতু লাগছে আহ কতদিন পর
কাল সারাদিন পরে পরে ঘুমাবো।
জাইহোক বাসায় ঢুকলাম। বাসায় ঢুকেই
বাম হাত দিয়ে বউকে আইস্ক্রিম আর ফুল
দিলাম ,,
- কি হলো ডান হাত পিছনে কেনো
তোমার, কি ওই হাতে দেখি।
- কই কি কিছু নাতো।
- তাহলে হাত পিছনে ক্যান সামনে আনো
বলছি।
- কোনো রকমে হাত টা বের করলাম,
- কি হইছে তোমার হাতে?? কি হইছে
- আ আরে বেশি কিছু না জান ওই একটু
কেটে গেছে আরকি।
- সত্যি করে বলো কতক্ষানি কাটছে।
নাহলে কিন্ত আমিও হাত কাটবো বলে
দিলাম। ( মেয়েটা এমনই আমার কষ্ট
একদম সহ্য করতে পারে না।)
- আরে না সোনা কি বলছো এসব,, আর
খুব বেশি কাটে নাই ত এই সামান্য একটু
আরকি।
- সামান্য হলে এত বড়ো ব্যন্ডিস
করছো ক্যান। ( এই রে ধরা খাবো মনে
হচ্ছে। আসলে আমার ত কিছুই হয়নি।শুধু
কাল জাতে কোথাও বের হতে না হয় সেই
জন্য এই নাটক।)
- আরে ডাক্তার টাও না কেমন জানি
অনুভিজ্ঞ ডাক্তার। একটু কাটছে তার
জন্য দেখো কত্তোবড় ব্যন্ডিস দিছে।
- হুম সত্যি। তবে তোমার কিন্ত দেখে
শুনে চলা ফিরা করা উচিত।
- আচ্ছা জান এর পর থেকে দেখেশুনে
চলবো। এখন চলোত তারাতারি খাবার
রান্না করো । খুব খিদে পেয়েছে আজকে
পেট ভরে খাবো।
জাক বাবা কোনো মতে বাচা গেলো। কি
মেয়ে রে বাবা। এমন ভাবে জানতে চাইছে
যে,, আমি কোনো চোর।
কিন্ত এমা একি দেখছি আমি,,
- কিরে টুনির মা তুই এখানে ক্যান?
- ভাবি আসতে বলছে তাই, আমি আসছি।
( আমার ছোট বোন অদ্রিতা)
- ওওই বাসা কি তোর ভাবির যে ভাবি
বলবে আর চলে আসবি ভাবি বলবে আর
চলে জাবি।
- ওই শোন এটা আমার বাবার বাসা ওকে
আর বাবা তোকে এই বাসাতে থাকতে দিছে
কারন তুই রাস্তার ফকির, তোর কোনো
ঘর বাড়ি নাই তাই থাকতে দিছে ওকে সো
গলা নামিয়ে কথা বল আমার সাথে।
- জা বাবা আমার ঘরে আমিই ফকির,। ওই
টুনির মা বাহির হ আমার ঘর থেকে। এইডা
আমার ঘর জা কইতাছি।
- ওই ভ্যাবলার বাচ্চা সর এখান থেকে
আমি আমার ভাবির কাছে এসেছি।
আমি রেগে গিয়ে অদ্রিতা কে ঘুশি মারতে
জাবো ওই সময় দোলা এসে হাজির। আর
এসেই দেখে আমার জেই হাতে ব্যান্ডিস
ওই হাত দিয়েই মারামারি করছি।
- বাহ বাহ বাহ ভাল ত খুব ভাল।
- কি ভাল বউ,,
- জেই হাত এই মাত্র নরাতে অবদি
পারছিলে না আর এখন ওই হাত দিয়ে
মারামারি করছো।
- ভাবি দেখো না ওই ভ্যাবলা কুত্তা টা
আমাকে কিভাবে মারছে ।
- কই দেখিত দেখিত। ওওওমা গো ওই দেখ
কি করছিস তুই আমার বোনের হাত টা
দেখ।
- কই দেখি ত।আরে এইটা কোনো ব্যাপার
না।
- ব্যপার না দ্বারা দেখাচ্ছি মজা।
তারপর দুই ননদ ভাবি মিলে আমাকে
নির্জাতন করা শুরু করলো। আমি হয়ে
গেলাম এক অবলা পুরুশ। কিছুই করতে
পারছি না আমি। এক সময় হঠাত করেই
আমার হাতের ব্যন্ডিস টা খুলে জায়।
তারপর,,,,,,,,,
চলবে,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now