বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ডেভ হোয়াটমোর আদর করে ছেলের নাম দিয়েছিলেন পাগলা। বলা যায় পৃথিবীতে দুই ধরণের ক্রিকেটার আছে
এক মাশরাফি বিন মর্তূজা দুই রেস্ট অফ দা ওয়ার্ল্ড
এন্ড্রু ফ্লিনটফ ইনজুরির জ্বালায় খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। মার্কাস ট্রেসকোথিক বিষণ্ণতায় আক্রান্ত। খেলা পসিবল না। আর ম্যাশ ভাই বলেন, খেলব না! এটা পসিবল না।
২০১১ সালের কথা। মাশরাফি ভাইকে টিম থেকে বাদ দেয়া হল। ক্ষোভে ফেটে পড়ল জনতা। মাশরাফি ছাড়া দল কিসের। প্রতিবাদে মিছিল হল। সে মিছিলে মাশরাফির এক পাগল ফ্যান মিডিয়ার সামনে বলল
দরকার হইলে আমার দুই পা ভাইরে দিয়া দিব। ভাই খেলবেই
টেন্ডুলকারের নামে মন্দির বানান হয়েছিল। নেইমার ফ্যান দের নেমারজিটোস ডাকে। ম্যারাদোনাকে ইশ্বর ভাবে আর্জেন্টিনার লোকজন। কিন্তু কোন স্পোর্টসম্যানের জন্য নিজের পা দান করতে চাওয়ার মত ঘটনা পৃথিবীতে আর একটা নেই
দিস ইজ ম্যাশ ম্যানিয়া
নড়াইলে একবার তাকে থানার ওসি পুলিশ প্রোটোকল দিতে গেলে রাইগা মাইগা ওসিরে বলেছিলেন, কিসের প্রোটেকশন। আমার কারণে মানুষ জ্যামে বইসা কষ্ট করবে এটা হবেনা।
দেশে একজন মন্ত্রীর হ্যাডম নাই এই কথাটা বলার
২০০৭ বিশ্বকাপের সে ক্ষণ। অহংকারী ড্যাশিং ব্যাটসম্যান সেওয়াগ সাব বললেন , তিনি নাকি বাংলাদেশরে নিয়া চিন্তাই করছেন না তার চিন্তা বিশ্বকাপ। সাইডে হাল্কা চাপাইয়া ম্যাশ বলল ভাই থামেন! ধরা দিবানে আইজ। বিশ্বকাপের বদলে সেওয়াগের হাতে চায়ের কাপ ধরাইয়া হাসতে হাসতে মাঠ ছাড়ল মাশরাফি বিন মর্তুজা।
অনেক আগেই অস্ট্র্বেলিয়ার সার্জন ঘোষণা দিয়েছেন মাশরাফির পক্ষে খেলা আর সম্ভব না। আরেকবার লিগামেন্ট ছিড়লে পঙ্গু হয়ে যাবে। এক পায়ে সাতবার এক পায়ে আটবার। ম্যাশ ভাই বলল
" দরকার হলে খেলতে খেলতে মইরা যাব ,কিন্তু দেশের হয়ে খেলা থামাতে পারব
না আমি।"
চোখের কোণে পানি মুছতে মুছে পাগল ছেলেটা বলেন তার ইন্সপিরেশনের কথা
"বারবার ইনজুরি থেকে ফিরে আসার প্রেরণা পাই বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে। এমনও ম্যাচ গেছে চোটের কারণে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলাম না। তখন নিজেকে বলেছি, হাত-পায়ে গুলি লাগার পরও মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন কীভাবে? তোর তো একটা মাত্র লিগামেন্ট নেই! দৌড়া...! "
এই হল আমাদের পাগলা। ভাগ পাগলা ভাগ
কালকে থেকে খেলা শুরু। কে জিতবে কে হারবে জানিনা কিন্তু ওয়ার্ল্ড কাপ সম্ভবত শেষবারের মত ক্রিকেট ইতিহাসের সাহসীতম ক্রিকেটার টিকে কে মাঠে নামতে দেখবে মাশরাফি বিন মর্তুজা ফ্রম বাংলাদেশ
ভিভ রিচার্ডস হেলমেট পড়তেন না। বলতেন হেলমেট পড়লে বোলারকে সম্মান দেয়া হয়। শেন ওয়ার্ণ ব্যাক অফ করতেন না। আর আমাদের পাগলা তো পঙ্গু হওয়ার ঝুকি নিয়ে প্রতিবার রান আপে দৌড় শুরু করে। ব্রেভেস্ট ক্রিকেটার অফ অল টাইম
আরে পাগলা ভয় কিসের... ডোন্ট ফিয়ার কয পাগলা ইজ হিয়ার
লিখাঃ ওয়ারিশ আজাদ নাফি
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now