বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায়

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MK MOSHREKUL ISLAM MONDOL (০ পয়েন্ট)

X আমরা সৃষ্টির সেরা জীব।মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, সাথে তৈরী করে দিয়েছেন অসংখ্য প্রাকৃতিক উপাদান। তো আমি এখানে আলোচনা করব আল্লাহর সৃষ্টি এরকম কিছু প্রয়োজনীয় ঔষধি গাছের। বাসক বাসক একটি ভারতীয় উপমহাদেশের গাছ। আর্দ্র, সমতলভূমিতে এটি বেশী জন্মে। লোকালয়ের কাছেই জন্মে বেশী। হালক হলুদে রংয়ের ডালপালায়ক্ত ১ থেকে ২ মি. উঁচু গাছ, ঋতুভেদে সর্ব্বদাই প্রায় সবুজ থাকে। বল্লমাকারের পাতা বেশ বড়। ফুল ঘন, ছোট স্পাইকের ওপর ফোটে। স্পাইকের বৃন্ত পাতার চেয়ে ছোট। স্পাইকের ওপর পাতার আকারে উপপত্র থাকে যার গায়ে ঘন এবং মোটা শিরা থাকে। চিনবেন কি করে? বাসক মাঝারি মাপের গাছ। গাঢ় সবুজ রঙের উদ্ভিদ এবং চেহারায় তেমন কোন বিশেষত্ব নেই। ৫-৬ ফুট পর্যনত্ম সাধারণত লম্বা হয় এবং বাংলাদেশের সর্বত্রই মেলে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ছোট ছোট সাদা ফুল ফোটে। অন্য এক প্রকার বাসক গাছও আছে যাতে হলদেটে লাল রঙের ফুল ধরে। উপকারিতা ১। বাসকের ছাল খেলে কৃমি মরে যায়। ২। যাদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তারা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে। ৩। যাদের শ্বাসকষ্ট আছে বাসক পাতা বিড়ি বা চুরম্নট জাতীয় পাকিয়ে তার সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়। ৪। গায়ের রঙ ফর্সা করতে চাইলে বাসক পাতা ব্যাবহার করতে পারেন। ৫। পানি ফিল্টার করতে বাসক পাতা ব্যাবহার করতে পারেন। তেলাকুচা তেলাকুচা একপ্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে একে ‘কুচিলা’, তেলা, তেলাকচু, তেলাহচি, তেলাচোরা কেলাকচু, তেলাকুচা বিম্বী ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। অনেক অঞ্চলে এটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। গাছটির ভেষজ ব্যবহারের জন্য এর পাতা, লতা, মূল ও ফল ব্যবহৃত হয়। এটি লতানো উদ্ভিদ। এটি গাঢ় সবুজ রঙের নরম পাতা ও কাণ্ডবিশিষ্ট একটি লতাজাতীয় বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। লতার কাণ্ড থেকে আকশীর সাহায্যে অন্য গাছকে জড়িয়ে উপরে উঠে। পঞ্চভূজ আকারের পাতা গজায়, পাতা ও লতার রং সবুজ। এর ফল ও কচি ডগা খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেখানে। তেলাকুচায় প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন আছে। চিনবেন কি করে? ১ সে.মি. লম্বা ফুলের রং গোলাপী। দেড় থেকে দু সে.মি. লম্বা ফল অনেকটা চিলগোজার মতন দেখতে।শিকড় ব্যতীত কালমেঘ গাছটির সব অংশই ঔষুধের কাজে লাগে। কালমেঘ অত্যন্ত তেতো এবং পুষ্টিকর। উপকারিতা ১। শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। ২। টাইফয়েড রোগে এবং জীবানুরোধে কালমেঘ কার্য্করী। ৩। কালমেঘ গাছ বেটে সরষের তেলে চুবিয়ে নিয়ে চুলকানিতে লাগানো হয়। ৪। গাছের পাতার রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভার রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায় part 6
→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায় par5
→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায় part 4
→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায় part 3
→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায়
→ ঔষধি গাছের গুনাগুন ও চিনার উপায়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now