বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অথৈই পরিকে ফোন দিলো আর বললো যে
অথৈইমন খারাপ করে কথা বলছে)হ্যালো পরি আমার সঙ্গে দেখা করতে পারবা?
পরিঅথৈইয়ের মন খারাপ ভাব কন্ঠ শুনে পরিও মন খারাপ করে বলে) হমম পারবো কোথায়?
অথৈইমন খারাপ করেই)তোমার সেই পছন্দের জায়গায়।
পরিমন খারাপ করেই) আচ্ছা ঠিক আছে।
পরি অধৈইয়ের জন্য দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে তদুপরি অথৈই এলো একটা পাঞ্জাবি পায়জামা গায়ে দিয়ে রাস্তার কিনারে মঝে মাঝে হোন্ডা ভ্যান পাখির আওয়াজ বিশেষ করে চুড়াই কাক আর মটর চালিত চোন চোন চোন আওয়াজ আর মানুষের কোলাহল বিশেষ করে থেকে থেকে ছোট একটা ব্যাগ কাঁধে করে ছোট মাইক হাতে দিয়ে পুরাতন গ্যাসের চুলা ঠিক করে পানি পরা ঠিক করে এই ধরনের ফেরিওয়ালা তো থাকছেই একটা আম গাছের নীচে তাড়া দেখা করবে অতঃপর বলল
অধৈইখুশি হয়ে)(পরির হাত ধরে)পরি তুমি কখন এলে?
পরিহাতটা ছাড়িয়ে)(অথৈইয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে) অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করতেছি তোমার জন্য কিন্তু তোমার কোনো আশার খবরই নাই আর যখন এলে তখন কেনই বা দেরি করলে তুমি কি জানো এই নির্জন নিরব জায়গায় যদি আমার সাথে কিছু খারাপ হয়ে যেতো তাহলে???
অথৈইপরির মুখ হাত দিয়ে চেপে ধরে)ওরকম কথা বলো না তোমার ঐ মুখে আশা করি ওরকম কোনো কিছু হবে না।
পরিমুখ থেকে হাত সরিয়ে)যদি হয়??
অথৈইগালে কষে একটা থাপ্পর দিয়ে)আবার বললে ।
পরিগালে পাঁচটা আঙুলের ছাপ)(গাল ধরে অথৈইয়ের দিকে তাকিয়ে)এই থাপ্পর মারার জন্য আমাকে ডেকেছিলে নিশ্চই?
অধৈইপরির মুখ দুই হাত দিয়ে ধরে)আরে পাগলী তোমাকে আমি কত ভালোবাসি তুমি তো তা জানো তাইনা আর তোমার সাথে কোনো খারাপ হওয়া আমি মেনে নিতে পারি নাই।
পরিঅধৈইকে জরিয়ে ধরে)আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি অথৈই।
পাশ দিয়ে মটর সাইকেলে চড়ে দুজন যাচ্ছিল আর বলছিলো
মটর সাইকেলের প্রথম চালকপেছনের বন্ধুকে বলল)মাআআআআআম্মা দেখো দেখো প্লাছ মাইনাস এক হয়ে গেছে।
পিছনের বন্ধুচালককে উদ্দেশ্য করে)না মাম্মা এটা মাইনাস প্লাস এক হয়েছে।
চলক:ঐ একি,,,,(অধৈই আর পরিকে উদ্দেশ্য করে)চালিয়ে যাও চালিয়ে যাও মাম্মা
এই বলে তারা চলে গেল। তাদের কথায় কান না দিয়ে পরি অথৈইকে বলল
পরিজরিয়ে ধরা ছেড়ে এমনি চোখের দিকে তাকিয়ে)তা আমাকে কেন ডেকেছো?
অথৈইহাত দিয়ে পরিকে দেখিয়ে)তোমাকে দেখার জন্য?
পরিঅথৈয়ের দিকে তাকিয়ে)কিহ আমাকে দেখার জন্য?
অথৈইমাথা উপর নিচ করে)হমমম, তোমাকে দেখার খুব ইচ্ছে করছিলো তাই মন খারাপ করে ফোন দিয়েছিলাম । আচ্ছা ফোনে তোমার কন্ঠটাও মন খারাপ মন খারাপ লাগছিল কেন?
পরিঅথৈইয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে) তখন তোমার মন খারাপ ছিল তাই আমারো ছিল আর এখন তোমার মন ভাল তাই আমারো মন ভালো।কারণ তুমি ভালো থাকলেই ভালো থাকি আমি আর তুমি যদি থাকো বিষন্ন আমার এই মন হয়েছে অভয়ারণ্য। খুব ভালোবাসিরে পাগল তোরে।বাসবি কি ভালো আমারে।
অথৈই: (হেঁসে)হমম রে পাগলী জীবনের থেকেও বেশি।
এভাবে কথা বলার এক পর্যায়ে পরির ফোন আসে তাকে নাকি বাসায় যেতে হবে তো অথৈই বলল
অথৈইপরির চোখের দিকে তাকিয়ে)আমি এগিয়ে দেই??
পরিমাথা বাঁয়ে আর ডানে নিয়ে বলল)না আমি একলা একাই চলে যাবো তুমি যাও।
অথৈই আর কথা বাড়ালো না কারণ অথৈই ভালো ভাবেই জানে যে পরি চাইলেও আর তার কোনো কথা শুনবে না ।তারপর দুজন দুদিকে সোজা চলে যায় যেতে যেতে খেয়াল অথৈইয়ের মুখে হাসি সমস্ত শরীর লাফিয়ে লাফিয়ে চলছে একটা পর্যায়ে অথৈই একটা গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যায় অনেক রক্ত বের হয় আর শেষে মারা যায় কিন্তু পরি জানতে পারে না ।ও দিকে অথৈইয়ের দাফন সম্পন্ন হয়েছে গত দুই সপ্তাহ আগে এই দু সপ্তাহে একটা দিনও অথৈইয়ের ফোন বা ম্যাসেজ না পেয়ে পরি খোঁজ লাগায় পরে জানতে পারে সে তার সাথে কথা বলে আসার সময় রোড এক্সিডেন্ট করে মারা যায়।তখন পরি অথৈইয়ের কবরের কাছে দৌড়ে গিয়ে কান্না করে আর এই গান হয়
আর তো কোনো দিন হবেনা দেখা,
আর তো কোনোদিন হবে না কথা,
কেন আমাকে ছেড়ে ,কেন চলে গেলে দুরে,
আমি কি নিয়ে বাঁচবো ,আমি কি নিয়ে থাকব।
তুমি ছাড়া ছাড়া ।
কত শত ছলেবলে কৌশলে তোমাকে পাওয়া,
কত রঙিন রঙিন স্বপ্নে তোমাকে দেখা,
কেন আমাকে ছেড়ে,কেন চলে গেলে দুরে,
আমি কি নিয়ে বাচবো,আমি কি নিয়ে থাকব,
তুমি ছাড়া ছাড়া।
আমি পারছিনা ,পারছিনা মেনে নিতে ,তোমাকে হারাবার বাস্তবতা।
আমি কি আর পাবোনা তোমাকে দেখতে,
কেন আমাকে ছেড়ে ,কেন চলে গেলে দুরে,
আমি কি নিয়ে বাঁচবো ,আমি কি নিয়ে থাকব,
তুমি ছাড়া ছাড়া।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now