বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপালা বসল ভাঙ্গা খাটে আর অসীম ঘরটার অন্ধকার কোনায়।
অপালা ভাবছে::অভিনয়টা আর কিছুদিন চালাই।একটা উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে::
অপালা অভিনয় করলেও এটা সত্যি বলেছিল যে সে একজনকে ভালোবাসে।আবিরকে ভালোবাসে অপালা।আবির ভালোবাসে অপলাকে।আবির অপালার সম্পর্কে বেশি কিছু জানে না এমনকি তার ঠিকানাও জানে না।
আবিরের ফোন আসল।
=>>হ্যালো।অপালা, বেবি তুমি কোথায়।তোমাই গতকাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না কেন?টেনশনে আমার জ্বর চলে আসছে।(চিন্তিত কন্ঠে)
অপালা বলল
=>আমার বিয়ে হয়ে গেছে।(মিথ্যা)
=>>হোয়াট! কিভাবে হলো?(উত্তেজিত হয়ে)
=>বাবার জন্য।(মিথ্যা)
=>>এখন কি হবে?
=>তুমি এখানে আসো।ঠিকানা দিয়ে ফোন কেটে দিল।(বিরক্ত হয়ে)
অপালার চরিত্র সম্পর্কে অসীম কিছু জানে না।অসীম ভাবে ঐ অসুস্থ ব্যাক্তিই অপালার বাবা।আর তার ইচ্ছাতেই বিয়ে হয়েছে।তাহলে অপালা বিয়ের আগে আমাকে ভালোবাসে এমন অভিনয় করত কেন?আর
তার অসুস্থ বাবাই বা আমার মতো গরিবের সাথে বিয়ে দিল কেন?কেনই বা ও আবিরকে বিয়ে করল না?ঘরের জিনিসই বা ভাংচুর করলো কেন?উত্তর পায় না সে।আসলে উত্তরের প্রয়োজনই নেই।
বিকেলে আবিরের আবির্ভাব।আবির এসেই গালিগালাজ দিতে লাগল অসীমকে।
=>>তোর এত বড় সাহস।তোকে আমি খুন করবো।
=আমি খুন হতে বাকি নেই।(সহজ উত্তর)
আবির চুপ হয়ে গেল।অপালা বলল,
=>কোর্ট থেকে ডিবোর্স করবো।
আবির রাজি হলো।কোর্ট থেকে তিনমাস সময় দেওয়া হলো।অপালা এটাই চাচ্ছিলো।
এই তিনমাসে সে অসীমকে দেখে নেবে।আবীর যাবার আগে অসীমকে অনেক হুমকি দিল এবং শাসিয়ে গেল যেন অপালার গায়ে ছোয়াও না দেয়।শুরু হলো অপালার অত্যাচার।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now