বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অসম্পূর্ণ ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব:১ বৃষ্টি পড়ছে। আমি এক রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে রয়েছি। বৃষ্টিতে আমি ভিজছি আর দেখছি একজন এর চলে যাওয়া। ফোনের আওয়াজে আমার ঘোর কাটলো। আমি: হ্যালো,,,,, নিধির: আশা করি আজকের শিক্ষাটা তোমার জন্য যথেষ্ঠ, আর কখনও আমার সাথে জেদ দেখাবেনা।মিম,Is it clear? আমিgjতার সেই আওয়াজে আমার চোখের পানি আর একটু ও সময় নিলোনা।) জি,এরপর থেকে খেয়াল রাখবো। নিধির:idiot। আমি:আজকে আমাদের এক অসম্পূর্ণ সম্পর্কের এক বছর সম্পূর্ণ হলো।কিন্তু এটা আমার তার সামনে মুখে বলা তো দূরে থাক ,মনে করার ও অধিকার নেই।আজকের এই রাস্তাটা এবং এই বৃষ্টি হইতো অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে,আমিও থেমে নেই ,হেঁটে যাচ্ছি। আর কেন জানি বার বার আমার সেই এক বছর আগের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। এক বছর আগে,,,, আমি:খুব কষ্ট হচ্ছে আমার। কেনই বা হবেনা,ইন্টার্নি শেষ করতে বেশিদিন বাকি নেই অথচ কোনো দিন কোনো সম্পর্কে জড়ানোর কথা ভাবিনি। শেষমেশ বাবা মার জোরাজুরিতে তাদের ঠিক করা ছেলের সাথে বিয়েতে রাজি হয়ে গেলাম,আজকে তার সাথে আমার engagement ছিল। কিন্তু আমি জানতে পারলাম যার সাথে বিয়ে হতে চলেছে সে একটি মেয়েকে ভালোবাসার নাম করে ঠকিয়েছে।মাথায় কিছু ঢুকছে না। কেন আমার সাথে এমন হলো ?রাগে আমি হুশ হারিয়ে ফেলেছিলাম, হাটতে হাটতে কখন যে রাস্তার কাছে চলে গেলাম খেয়াল ই করলাম না। হঠাৎ একটি গাড়ি আমার দিকে এগিয়ে আসতেই ঘটে গেলো আমার জীবনে এর সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়। আমি চোখ খুলে দেখি আমার কিছুই হইনি,কিন্তু যে গাড়িটি আমার দিকে আসছিল সেই গাড়িটি একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়েছে।আমি গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতেই দেখি গাড়িতে থাকা একটা ছেলে আর একটা মেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রয়েছে।লোকজন জড়ো হতে লাগলো,,আমি তাদের কে হসপিটাল এ নেয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকলাম। প্রথমেই আমার মেয়েটার দিকে চোখ পড়লো।মেয়েটা একটি আকাশী রঙ এর শাড়ি পড়া ছিল তবে সেই শাড়িটি এখন রক্তে লাল হয়ে গেছে,অ্যাম্বুলেন্স এ মেইয়েটার পালস্ রেট চেক করলাম। বুঝে উঠতে পারছিলাম না কি করবো,বার বার মেয়েটার হাত ধরে আমি বলছিলাম প্লিজ আরেকটু সময় শক্ত থাকো,আরেকটু সময় লড়াই করো , আমি জানি তুমি পারবে ।তখন হয়তবা মেয়েটা আমার কথা শুনতে পায় নি; হসপিটল এ গিয়ে জানতে পারলাম মেয়েটি আর বেঁচে নেই।সেইমূহর্তে নিজেকে অপরধী ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছিল না। হসপিটাল এর সিড়িতে বসে অসহায় এর মত কান্না করছিলাম।ঠিক তখনই,,, ডক্টর:মিম,এই কেসের আরেক জন পেশেন্ট এর এই মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন,,,,Mim,can you hear me? আমি: স্যার এর হাত থেকে ফাইলটি নিয়ে দৌড় দিলাম। ফাইল চেক করে বুঝলাম ছেলেটির ব্লাড গ্রুপ আর আমার ব্লাড গ্রুপ একই।আমি নিজের রক্ত দিয়ে তাকে বাঁচাই। প্রায় ২ দিন পর ছেলেটির জ্ঞান ফিরে।আমি তার পাশে বসে ছিলাম।আর জ্ঞান ফিরেই জানতে চাইলো, নিধির:ও কোথায়? আমি একটু অপরিচিত হওয়ার ভান করে বললাম আমি:উনাকে পাশের রুমে শিফট করা হয়েছে,আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া না পর্যন্ত তাকে দেখতে দেয়া হবে না। কথাটা আমি অন্যদিকে তাকিয়ে বলছিলাম ।কারণ তার দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস পাচ্ছিলাম না। (চলবে) [ভুল ত্রুটি এর জন্য ক্ষমা প্রার্থী।প্রথম লেখা যার জন্য ছোট করে লিখেছি]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অসম্পূর্ণ ভালোবাসা
→ অসম্পূর্ণ ভালোবাসা
→ অসম্পূর্ণ ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now