বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
২
ভেবেছিলাম সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। কিন্তু একদিন
হঠাৎ করে রুমে ঢুকতে গিয়ে দেখি নীতি
চিকুকে এক পা তুলে লাথি দেয়ার চেষ্টা করছে।
চোখদুটো প্রতিহিংসায় জ্বলজ্বল করছে ওর।
আক্রমনাত্বকভাবে বেরিয়ে আছে দাঁতগুলো।
আর চিকু মিঁউ মিঁউ করে পালানোর চেষ্টা করছে।
নীতির এই ভয়ানক রূপ আমি আগে কখনোই
দেখিনি। সেদিন বুঝলাম, নীতি শুধু চিকুকে
অপছন্দই করে না, ঘৃণা করে।
দরজাতেই থমকে দাঁড়িয়েছিলাম আমি। আমাকে
দেখে খুব দ্রুতই নিজেকে সামলে নিল নীতি।
আমি অবশ্য চিকুকে অপছন্দ করার কোন কারন
দেখিনা। ধবধবে সাদা রঙের আদুরে একটা
প্রাণী। কি জানি কেন, আমার মিষ্টি বউটা বোধহয়
বিড়াল জিনিসটাই পছন্দ করেনা।
খাওয়ার সময় একটু ভাত বা মাছের কাঁটার লোভে চিকু
টেবিলের নিচে ঘুরে বেড়ায়। নীতি এখন
এমনিতেই কিছু খেতে পারে না। শুধু খাবার নাড়াচাড়া
করে। অল্প করে খেতে চেষ্টা করে। তবে
খেয়াল করলাম, চিকু আশেপাশে থাকলে সে খাবার
রেখেই উঠে চলে যায়।
একদিন গভীর রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে
দেখি নীতি উঠে বসে আছে। মৃদু কাঁপছে ওর
শরীর। ওর দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকিয়ে দেখি
দরজার কাছে একজোড়া জ্বলজ্বলে সবুজ
চোখ। কয়েকবার হুস হাস করেও যায় না। আমি বিছানা
ছেড়ে উঠতে যেতেই নীতি আমাকে খামচে
ধরল। ভয় পাচ্ছে সে। বেড সুইচটা জ্বালালাম হাত
বাড়িয়ে। কোথাও কিচ্ছু নেই। তবে কি ভুল
দেখেছিলাম!
আনজুমের সাথে কথা হয়েছে আমার। আমার স্কুল
ফ্রেন্ড। এখন মোটামুটি নামকরা গাইনোকলজিস্ট।
বাবু আসছে ধরা পরার পর থেকে নীতিকে সে
ই দেখছে।
আনজুম আমাকে আশ্বস্ত করল, প্রেগন্যান্সিতে
মেয়েদের নাকি বিভিন্ন রকম সাইকোলজিকাল
পরিবর্তন হয়। মনে করে কেউ তার বাচ্চাটার ক্ষতি
করবে। এটা তেমন অস্বাভাবিক কিছু না। শুধু একটু
সাবধানে দেখে শুনে রাখতে হবে তাকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now