বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপূর্ন ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মো: আবু সিয়াম(guest) (০ পয়েন্ট)

X আমার নাম মোঃ আবু সিয়াম। আমি চিড়িয়াখানা বোটানিক্যাল উচ্চ বিদ্যালয় স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি।আমার জীবনে পারিবারিক ও অন্যান্য সমস্যার কারণে আমি শিক্ষাগত জীবনে একটু পিছিয়ে আছি। না হলে আমি এখন নবম অথবা দশম শ্রেণীতে পড়তাম। সপ্তম শ্রেণীতে পড়ায় আমি কারো সাথে কথা বলি না। কারণ এরা সবাই আমাকে দেখে হাসি মশকরা করে। এরা সবাই বলে যে, এত বড় ছেলে মাত্র সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে। এ কারণে আমি কারো সাথে মিশি না। আমার স্কুল চিড়িয়াখানার কাছে। কিন্তু আমার বাসা মিরপুর ১ নাম্বার ঈদগা মাঠের কাছে। এবং সেখানে একটি কোচিং সেন্টার আছে। নাম হল নলেজ কোচিং সেন্টার। এখানে চার থেকে পাঁচ স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা পরে। আর এরা অনেক ভালো কারণ এরা কখনো আমাকে নিয়ে হাসি মশকরা করে নাই। এদের সাথে আমি মিলেমিশে থাকি। এখানে একটি মেয়ে যে আমার দিকে অনেক সময় তাকায়। এখানে টেস্ট পরীক্ষা দেওয়ার পর রেজাল্ট বের হলে সেই মেয়েটি আমাকে জিজ্ঞাসা করে কত নম্বর পেয়েছ। অন্যান্য ছেলেমেয়েদের থেকে সে একটু বেশি কথা বলে আমার সাথে। এমনকি তার বাসা আমার বাসা একসাথে একই বিল্ডিং এ। আমি থাকি নিচতলা। সেই মেয়েটি থাকে চারতলা। মেয়েটির নাম হল মিতু। ধীরে ধীরে আমি তাকে পছন্দ করে ফেলি। তাকে এত পছন্দ করি যে, তাকে না দেখলে মনটা অনেক খারাপ থাকে।করণা ভাইরাসের কারণে সমস্ত স্কুল-কলেজ এবং কোচিং সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। কোচিং বন্ধ করার ২ দিন আগে ওই কোচিংয়ের ই একজন ছেলের সাথে আমার ফেসবুকে কথা হত। আমি ওই ছেলেকে এই ব্যাপারে বলে দেই। এবং তাকে বলি কেউ যেন না জানে। সেই ছেলে ও তার বোন আমাদের সাথে একই সাথে পড়ে। তার বোন এই মেসেজটি দেখে ফেলে। এবং মিতুকে বলে দে। এর পরের দিন কোচিং এ ছুটির পর মিতু আমাকে রাস্তায় ডাক দে। তখন আমি আর সেই ছেলে একসাথে যাচ্ছিলাম। এরপর আমরা দাড়াই আর মিতু আমাদের কাছে এসে ইসমাইল কে বলে, তোমার বোন আমাকে এইসব কি বলে। তোমরা দুইজন মেসেঞ্জারে কথা বলেছো তা আমি জানি ফেলেছি। তোমরা ভালো হয়ে যাও এই সব কথা আর যেন না শুনি। এরপর আমি আর কিছু বললাম না। তোমার একটু কষ্ট লাগছিল। কিন্তু একটু ভালো লাগছিল। ভালো লাগছিল এই কারণে যে, মিতু জানতে পেরেছে যে আমি ওকে পছন্দ করি। নিজেকে একটু হালকা মনে হচ্ছিল। আর মিতু যখন এসব কথা বলছিল, রাগ করে বলেনি। মনে হচ্ছিল যে তার কাছে ভালো লাগছে। আর এখন কোচিং বন্ধ দুই সপ্তাহ তার সাথে দেখা হয় না। আপনাদের কাছে আমি দোয়া চাই, মিতু যেন আমার জীবনে আসে। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপূর্ন ভালোবাসা
→ অপূর্ন ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now