বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা। পার্ট ১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান এস এম মোরশেদুল ইসলাম (০ পয়েন্ট)

X **** অপ্রত্যাশিত ভালবাসা ****পার্ট: 1 আমার নাম অঝর। বাবা- মা আদরের সন্তান। আদর পেয়ে পেয়ে একবারে বাদর হয়ে গেছি। জীবনে শাসন কি জিনিস তা বুঝি নায়। কোন সময় আমার উপর রাগ করতো না। হয়তো আপনারা ভাবছেন খুব শান্ত ছিলাম। না আমি ছিলাম শান্ত সৃষ্টি লেজ বিশিষ্ট। যখন ছুটিতে বাসায় যেতাম আমার বন্ধুরা যেন প্রান ফিরে পেত। আমাকে সমনে রেখে বিভিন্ন অপারেশন চালাতো যা আমি সামনে দিয়ে নেতৃত্ব দিতাম। হাঁস, মুরগি, ছাগল, ডাব ইত্যাদি ইত্যাদি। বাসায় গিয়ে এগুলো না খেলে যেন পেটের ভাত হজম হয় না। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল আমারা চুরি করতাম ঠিকই কিন্তু পরে টাকা গুলি পরিশোধ করতাম। মাঝে মাঝে আব্বু রেগে যেত, কিন্তুু আম্মু বলতো বড় হলে সব ঠিক হয়ে যেত। আমরা যতই যা করি না কেন আমাদের সবাই ভালবাসতো। আমরা সবাই সামনে থেকে এলাকার উন্নয়ন মুলক কাজে অংশগ্রহণ করি। আমার ডিপ্লোমা শেষ করেছি মাত্র। লম্বা ছুটি নিয়ে বাসায় আসলাম বন্ধুরা তো ভেজায় খুশি। আমি খুব আন্দদে ছিলাম কেননা শীতকাল বলে কথা। কিন্তুু আমি তো জানতাম না যে আমার জন্য কি অপেক্ষা করছে। বাসায় আসছি কিন্তুু বাবার সাথে দেখা হইছে মাত্র একবার। আমাকে বাসস্টপে রিসিভ করতে গিয়েছিল। তারপর আর দেখা হয় নায়। আব্বু বাসায় আসে রাত ৮ টায় এবং অফিসে যায় সকাল ৮ টায় । আমি রাতে বাসায় আসি রাত ১২ টায় তখন দেখি আব্বু ঘুমাচ্ছে। আর যখন আব্বু বাসা থেকে বের হয় তখন দেখে আমি ঘুমাচ্ছি। আর কথা হয় নায়। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতেছি, আম্মুর ফোন আসলো। আমি : হ্যা, আম্মু বলো । আম্মু: কোথায় তুই আমি: এই তো আড্ডা দিতেছি আম্মু: বাসায় আসো তোমার বাবা অপেক্ষা করতেছে, রাতে এক সাথে খাবে । আমি: আসতেছি যদিও আজ রাতে রস চুরি কারার একটা প্লান ছিল কিন্তু আম্মুর ফোনের পর অন্য দিন করার সিন্ধান্ত নিলাম। বাসায় গেলাম দেখলাম আব্বু খাবার টেবিলে বসে আছে। আমিও বসলাম। আর চিন্তা করলাম আজকে কি এমন করেছি যার জন্য আব্বু গম্ভীর ভাবে বসে আছে। আম্মুর দিকে তাকালাম, আম্মু ও মনে কিছু জানে না। আমিও চিন্তা করে কিছু পেলাম না। আমি একবার আম্মুর দিকে তাকাই আর একবার আব্বুর দিকে তাকাই। আব্বু প্রশ্ন করলো কি করবা এর পর। আমি উত্তর দিলাম ১ঘন্টা টিভি দেখবো, ১:৩০ ঘন্টা ফেইসবুক চালবো তারপর ঘুমাবো। বাবা বললো খাবার পর না ডিপ্লোমার পর। ও আচ্ছা, কেন বি, এস, সি করবো। আব্বু বললো বি, এস, সি করার প্রয়োজন নাই। আমি অবাক হয়ে বললাম, আমার দ্বারা এখনো চাকরি করা সম্ভব না। আব্বু বললো তোমাকে কি চাকরি করতে বলছি। তাহলে আমি কি করবো, আব্বু বললো বিয়া করবে। বিয়ে, তোমার মাথা কি ঠিক আছে, কেবল আমি ডিপ্লোমা কমপ্লিট করছি আর এখন আমি বিয়া করবো। আম্মু তুমি কিছু বলো। আম্মু বললো তোর বাবা তো ঠিকই বলছে, এত বড় বাড়িতে আমি একা থাকি, তুই তো আর আমার কথা ভাববি না। ও আমি বুঝতে পারছি তোমরা দুই জনে মিলে এই গভীর ষড়যন্ত্র করছো। হুম এখন তো তুমি বড় হয়ে গেছ, এখন তো আর আমাদের কথার কোন মূল্য নাই। এই বলে বাবা খাবার টেবিল থেকে উঠে গেল। আম্মুকে বললাম দেখ আম্মু আমি কি বলছি যে বিয়া করবো না, বি,এস, সি টা তো কমপ্লিট করতে দেও। আম্মু বললো তোরে বি,এস,সি করতে মানা করছে কে বিয়ার পর করবি। মেয়েটা অনেক সুন্দর, দেখবি তোর পছন্দ হবে। ও তোমাদের মেয়ে দেখাও হয়ে গেছে। এক বার আমাকে জানালেও না। আম্মু বললো কেন তুই কি কাউকে পছন্দ করো? আমি বললাম না। সময় পেলাম কই ভাবছিলাম একটা প্রেম করে বিয়া করবো তা না, এখনি বিয়ার জন্য ব্যাস্ত হয়ে পড়েছো ( জীবনে প্রেম করি নায় কিন্তু অনেক ক্রাশ খাইছি, তা তো আর আম্মুকে বলতে পারছি না) আম্মু বললো দেখ বাবা তোর সব আবদার পূরন করছি, যখন যা বলছিস সব করছি, তুই আমাদের এই কথাটা মেনে নে। মেয়েটা অনেক ভালো। (আমি মনে মনে ভাবছি বিয়াটা তো আগে করি, তারপর দেখা যাবে) আমি বললাম আচ্ছা আম্মু, মেয়ে যদি আমায় পছন্দ না করে? আম্মু : পছন্দ না করার তো কোন কারন নাই। তুই তো আমার রাজপুত্র । আমি: তবুও বর্তমান যুগের মেয়ে বলে কথা। আম্মু : হুম। ঠিক বলেছিস , একটা কাজ কর তোরা কালকে দেখা কর। এই নে মেয়ের ছবি আর এই নে মোবাইল নাম্বার। মেয়ের নাম নীলা। ( দেখতে ছিল অসম্ভব সুন্দরি, মন খারাপ ছিল তাই আর ক্রাশ খেলাম না। মন হয় মেয়েটার চোখ যেন কথা বলে।) আমি: পরাবো না। আমার ফোন নাম্বার পারলে ঐ মেয়েকে দেও। এই বলে আমি আমার রুমে চলে গেলাম। ছবিটা আরও একবার দেখলাম, মেয়েটা আসলেই পরী টাইপের কিছু হবে না হলে এত সুন্দর হয় কিভাবে। যেভাবে হোক না কেন, আমাকে ঐ মেয়ের অপছন্দ করতেই হবে। পরামর্শের জন্য এক দোস্তকে ফোন দিলাম। দোস্ত আমাকে যে পরামর্শ দিল তাতে তো আমি বেজায় খুশি। মেয়ে আমাকে অপছন্দ না করে যাবে কই। ফেইসবুক চালাচ্ছি, হঠাৎ একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসলো । রিসিভ করলাম হ্যালো ( একটা মেয়ের মিষ্টি কন্ঠস্বর) আমি : হাই মেয়ে: আপনি কি অঝর বলছিলেন আমি : হুম। সবাই তো আমায় এই নামে ডাকে, আপনি কোন অঝরের কাছে ফোন করছেন আপনিই ভালো জানেন। মেয়ে : ফোন করার আগে কনফিউশনে ছিলাম । কিন্তু আপনার কথা শুনে মনে হল আমি ঠিক জায়গায় ফোন করছি। কেমন আছেন, কি করতেছেন? আমি : তার আগে আপনি বলুন আপনি কোন চ্যানেল থেকে ফোন করছেন আমার ইন্টার্ভিউ নেওয়ার জন্য? মেয়ে : আমি নীলা। আপনার আম্মু আপনার নাম্বার টা দিসে । আমি : ও আপনি সেই হতভাগা মেয়ে, যায় সাথে আমার বিয়ার কথা বার্তা চলছে । নীলা : স্যরি। আমি : কিছু না। নীলা : আপনার আম্মু বললো আপনি নাকি আমার সাথে দেখা করতে চান। আমি : তেমন কিছু না। আর যদি দেখা করতে চাইতাম হাহলে তো ফোনটা আমিই করতাম। আপনার তো আগ্রহ দেখছি অনেক। নীলা : আছে একটু, যাকে বিয়ে করবো তার সাথে দেখা করবো না এটা কি করে হয়। আমি : আচ্ছা আপনার বিয়া করাটা কি খুব বেশি প্রয়োজন নীলা : বাবা, মায়ের ইচ্ছা। আমি : আপনার কোন ইচ্ছা নাই মেয়ে : আমার ইচ্ছা আপনাকে বিয়া করা। (কোন মেয়ের পল্লায় পড়লাম ) আমি: আমার ইচ্ছা আপনার সাথে দেখা করা। (একবার তো দেখা করি তারপর দেখবো কে কাকে বিয়া করে) নীলা : সকাল ১১ টা, স্থান পড়ে জানিয়ে দিবো। আমি: ঠিক আছে রাখছি। ফোনটা কেটে দিলাম। আর ভাবছি নিশ্চয় এখানে বাবার কোন ঘোড়ার চাল আছে। লোকটা দাবা খেলতে খেলতে সব ক্ষেতে ঘোড়ার চাল ব্যাবহার করে। আমি কখনো বাবাকে দাবা খেলায় হারাতে পারি নায়। এবার আমাকে জিততেই হবে। ঘুমিয়ে পড়ালাম। সকাল ১১:৩০, নীলার সাথে দেখা করার কথা ছিল ১১ টায়, জায়গাটাও খুব ভালো বন্ধুদের সাথে অনেক বার গেছি। ফোন বন্ধ করে রাখছি যাতে করে কল না করতে পারে। ১১:৪৫ গেলাম ভাবছিলাম হয়তো চলে গেছে। কিন্তু না বসে আছে। একা আসছে চিনতে তেমন অসবিধা হয় নায়। আমি : স্যরি। একটু দেরি হয়ে গেছে। ( দেরি তো ইচ্ছা করেই করলাম, ) নীলা : ঠিক আছে। আমি : ধন্যবাদ। এই রকম কথা সারাজীবন বলতে পারলেই হলো। কেননা আমি সময়ের ব্যাপারে উদাসীন। নীলা : ব্যাপার না, মানিয়ে নিতে পারবো। ( এই মেয়ে বলে কি, এই মেয়ে কি মানুষ না এলিয়েন, রাগ বলতে কিছু নাই। হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।) আমি : কি খাবো বলো। নীলা : আপনার যা ইচ্ছা। আমি : আম্মু কিছু বলে নায়, আমি তো বাইরের খাবার তেমন খাই না। আর তোমার তো বিয়ার পর A - Z রান্না করতে হবে। ঠিক আমার মায়ের মত রান্না করতে হবে। নীলা :ও তাই, আমিও রান্না খুব পছন্দ করি, আন্টির মত পারবো কি না জানি না, তবে বিয়ার পর শিখে নিবো। আমি : হুম। চলবে। তোমার Bf নাইতো। আমার কিন্তু এখনো Gf আছে। আর ক্রাশের কথা আর কি বলবো। নীলা : না। আমি সিঙ্গেল। সমেস্যা নাই থাকতেই পারে। তবে বিয়ার পর না থাকলেই চলবে। আর বিয়ার পর শুধু আমাকে ভালবাসবেন। ( কি মেয়েরে মাইরি, এত এত কন্ডিশন দিলাম সব মেনে নিল। সব বদ অভ্যাস গুলার কথা বললাম, এমনি কি যে গুলা আমার নাই তাও বললাম। আমি সিগারেট খাই না, তা ও বললাম সব মেনে নিলো। আমি : দেখ, তোমাকে পছন্দ করার মত ১০০ টা কারন থকলেও, আমকে পছন্দ করার মত ১ টাও কারন খুজে পাবে না। নীলা : আমার ১ টা কারন থাকলেই হবে। আর সেটা হল আপনি গুছিয়ে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারেন। আমি : সরি নীলা : কিছু না। আমি উঠলাম। আমি : বিল টা তো দিয়া যাবে। নীলা : বিলের কথা চিন্তা করতে হবে না। এটা আমার ছোট কাকার রেস্টুরেন্ট। আমি : আর আমাকে কি পছন্দ হয়েছে। নীলা : সময় হলেই জানতে পারবেন। আমি : অকে। নীলা চলে গেল আমি এখনো বসে আছি। ভাবছি কি করবো। মিথ্যার মাঝেও অনেক সত্য কথা ছিল, তা সব মেনে নিল। একমাত্র আম্মু মেনে নিত সব। বন্ধুরাও মাঝে মাঝে বিরক্ত হয়ে যেত কিন্তু কিছু বলতো না। আমি বুঝতে পারতাম। আর এই মেয়েটা সব মনে নিল। তারমানে মেয়েটা কি সত্যিই আমাকে ভালবাসে। আর আমিও মেয়েটার প্রতি দূর্বল হয়ে পড়েছি। এমন মেয়েকে হাতছাড়া করা যাবে না। আমি এই মেয়েকেই বিয়া করবো। আজ আমাদের বিয়া। আমার চেয়ে খুশি আমার মা, বাবা। আর তাদের খুশিই আমার খুশি। আর আমি যে খুশি ছিলাম না, তা কিন্তু নয়। বসার রাত। বলতেই একটু লজ্জা নিজের কাছেই লজ্জা লাগে। আসলে ছোটবেলা থেকেই একটু লাজুক প্রকৃতির ছিলাম। কিভাবে নিবো বুঝতে পারছিলাম না। দোস্ত বন্ধুরা জোর করে রুমে ঢুকিয়ে দিল। ভিতরে ঢুকলাম দেখি নীলা বসে আছে, শাড়ীতে অপরূপ সুন্দর লাগছিল। ওর কথা ভাবছিলাম দড়জার সামনে দাড়িয়ে। এই যে মিস্টার এদিকে আসেন, নীলা কথাটা বললো। আমার তখন হুশ ফিরলো। নীলা বললো রেস্টুরেন্ট বসে তো ভালই তো লেকচার দিছিলা এখন এদিকে আসো। (কি মেয়ে রে মাইরি স্বামীকে দেখে ও সালাম প্রর্যন্ত করলো না। আস্তে আস্তে বললাম, কিন্তুু বুঝতে পারি নায় যে শুনতে পাবে।) নীলা : কি বললা তুমি । শোন এটা মোগল যুগ না এটা ২০১৬ ঠিক আছে। আমি : ( কাহিনী কি এক দিনে আপনি থেকে তুমি তে চলে আসলো।) হুম বুঝলাম। নীলা : এখন তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ো। সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠতে হবে। আমি : মাথা খারাপ। জীবনে ১০ টার আগে ঘুম থেকে উঠলাম না, আর কোথায় ৬ টা। নীলা : কি এতবড় কথা। ৬ টায় উঠবা আর যদি না উঠো তখন দেখবা আমি কি করতে পারি। আমি : ( কবিরা ঠিক বলেছে মেয়েদের চেনা খুব দুষ্কর। কি মেয়ে আর এক দিনে কি হয়ে গেল। সব কথা মেনে নি না হলে কি না কি করে বসে বলা দায়। ) আচ্ছা নীলা : এই তো আমার লক্ষ্মী বর। এবার তাহলে ঘুমিয়ে পড়ো। ( যত সব আধিখ্যাতা মার্কা কথা বার্তা, শুয়ে পড়ি না হলে পড়ে আবার কি না কি করে বসে বলা যায় না, যে পাগল মেয়ে) নীলা অন্যদিক মুখ করে শুয়ে আছে। শুয়ে শুয়ে কথা গুলো ভাবছি, আচ্ছা আমি কোন ভুল করলাম না তো। ভালো লাগাছিল না, তাই ভাবলাম ছাদ থেকে ঘুরে আসি। ছাদে গিয়া দেখি অবাক কান্ড মা - বাব দু জনে গল্প করছে তাও আবার আমাকে নিয়া। আম্মু বলছে আচ্ছা নীলা কি ওকে মানিয়ে নিতে পারবে। আব্বু বলছে শুধু একবার দেখ তোমার বেয়ারা ছেলেকে কিভাবে শাস্তেতা করে। আর হাসছে। মন খারাপ করে দাড়িয়ে রইলাম। পিছন থেকে কে জানো কাঁধে হাত রাখলো। চমকে উঠলাম দেখি নীলা। নীলা বললো কি এখানে দাঁড়িয়ে আছো। আমি : এমনি। নীলা : তোমার কথায় যতটা ফুলঝারি, বাস্তবে ততটা বোকা। আমি বললাম শুয়ে পড়তে, আর শুয়ে পড়লে। বলতে পারতে একটু ছাদে যাই বা বারান্দায়য় বসে চাদ দেখি । দেখ মা - বাবা কত রোমান্টিক। একটু তে দেখে শিখতে পরো। তোমার মধ্যে তো রোমান্টিকের ' র" ও নেই। আমি : তুমি যে কখন কোন রূপ ধারন করো বলা মুশকিল। বহুরূপী মেয়ে এসেছো আমার জীবনে। নীলা : কি আমি : কিছু না। নীলা : চলো না বারান্দায় বসি। কফি খাবে তুমি। আমি : ( যতটা রাগী ভাবছিলাম ততোটা না, একটু রোমান্টিক ও আছে) মন্দ হয় না। চলো যাই নীলা : আচ্ছা আমি নিয়ে আসতেছি নীলা চলে গেল, আমি বারান্দায় বসে আছি আর চাদ দেখতেছি। আসলেই আজকের চাঁদটা একটু স্পেশাল। নীলা কফি নিয়া আসলো। নীলা : এই যে মিস্টার এই নিন আপনার কফি। আমি : ধন্যবাদ। কফির কি দরকার ছিল। নীলা : কারন তুমি পছন্দ করো তাই। মা আমাকো সব বলোছে। আমি : বাবা কিছু বলে নায়, যে কিভাবে আমাকে শায়েস্তা করতে হবে। (আমার কথা শুনে কেঁদে ফেললো) নীলা : আমি কি তোমাকে শায়েস্তা করার জন্য বিয়া করেছি আর এই টা তুমি বলতে পারলে। আমি তোমাকে অনেক আগে থেকেই ভালবাসতাম, কিন্তু বলতে পারি নায়। ( মেয়েটা এখনো কাঁদছে, কাছে গিয়া বললাম দূর পাগলী মেয়ে আমি তো মজা করছি, কাঁদে না লক্ষীটি। নীলা আমাকে জড়িয়ে দরে বললো তুমি আমাকে প্লিজ ভুল বুঝবে না, তুমি ঠিক আগের মতই থাকবে, শুধু আমাকে একটু ভালবাসবে) আমি: না, তোমার টক-ঝাল - মিষ্টি ভালবাসার সাথে, কড়া শাসন ও লাগবে। প্লিজ তুমি আমাকে বঞ্চিত করো না। নীলা : এই তো আমার লক্ষ্মী বর। আমি : ওরে আমার বহুরূপী বউটা নীলা : কি আমি : কিছু না। চলো চাঁদ দেখি। (আসলে এর নাম কি ভালবাসা, বুঝতে পারি নায় আমার জীবনে আসবে বাবার দাবার চালে হেরে গিয়েও জিতে গেছি আজ। আমি অপ্রত্যাশিত ভালবাসার কাছে। )


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা। পার্ট ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now