বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপরিচিতা
Session : 2
----_-----_----
পার্ট : ১
লেখক-ইমরান খান
♥♥♥♥
তিতলি : তুমি আমাকে একটুও ভালোবাসো না
আরিফ : আহা বাবা বুঝার চেষ্টা করো, আমি বললেই তো আর হয় না আর তার পরেও আমি প্রতি মাসেই তো যাচ্ছি তোমার সাথে দেখা করার জন্য
তিতলি : এতে তো আমার কষ্ট আরো বেশি হয়,
১ দিনের জন্য এসে অল্প একটু সময় দাও আমাকে আর পুরো মাস জুড়ে এটা আমাকে জ্বালিয়ে বেড়ায়
আরিফ : এজন্যইতো বলি যে, ২-৩ মাস পরে গেলে সময় কিছুদিন বেশি পাওয়া যেতো, সেটাও তো তুমি মানতে চাও না
তিতলি : হ্যা তুমি ২-৩ মাস পরে সময় বেশি করে নিয়ে এসো আর আমার চল্লিশাটা ভালো করে পালন করো
আরিফ : তুমি এতো বড় স্বার্থপর হতে পারবা ????
তিতলি : মানে ?????
আরিফ : তুমি আমাকে ছেড়ে যেতে পারবা.......
তিতলি : কুত্তা তকে কাছে পাই একবার তারপর তোর ব্ল্যাকমেইল করাটা বের করছি
( কথা হচ্ছিলো আরিফ আর তিতলির মাঝে । তারা একে অপরকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসে। আরিফ পড়ালেখার পাশাপাশি একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করে । আর তিতলি গ্রামেই থাকে, আর প্রতিদিন ফোনে আরিফের মাথা খায় কবে আসবা, কবে আসবা বলতে বলতে । আরিফও সময় করে প্রতি মাসেই বাড়িতে আসে কিন্তু এই মাসে এখনও আসতে পারে না তাই তিতলির মনে এতো উৎকন্ঠা । প্রতি মাসেই বাড়িতে আসার কারণে বেশি করে ছুটি নিতে পারে না আরিফ, যার জন্য তিতলির মন খারাপ থাকে । যদিও তিতলির মন খারাপ থাকার কারণটা অযৌক্তিক নয় কিন্তু আরিফও নিরুপায় । আর এইদিকে তিতলির HSC পরিক্ষাও খুব নিকটে কিন্তু সে আরিফের জন্য মন খারাপ করে পড়ালেখার প্রতি অমনযোগি হয়ে পড়ছে আর আরিফও যথেষ্ট চেষ্টা করছে তিতলিকে সময় দেওয়ার....
এসব ভাবতে ভাবতেই আরিফের ফোনে তিতলির ফোন )
আরিফ :হ্যা বলো
তিতলি : কি করছিলা
আরিফ বঙ্গবন্ধু বিপিএল এর খেলা দেখছিলাম ।
তুমি কি করছিলা
তিতলি : শুয়ে শুয়ে তোমার কথাই ভাবছিলাম
আরিফ : কয়টা বাজে এখন ????
তিতলি : কি????
আরিফ : কয়টা বাজে......
তিতলি : ৮:৩৭
আরিফ : তা মেডাম এখন আপনি পড়তে না বসে শুয়ে আছেন কেনো ?????
তিতলি : আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই
আরিফ : ঠিক আছে মেডাম, এতক্ষণ আপনার ইচ্ছায় শুয়ে ছিলেন আর এখন আমার ইচ্ছায় পড়তে বসেন
তিতলি : প্লিজ এখন একটু কথা বলি তারপর পড়তে বসি
আরিফ : না এখন পড়তে বসো আর পড়া শেষ হলে একটু না বেশি করে কথা বলো কেমন.....
তিতলি : আচ্ছা শুনো.......
( আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আরিফ ফোন কেটে দিলো।
সাথে সাথেই তিতলির ফোনে একটা মেসেজ আসলো" যাও পড়তে বসো "।
মেসেজটা দেখে তিতলি মনে মনে হাসতে লাগলো।
ঐদিকে আরিফের মনটাও অনেক ভালো কেননা.........
♦>>>( পরবর্তি পার্টের জন্য অপেক্ষা করুন )
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now