বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প-অপরিচিতা
(Imran khan)
>>>>>>
তিতলি: একটু জানালাটা লাগিয়ে দিবেন প্লিজ
আরিফ : কেনো আপনার কি খারাপ লাগতাছে ?
তিতলি : খারাপ না লাগলে তো আর বলতাম না
আরিফ : জানালার পাশে বসে আছি আমি, আমার খারাপ লাগছে না, আর আপনি ঐপাশে বসে আছেন তারপরেও আপনার খারাপ লাগছে ! আজব তো !!
তিতলি : জানালা দিয়ে যে বাতাসটুকু ঢুকতেছে তা শুধু আপনার শরিরে না আমার শরিরেও লাগতেছে ।
আর আমার খুব ঠান্ডাও লাগতেছে, তাই জানালাটা বন্ধ করে দিতে বললাম।।
আরিফ : দেখুন জানালা বন্ধ করলে আপনার উপকার হবে, কিন্তু জানালা বন্ধ করলে আমার কেমন অস্থির অস্থির লাগে, আর তাই ঠান্ডা লাগা সত্বেও আমি জানালা খুলে রেখেছি
তিতলি : ওহহ............
আরিফ : বাই দ্যা ওয়ে আমি জানালা বন্ধ করে দিচ্ছি ।
তিতলি : না থাক আপনার যেহেতু খারাপ লাগবে তাহলে খুলাই থাক । আপনি কেনো শুধু শুধু আমার জন্য কষ্ট করতে যাবেন ?
আরিফ : কোনো এক গুণী ব্যক্তি বলেছিলেন " অন্যের মুখে হাসি ফুটাতে নিজের খুশি উৎসর্গ করাই প্রকৃত মনুষত্য , " সেই জন্য
( এই বলে আমি জানালা বন্ধ করতে লাগলাম । আর চলুন এই ফাঁকে পরিচিত হয়ে নেই । আমি আরিফ হাসান, বাসে করে খালার বাসা থেকে নিজের বাড়ি ময়মনসিংহে যাচ্ছিলাম,
আর ওনি হচ্ছেন আমার পাশের সিটের যাত্রী । )
তিতলি : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
আরিফ : আপনাকে সামান্য স্বাগতম
তিতলি : হাহাহা...... আমি অসংখ্য দিলাম আর আপনি সামান্য দিলেন কেন ?
আরিফ : আসলে আমার কাছে সামান্যই ছিলো
তিতলি : আপনি কিন্তু অনেক মজা করে কথা বলেন
আরিফ : আমার ফ্রেন্ডরাও তাই বলে
তিতলি : হাহাহাহা...... বাই দ্যা ওয়ে আমি..............
---------------
গল্প-অপরিচিতা
পার্ট : ২
(Imran khan)
>>>>>>>
আরিফ : আসলে আমার কাছে সামান্যই ছিলো
তিতলি : হাহাহাহা........
বাই দ্যা ওয়ে আমি তিতলি, ইসরাত জাহান তিতলি
আরিফ : আমি আরিফ, আরিফ হাসান ।
( কিছুক্ষন নিরবতা, আমি কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনতেছি, এমন সময় আমার একটা কানের হেডফোন খুলে গেলো, তাকিয়ে দেখি আমার পাশের সিটের উনি হাতে নিয়ে বসে আছেন !!!! )
আরিফ : কি হলো হেডফোন খুললেন কেনো ?
তিতলি : অনেকক্ষন ধরে ডাকতেছি শুনতেছেন না তো তাই
আরিফ : আমি যখন গান শুনি তখন পুরো সাউন্ড দিয়েই গান শুনি, এটা আমার বদ অভ্যাস গুলোর মধ্যে একটা
তিতলি : তা আর কি কি বদ অভ্যাস আছে আপনার শুনি
আরিফ : যাই হোক বাদ দেন, কেনো ডাকছিলেন সেটা বলুন ?
তিতলি : আসলে এভাবে যেতে কেমন বোরিং লাগছে তাই ভাবলাম আপনার সাথে কথা বলে সময়টা কাটিয়ে দেই
আরিফ : কিন্তু আমারতো বোরিং লাগছে না, আমি আমার প্রিয় শিল্পি ইমরানের গান শুনতেছি ।
খুব ভালোই লাগতেছে আমার
তিতলি : কিন্তু আমারতো একা একা বোরিং লাগতেছে, তাই আপনার সাথে কথা বলে সময়টা পরা করতে চাইলাম
আরিফ : ও হ্যালো, আমাকে কি আপনার টাইম পাস চিজ মনে হয়
আর আপনার টাইম পাস করার ইচ্ছা হলে আপনিও আপনার প্রিয় শিল্পির গান শুনতে পারেন
তিতলি : কিন্তু আমার সাথে তো হেডফোন নেই
আরিফ : তাহলে বাসে অনেক যাত্রী আছে, তাদের কারো সাথে কথা বলে আপনার টাইম পাস করুন
তিতলি : আমার পাশে একজন জলজ্যান্ত মানুষ বসে থাকতে আমি অন্য কারো সাথে কথা বলতে যাবো কেনো
আরিফ : বিনা মুল্যে সৎযুক্তি দিলাম এটা ভালো লাগলো না তাই না
আচ্ছা বলুন কি বলবেন ?
তিতলি : এভাবে রেগে থাকলে কি কথা বলা যায় নাকি
আরিফ : আচ্ছা আমি রেগে নেই, এখন বলেন কি বলবেন ?
তিতলি : আপনি যাবেন কোথায় ?
( এমন প্রশ্নে আমিতো অবাক, তারপরেও উত্তর দিলাম )
আরিফ : যেহেতু ময়মনসিংহের বাসে ওঠেছি তার মানে ময়মনসিংহেই যাবো
তিতলি : তা না হয় বুঝলাম, ময়মনসিংহ থেকে পরে কোথায় যাবেন ?
আরিফ : আমার বাপের বাড়িতে
তিতলি : আপনি কি সবার সাথেই এভাবে কথা বলেন ?
আরিফ : এভাবে মানে ???
তিতলি : এইযে সোজাসোজি না বলে ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলেন
আরিফ : আপনি যেভাবে প্রশ্ন করেছেন আমিতো সেভাবেই উত্তর দিয়েছি ।
এখানে ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলার কি দেখলেন
তিতলি : একটা মেয়ের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটা জানেন না বুঝি ?
আরিফ : আসলে আমার কোনো মেয়ে নাইতো তাই শিখা হয়নি,
মেয়ে হলে তার কাছ থেকে শিখে নেবো
তিতলি : ওমা আপনি বিয়েও করে ফেলেছেন নাকি ???
আরিফ :............
( বন্ধুরা আপনারা নেক্সট না বললেও আমি নেক্সট পার্ট দিবো, তাই এমন কমেন্ট না করে উৎসাহমূলক কমেন্ট করবেন প্লিজ আর খারাপ লাগলে কিংবা ভুলত্রুটি হলে সেটাও কমেন্টে বলে দিবেন, আমি শুধরে নিবো)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now