বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

""অপেক্ষার শেষে""

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X »»জ্বি,হ্যালো।শুনুন ফোনটা কাটবেন না একটু শুনুন।প্লিজ »»হুম।আমাকে আর কতো বিরক্ত করবেন। »»আসলে বিরক্ত তো সারাজিবনই করতে চেয়েছিলাম।হয়ত কপালে নেই। »দরকারি কিছু বলবেন কি? »হুম বলছিলাম যে আপনি কি সিউর যে অপু সারাজিবন আপনাকে আগলে রাখবে? »What do u mean?অপুর সাথে আমার ২ বছরের রিলেশন »নাহ আসলে অনেক মানুষকে তো হাজার বছরের রিলেশনের পরও চেনা যায় না তাই।আচ্ছা তাহলে আপনি আপনার বাবাকে বলে দিচ্ছেন নাহ কেনো এই কথাটুকু? »নাহ আসলে এখন বাবার শরীর ভালো নেই শুনলে বেকায়দা কিছুও ঘটতে পারে তাই »ও আচ্ছা »আর কিছু »নাহ »তাহলে বাই। »হ্যালো হ্যালো(টুট টুট টুট) অরিন ফোনটা কেটে দেয়ার পর বাম বুকের কেমন যেনো ব্যথা অনুভব করছে শিশির। গত মাসে তাদের বিয়ে।পারিবারিকভাবেই ঠিক হয়েছে। বাবার সামনে অরিন কিছু না বললেও শিশিরকে ফোন করে বলে দিয়েছে যে সে অপুকে ভালবাসে আর তাকেই বিয়ে করবে। আজ সকাল থেকে অপুকে ফোন দিচ্ছে অরিন কিন্তু তার কোনো সাড়া নেই। সারাদিন না খেয়ে কেদেই যাচ্ছে। রাত ১২টার দিকে অপুর ফোন। »এতবার ফোন কোনো সমস্যা! «তৌমার কি কিছু মনে নাই? »কি «তোমাকে নাহ বলছিলাম কাল আমার গায়ে হলুদ।আর আমার ব্যাগ গুছানো শেষ »এতে এত ব্যস্ত হওয়ার কি আছে।কলেজে চলে এসো দেন দেখা যাবে «তোমার কাছে কি এটা খুব স্বাভাবিক? »ঘুম আসছে ঘুমাবো বাই।কাল কলেজে দেখা হবে «শোনো...(টুট টুট) গত কয়েকমাস ধরে অপুর পরিবর্তন চোখে পরার মত।আগে যেই অপু আগে দিনভর অরিনকে কল দিতেই থাকতো তাকে এখন কল দিলেও পাওয়া যায় না। নীলার সাথে তো অপু কখনো কথাই বলতো নাহ কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরেই ওর সাথেই দেখা যাচ্ছে সবসময়। আর কিছুই ভাবতে পারছে না অরিনা।চোখ লাল হয়ে আছে। আকাশ অনেক মেঘলা।সকাল ৯টা যে কখন বেজে গেছে তা টের পায়নি।চটজলদি করে সব গুছিয়ে কলেজে যাবে বলে বেরিয়ে পরে। কলেজে গিয়ে একা একাই বসে আছে অরিন।বেলা ১২টা,এখনো অপুর খবর নেই।ফোন ও ধরছে না। এদিকে মূষালধারে বৃষ্টি »হ্যালো কি ব্যাপার আপনি আবার ফোন করেছেন? »আসলে আপনার বাবা খুব অসুস্থ হয়ে পরছে।তাই বলতে... কখন? কিভাবে! »আসলে আমরা সবাই এখন হসপিটালে।বাবা আপনাকে দেখতে চাচ্ছে।আপনি কোথায় এখন? নাহ মানে আমি..(ফোনটা কেটে দেয় অরিন।সে কি ফিরে যাবে?) এসব ভাবতে থাকে। আকাশের অবস্থা খুব খারাপ। বিকেল হয়ে আসছে। হঠাত অপুর ফোন »হালো বাবু কি কর? কি করি মানে?তৌমার না কলেজে আসার কথা। »আরেকদিন আসি বাবু।আজ খুব ক্লান্ত।একটু নিলার সাথে..................... রাগে অরিন ফোনটাই ভেঙ্গে ফেলে। কলেজ গেট বন্ধ করে দিয়েছে। নির্ঝর বৃস্টির মাঝে দাড়িয়ে অরিন ভাবছে,এখন সময় শেষ। অপেক্ষার শেষ। এবার সে নিজেই চলে যাবে ওপারে। ভাবতে ভাবতে রাস্তার দিকে পা বাড়াতে থাকে। হঠাত একটা হাত তাকে টেনে ধরে। -জি এটা কি করছেন। চলুন আপনার বাবা অপেক্ষা করছে। নাহ আমাকে যেতে দিন প্লিজ। -এভাবে অবুঝপানা করবেন নাহ। অনেকটা টেনে হিচড়ে অরিনকে নিয়ে আসে শিশির। আলতো করে মুছে দেয় ওর চোখের পানি আর বলে"Past is past.i just want u nd wanna live with u" বোকার মত তাকিয়ে থাকে শিশিরের দিকে আর কাঁদতে থাকে।শিশির বলে "কাঁদবেন নাহ আমারও কান্না পায় যে। প্লিজ। অরিন শুধু বলে"বাবার সব কথা শুনবো" শিশির হালকা ভেজা চোখে মুচকি হেসে দিয়ে আকড়ে ধরে অরিনকে।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ""অপেক্ষার শেষে""

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now