বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জিয়া, মায়া এবং হাবিব তিনটি করে গ্রেনেড হাতে নিয়ে ৩-৪ ফুট দূরে দূরে দাঁড়ালো। স্বপন তার শার্টের নীচে পিস্তল ধরে দাঁড়ালো। প্রথম জিয়া গ্রেনেড ছুঁড়লো। অতিথি বহনকারী গাড়িটি লাফিয়ে উঠলো। দেখা গেলো দু’জন নামার চেষ্টা করছে। তারপর হাবিব এবং মায়া পরপর গ্রেনেড ছুঁড়লো। জিয়া আবার গ্রেনেড ছুঁড়লো। এরপর একটার পর একটা গ্রেনেড ফাটতে থাকলো।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের চারদিকে জমায়েত মানুষ এই প্রথম মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণ প্রত্যক্ষ করলো। গ্রেনেড ছুঁড়েই গেরিলা দল একটুও দেরী না করে গাড়ীতে উঠলো। সবাই গাড়িতে ওঠার পর বাদল গাড়ি ছেড়ে দিলেন। যেতে যেতে গেরিলারা দেখলো মানুষের টুপি, জুতা, লুঙ্গি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গেট থেকে শুরু করে কাকরাইল মসজিদ পর্যন্ত।
পরে সন্ধ্যায় বিবিসির খবর থেকে সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ এই অপারেশনের কথা জানতে পেরে বলেন, “দিজ অল আর ক্র্যাক পিপল! বললাম, ঢাকার বাইরে বিস্ফোরণ ঘটাতে আর ওরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এসেছে”। তিনিই প্রথম এই দলটিকে “ক্র্যাক” আখ্যা দেন; যা থেকে পরবর্তীতে এই প্লাটুনটি “ক্র্যাক প্লাটুন” নামে পরিচিত হয়।
সূত্রঃ ব্রেইভ অফ হার্ট
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now