বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপারেশন 97......
জুলহাজ ফয়সাল
নয়
ল্যাপটপ ট্রাক থাকা সত্ত্বেও আমি
সার্ভারটা হ্যাক করলাম। এতে
অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে
হয়েছে। তাই সার্ভারটা হ্যাক করতেই
রাত অনেক হয়ে গেল। এতে কোন
সমস্যা নেই সফল তো হয়েছি। যদি
হ্যাক করতে গিয়ে ধরা পরতাম
তাহলে এতক্ষণে খবর হয়ে যেত।
এবার কাজ হল "OPERATION 97" কী
এর উদ্দেশ্য কী এটা জানা।
সার্ভারটা চেক করছিলাম কিন্তু এই
ব্যাপারে কিছু না পেয়ে আশাহত হয়ে
পড়েছিলাম। হঠাৎ একটা ফাইল
সামনে আসায় ওটা ওপেন করলাম।
OPERATION 97 এর বিস্তারিত
বিবরণ দেয়া আছে এখানে আমি
পুরোটা পড়ে বোকা হয়ে গেলাম রাগে
আমার শরীর কাঁপছে। অপারেশন 97
হল, 1997 এ প্রতিষ্ঠিত একটা
ভারতীয় সংঘটন। প্রথম দিকে এটা
বেসরকারি থাকলেও প্রবর্তিতে
এটার গোপন বহু কাজে সফল হতে
দেখে সরকার পর্দার আড়ালে থেকে
বিভিন্নভাবে এটাকে মদদ করে
আসছে। আর এটা প্রতিষ্ঠিত
হওয়ার পর থেকেই বিশাল বড় একটা
প্রোজেক্টে হাত দেয় যার প্রস্তুতি
তখন থেকে শুরু করলেও 2016 এ
এসে সম্পন্ন হয়। এই
প্রোজেক্টের নাম রাখা হয়
"অপারেশন নাইন সেভেন" এর
উদ্দেশ্য হল, বাংলাদেশের যত
ধানিজমি আছে অর্থাৎ যেসব
জমিতে ফসল উৎপন্ন হয় সেসব
জমিগুলোকে নষ্ট করে দেয়া যাতে
আর কখনোই সেখানে ফসল উৎপন্ন
না হয় আর বাংলাদেশকে সর্বদিক
দিয়েই ভারতনির্ভর হতে হয়। এটা
বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তখন থেকেই
ওরা একটা পদার্থ আবিষ্কার করার
চেষ্টায় থাকে যেই পদার্থ দ্বারা ওরা
সেটা করতে পারে। অবশেষে জন
সার্কিট নামে এক বিজ্ঞানী
ওদেরকে এমন একটা গ্যাস তৈরি
করে দেয় যা যেই এলাকায় ছাড়া হবে
সেই এলাকার জমি আর ফসল
উৎপন্ন করতে পারবেনা। এটা
পারমানবিক বোমার চেয়েও ভয়ংকর।
মানুষের খুব সামান্য ক্ষতি করে যা
প্রাথমিক পর্যায় চোখে পড়েনা তবে
এক সময় বিশালাকার ধারণ করে।
এতে করে খুব কষ্টে মৃত্যুবরণ করে।
এটার এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছে
আফ্রিকার দুর্গম এক স্থানে এবং
পরিপূর্ণভাবে সফল হয়েছে।
আর এই গ্যাসটা ছাড়ার জন্য কিছু
ছোট ছোট ড্রোন বাংলাদেশের
সীমানায় প্রবেশ করাতে হবে কিন্তু
কীভাবে করাবে ধরা পরে যাবে। তাই
একটা প্লান করা। প্লানটা হল
বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে খুব
বেশি পরিমানে টাকা হ্যাক করে
ট্রান্সফার করা যাতে পুরো
বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্ব হ্যাক
কীভাবে হল এটা নিয়েই ব্যস্ত থাকে
আর ঠিক ওই রাতের ৩ টার সময়
ড্রোন গুলো সীমানায় খুব নিচু দিয়ে
প্রবেশ করানো হবে যাতে অন্ধকারে
কারো চোখে পড়বেনা তাছাড়া
বেশিরভাগ গার্ড-ই তখন ঘুমিয়ে
পড়ে। আবার নিচু দিয়ে প্রবেশ
করানোর কারনে রাডারে ও ধরা না
পরে।
বলতেই হবে প্লানটা খুবই
প্রশংসনীয়। কিন্তু আমি প্রশংসা
করতে পারছিনা বরং রাগে আমার
শরীর কাঁপছে। এখন আমার কী করা
উচিৎ বুঝতে পারছিনা আবার কারো
সাথে যোগাযোগ ও করতে পারছিনা
কারণ এমনিতেই বিশাল বড় একটা
সিস্টেম হ্যাক করে ফেলেছি যদিও
ওরা ভাবতেও পারেনি কেউ ওদদের
পরিকল্পনার কথা জানার জন্য
সার্ভার হ্যাক করবে। তাছাড়া
যোগাযোগের দিকটায় ওরা বেশি
নজর রাখবে। যাতে কারো সাথে
যোগাযোগ না করতে পারি।
তবুও কিছু একটা তো করতে হবে
এভাবে বসে বসে চোখের সামনে
দিয়ে চৌদ্দহাজার কোটি টাকা ও
বাংলাদেশের জমিগুলোকে নষ্ট হতে
দেয়া যায়না। তাই রিক্স নিয়েই একটা
পরিকল্পনা করলাম। পরিকল্পনাটা
বাস্তবায়ন করতে হলে আমার অন্য
একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
লাগবে যেটা ট্রাক করা না। আরো
একটা ব্যাপার সেটা হল এই
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে
হলে বা বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে
চৌদ্দহাজার কোতি টাকা বিসর্জন
দিতে হবে। পরিকল্পনার প্রথম ধাপ
অনুযায়ী আমি বাংলাদেশের প্রথম
দিকের ৫৬ টা ব্যাংক নির্বাচন করে
প্রাথমিক কিছু কাজকাজ সম্পন্ন
করে রাখলাম। বাকিটা হ্যাকড়া
কালকে সবার সামনে করব। সারাদিন
রাগ করে কিছুই খাইনি এখন মনে
হচ্ছে এটা আমার মামার বাড়ি নয় যে
রাগ করলে রাগ ভেঙে খাওয়াবে। তাই
সামনে রাখা খাবার গুলো খেয়ে
নিলাম। খাওয়া শেষে কেউ একজন
দরজায় নক করল। কে জানে ধরা পরে
গিয়েছি নাকি? ভয় পেয়ে গেলাম।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now