বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপারেশন 97......
জুলহাজ ফয়সাল
সাত
অহনা বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই
দুইজন লোক ভিতপ্রে প্রবেশ
করল। তাদের একজনকে দেখে আমি
আঁৎকে উঠলাম। আমি একে চিনি। এর
নাম হেমচন্দ্র সিং ভারতের খুব বড়
একজন কট্টরপন্থী নেতা। যত
ধরণের খারাপ কাজ আছে সব করে।
পৃথিবীর সেরা স্মাগলারদের একজন।
আর পাশের জন্য হয়ত তার চামচা।
দুইটা চেয়ার টেনে নিয়ে আমার খাটের
পাশে বসল দুজনে। তারপর কোন
ভূমিকা ছাড়াই বলল মারা না গেলেও
আশাকরি মৃত্যুর স্বাদ পেয়েছ। তবে
আমাদের অনেক লেট করিয়ে দিয়েছ।
তাই সরাসরি কাহের কথা বলছি,
তোমাকে আমাদের কিছু কাজ করে
দিতে হবে। কাজগুলো হল
বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো হ্যাক করে
চৌদ্দহাজার কোটি টাকা আমাদের
ট্রান্সফার করতে হবে। লোকটার
কথা শুনে আমার মূর্ছা যাওয়া
অবস্থা লোকটা বলে কি
বাংলাদেশের মত গরীবদেশ থেকে
চোদ্দহাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ
করবে। আমি কিছু বলার জন্য মুখ
খুলতেই লোকটি বলল জানি তুমি
রাজি হবেনা তাই রাজি করানোর
ব্যবস্থা করে রেখেছি বলে একটা
ল্যাপটপে কি যেন বের করে আমার
সামনে ধরল। আমি সেটা দেখে
আঁৎকে উঠলাম। পুরো শরীরে একটা
শিহরণ বয়ে গেল।
আমার কিছু বলার থাকল না আমি
সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলাম। কারণ
এইমাত্র যা দেখলাম তার কাছে
চৌদ্দহাজার না চৌদ্দশত হাজার
কোটি টাকাও কিছুনা। সাথে সাথে
ওরা কেমন ভয়ংকর সেটাও স্পষ্ট
বুঝতে পারলাম। ওরা যা খুশি করতে
পারে। কিন্তু আমার বুঝে আসছেনা
ওরা এই সামান্য কটা টাকার জন্য
এতবড় কাজ কিভাবে করল। আমি
এখনো ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে
আছি সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে
বাংলাদেশের পুরো একটি বিভাগ
ধ্বংসের কাজ পুরোপুরি প্রস্তুত।
এখন শুধু কমান্ড বাকি। একটা রেড
বাটন টিপ দেয়ার সাথে সাথেই
যেকোন মূহুর্তে ঘটে যেতে একটি
ভয়ংকর ইতিহাস। বাংলাদেশ থেকে
চিরতরে মুছে যেতে পারে চট্টগ্রাম
নামক ভূখণ্ড। যেখানে বাস করে
লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতি মূহুর্তে আয়
হয় কোটি কোটি টাকা।
আমি বললাম মাত্র চৌদ্দহাজার
কোটি টাকার জন্য এত নিষ্ঠুর হতে
পারলেন? লোকটা বলল এটা কিছুই
না। আমি তাদেরকে বললাম, যদি এই
টাকাগুলো আমি বাংলাদেশ ব্যাংক
থেকে হ্যাক না করে অন্যকোন দেশ
থেকে হ্যাক করে দেই তাহলে চলবে?
লোকটা ক্রুর হাসি দিয়ে বলল হ্যা
চলবে তবে এতেকরে শুধু তুমিই বেঁচে
যাবে চট্টগ্রাম নয়। বুঝেছ বোকা
বয়? আমার বাংলাদেশের টাকা লাগবে
অন্যদেশের নয়। লোকটার কথা শুনে
আমার খটকা লাগল। বাংলাদেশের
টাকাই কেন লাগবে নিশ্চয়ই কোন
ঝামেলা আছে। আমি লোকটাকে
বললাম, যদি টাকাটা দেই আপনি
চট্টগ্রাম ধ্বংস করবেন না এর কি
প্রমাণ আছে? লোকটা আবার ও
বলল কোন প্রমাণ নেই বিশ্বাস
ছাড়া। আমার মাথা ব্যথা আবার ও
বাড়ছে। আমি তাদেরকে বললাম আমি
বিশ্রাম নিতে চাচ্ছি। লোকটা বলল
শিওর, বলে চলে গেল।
আমি ফেঁসে গেছি কোন ভরসা নেই
বাঁচার। আমি যতদূর জানি এই
লোকটা কাউকে একবার ফাঁদে
ফেললে তাকে আর বাঁচিয়ে রাখেনা
কাজ উদ্ধার করে মেরে ফেলে যাতে
কোন প্রমাণ না থাকে। আমি আমার
মৃত্যু নিয়ে ভাবছিনা একদিন তো
মরতে হবেই। কিন্তু দেশটা যে বিপদে
পড়েছে সেটার কি হবে। এই মূহুর্তে
আমি একা কেউ নেই সাহায্য করার।
কিভাবে উদ্ধার করা যায় দেশটাকে।
লোকটার কথায় কি বিশ্বাস আছে
যদি টাকা পাওয়ার পর ও ধ্বংশ করে
দেয় চট্টগ্রামটাকে।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now