বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অপারেশন 97......১১

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X অপারেশন 97...... জুলহাজ ফয়সাল এগার আমাকে এখন আরেকটা রুমে আনা হয়েছে। রুমটা মোটামুটি বিশাল দেখতে হল রুমের মতো লাগে। হ্যাকের কাজ এখানেই করতে হবে। আমার সামনে ফিফথ জেনারেশন একটা কম্পিউটার। আমার ডান পাশে হেমচন্দ্র সিং স্বয়ং বসেছে তার সাথে আরো দুইজন আছে। এদের ছাড়াও আরো চারজন আমার মতো তাদের সামনেও চারটা কম্পিউটার। ওরাও হ্যাকার, আমার ওপর হয়তো নজর রাখবে। আমি প্লান অনুযায়ী হ্যাক করব। তাই প্রথমেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাইটে প্রবেশ করলাম। নিজের কাছে অসম্ভব খারাপ লাগছে। এতদিন যা শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে এসেছি আজ আমি নিজেই তা শত্রুকে দিয়ে দিব। নিজেকে খুব অসহায় লাগছে। তারপর ও হ্যাক করা শুরু করলাম। কারণ ওদের ভয়ংকর প্লান "অপারেশন নাইন সেভেন" থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে এই মূহুর্তে এটা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আমি শুরুতেই IP চেঞ্জ করে নিলাম। তারপর সাইটটির ডোএন খুঁজে বের করলাম কারণ হ্যাক করার প্রাথমিক কাজই এটি। এখন সাইটটির সার্ভারের IP এড্রেসট বের করার পর নেক্সট টার্গেট হবে আইপির সার্ভারে প্রবেশ করা। কিন্তু এটা সহজ নয়। আমার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ালো ফায়ারওয়াল, নিক ও পাসওয়ার্ড। আত এটাই হ্যাকের সবচেয়ে কঠিন ধাপ। তবে আমি ইচ্ছে করলে সহজেই এটা পার হয়ে যেতে পারি যেহেতু এই সাইটের সবকিছুই আমার জানা কোথায় কী আছে। তারপর ও আমি বেশ সময় লাগালাম এর পিছে তারপর ফায়াওয়াল পার হয়ে নিকে আসলাম। নিক ও দ্রুত পার হলাম। এখন পাসওয়ার্ডে আসলাম এখানে অনেকগুলো ফাঁদ আছে। যেকোনো মূহুর্তে ট্রাক হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ফাঁদ গুলো পার হয়ে পাসওয়ার্ড দিলাম। হ্যাকাররা মূলত পাসওয়ার্ড ছাড়া সার্ভারে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। আমিও চাইলে পাসওয়ার্ড ছাড়াই প্রবেশ করতে পারতাম তবুও পাসওয়ার্ড দিয়েই প্রবেশ করলাম একটা কারণে। আর পাসওয়ার্ডটাও ছোট কোন পাসওয়ার্ড না অনেক বড় একটা পাসওয়ার্ড দিয়েছি। সার্ভার হ্যাকড! আমি পাশের চারজন হ্যাকারের দিকে তাকালাম। ওদের মুখে হাসি। একজন চিৎকার দিয়ে বলল, "হো গায়া"। সাথে সাথে হেমচন্দ্র সিং খুশিতে যেন লাফিয়ে উঠল। আমাকে বলল, বহুত বড়িয়া, তোমাকে এখন কিছু করা লাগবেনা বাকিটা আমার লোকেরাই করবে। তারপর আমি চেয়ে চেয়ে দেখলাম আমার চোখের সামনে ওরা টাকাগুলো ট্রান্সফার করল। ওরা কোথায় টাকাগুলো ট্রান্সফার করছে এটা ভালো করে দেখে রাখলাম। এটা থেকে টাকা সরানো হলে আরেকটা করতে বলল। সেখান থেকেও সরানোর পর আরেকটা তারপর আরেকটা এভাবে বেশকিছু ব্যাংক হ্যাক করার পর ওদের তৃপ্তি মিটল। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সারাদেশে খবর হয়ে গেল। আমি যা ভেবেছিলাম। আমাকে এখনি ছাড়া হবেনা। ওদের লিডার হেমচন্দ্র সিং আমাকে বলল, তোমাকে আরো দুইদিন এখানে থাকতে হবে। বাংলাদেশে আমাদের আরো কিছু কাজ বাকি রয়ে গেছে। সেগুলো শেষে আমরা কালই চলে যাব আর তোমাকে তারপর দিন ছেড়ে দেয়া হবে বলে একটা ক্রুর হাসি দিয়ে চলে গেল। আমাকে ছেড়ে দেয়ার অর্থ তো আমি বুঝেছি। আমার আর দুইদিন হায়াত আছে। কিন্তু দেশের যে অবস্থা করবে সেটার কী হবে। আমি মারা গেলে তো কারো কিছু হবেনা কিন্তু দেশের কিছু হলে দেশের মানুষের কী হবে। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপারেশন 97......১১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now