বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপারেশন 97......
জুলহাজ ফয়সাল
দশ
দরজায় অহনাকে দেখে ভালো
লাগল। ওর কাছ থেকে কিছুটা হলেও
সাহায্য পেতে পারি। আমার ধারণা
ওকে দিয়ে জোর করে ওরা ওদের
কাজ করাচ্ছে। ও ভিতরে এসে
জিজ্ঞাসা করল, আপনি কেমন
আছেন? আমি উত্তর না দিয়ে
বললাম আমি তোমার সাথে কিছু কথা
বলতে চাই। আমার কথাটা শুনে ওর
চেহারা কালো হয়ে গেল। ও বলল কি
কথা? আমি বললাম তুমি কী আমাকে
চিন? ও বলল না। আচ্ছা তুমি ওদের
সাথে কীভাবে মিললে? ও উত্তরে যা
বলল তাহলো, ও আগে ওদের
কাউকে চিনত না। ওর বাবার কিডনি
দুটোই নষ্ট। ওদের অবস্থা অতটা
ভালো নয় যে চিকিৎসা করাবে। আর
এটা ওরা কীভাবে যেন জানতে পারে।
তারপর ওকে বলে যে ওরা ওর বাবার
চিকিৎসা করাবে তবে শর্ত হল ওকে
ওদের কিছু কাজ করে দিতে হবে। ও
কিছু না ভেবেই রাজি হয়ে যায় যদিও
তখন ওর কিছুটা সন্দেহ হচ্ছিল
ভালো কোন কাজ হবেনা। কিন্তু
বাবার মৃত্যুর চেয়েতো বড় হবেনা।
আমি ওকে বললাম, তুমি কী জানো
আমাকে কেন ধরে আনা হয়েছে? ও
বলল না। তবে কোন খারাপ কিছু
করাবে হয়তো তোমাকে দিয়ে যেটা
শুধু তুমিই করতে পারবে। আমি
বললাম হ্যা, তুমি কি আমাকে হেল্প
করতে পারবে এখান থেকে বের হতে?
ও মাথা নিচু করে বলল, ওরা আমার
বাবাকে অপারেশন করালেও তাকে
আটকে রেখেছে। তুমি যেন এখান
থেকে বের হতে না পারো সেই
দায়িত্ব আমাকে দিয়েছে যদি
কোনভাবে তুমি পালিয়ে যাও তাহলে
ওরা আমার বাবাকে মেরে ফেলবে
বলেছে। আমি বললাম, ওহ আচ্ছা
তাহলে বের করা লাগবেনা। তুমি
আমাকে একটা ল্যাপটপের ব্যবস্থা
করে দাও এইটুকু সাহায্য তো করতে
পারবে? ও অবাক হয়ে আমার সামনে
রাখা ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে বলল
ল্যাপটপ তো আছেই। তখন আমি
ওকে সব খুলে বললাম আমাকে কেন
এনেছে কি করাবে আর আমি কেন এই
ল্যাপটপটা ব্যবহার করতে পারবনা
সবকিছুই বললাম। শুধু মাত্র
OPERATION 97 এর কথাটা বাদে
কারণ আমি চাইনা আমি এটা জেনে
গেছি সেটা কেউ জানুক।
মেয়েটা এই কথাগুলো শুনে বেশ
কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল আমি
প্রথমেই ভেবেছিলাম ওরা কোন
খারাপ কাজ করবে কিন্তু সেটা যে
এত খারাপ হবে আমি কখনোই
ভাবিনি। আমি আগে জানলে কখনোই
রাজি হতাম না। আমি বললাম রাজি
তো হয়েই গেছ এখন কীভাবে বাঁচা
যায় আর ওদেরকে ধরা যায় সেটা
ভাবো। আগে আমার জন্য একটা
ল্যাপটপের ব্যবস্থা কর। তারপর
একটা প্লান বললাম ওকে কিভাবে
কাজগুলো করতে হবে আর
ল্যাপটপটা কখন আনতে হবে।
আমি ওর সাথে এখন একটু বেশি
মিশলাম যাতে ও আমার প্রতি দুর্বল
হয় আর আমি ওর দুর্বলতা থেকে
ফায়দা উঠাতে পারি। যাইহোক ও
চলে গেলে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম কাল
অনেক কাজ করতে হবে।
(চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now