বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনুভূতি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X এই ছেলে অাপনার সমস্যা কি?(মেয়েটা) >অামাকে বলছেন? (অামি) -জ্বি না,অামার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা হনুমানের মূর্তিটাকে বলছি! >ও অাপনার চোখে মনে হয় সমস্যা অাছে।অাপনার সামনে অামি দাঁড়িয়ে অাছি, একটা মানুষ। চোখের ডাক্তার দেখান। -উফ (বিরক্তির ভাব) হ্যাঁ অামি অাপনাকেই বলছি, অাপনার সমস্যা কি? >কই অামার তো কোন সমস্যা নেই। বাই দ্যা ওয়ে অাপনি কি পাগলাগারদ থেকে এসেছেন? -হ্যাঁ এসেছি, ভাইয়া বলেন অাপনার সমস্যা কি? > অামি অাপনার কোন জনমের ভাই? অামার কোন সমস্যা নেই বুঝলেন। -সমস্যা নেই,তাহলে অামাকে ফলো করেন কেন? >কোথায় ফলো করলাম? -কোথায় মানে, গাড়ি দিয়ে যাওয়ার সময় সবসময় অাপনি অামার দিকে চেয়ে থাকেন কেনো? >অামি অাপনার দিকে চেয়ে থাকি কে বললো? -অামি বলেছি। >তার মানে অাপনিও অামাকে দেখেন,অাচ্ছা কেনো দেখেন? -উফ, অাপনি অামার বাসার সামনে কেনো যান, অার যেনো না দেখি। >দেখলে কি করবেন বাসায় নিয়ে চা খাওয়াবেন। -না টেঙ ভেঙে দিবো। অাপনাকে যেনো বাসার সামনে না দেখি। >লাব নেই,অামি হুইল চেয়ারে করে ঐ খানে যাবো। অাপনার বাসার সামনের দোকানের চা অামার খুব প্রিয়। -অাপনি এখান থেকে যাবেন, অাপনার জন্য অামার সমস্যাটা হচ্ছে। স্যার যদি দেখে তাহলে কি হবে জানেন। >অামি কেনো যাবো। অাপনি ক্লাস করছেন ক্লাস করেন। অামি অাপনাকে ড্রিস্টার্ব করছিনা তো। -হ্যাঁ করছেন না,এখানে দাঁড়িয়ে তো কি করছেন। অামার দিকে তাকিয়ে থাকেন কেনো। > অাপনাকে দেখছিনা, অাপনার পাশের মেয়েটাকে দেখছি। (মিথ্যে) -ও, তাহলে তার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দেন।তাকে গিয়ে বলেন অাপনার মনের কথা। (রেগে) >সেতো বুঝেনা। অাপনি রাজি থাকলে বিয়ের প্রস্তাব অাপনার বাড়ি দিতে পারি। -অাপনি যাবেন, স্যার দেখলে সমস্যা হবে। >হউক অামার কি, অামি যাবোনা। -অাপনার কিছুই না? >না কিছুনা,তবে একটা শর্তে যেতে পারি। -কি শর্ত? >অাগামিকাল সকালে কলেজে অাসার অাগে, ঐ বটতলিতে দেখা করতে হবে। -পারবো না,অামি গেলাম >থাহলে অামি এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে। -থাকেন অামার কি, অামি দেখা করবো না। >করতে হবে,অামি অপেক্ষা করবো। -গেলাম >অামি অপেক্ষায় থাকবো। . চলেগেল ইপ্তি ক্লাসে। মেয়েটার নাম ইপ্তি, অর্নাস থার্ড ইয়ারে পড়ে। অামি রাহাদ মাস্টার্স শেষ করে একটা বেসকারি জব করছি। ইপ্তি দেখতে কতটা সুন্দর তা বর্ণনা দিতে পারবোনা। তবে অামার চোখে সে অনেক সুন্দর। কোন একদিন তাকে অামার এক কাজিনের বিয়েতে দেখেছিলাম। সেদিন থেকে নিজেই একা ভালবেসে ফেলেছি। তাই অামার এক বন্ধুর মাধ্যমে তার সব কিছুই জেনে নেই।প্রেম করেনা। কেউ প্রপোজ করলেও রাজি হয় না।অামি প্রপোজ করলে রাজি হবে কিনা তাও সনসয়। তবে অামি তাকে সবসময় ফলো করে চলি। সে যখন গাড়ি দিয়ে যাই,তখন তার দিকে তাকিয়ে থাকি। অনেক সময় পিছু নেই।তার বাড়ির সামনে না গেলে ভালো লাগেনা। তার একটা অভ্যাস প্রত্যেকদিন বিকেলে ছাদে উঠে, চুল গুলো ছাড়া থাকে। তখন তাকে দেখতে বেশ সুন্দর দেখায়। তাই এই বিকালে তাকে দেখা মিস করিনা। মানুষ সন্দেহ যেনো না করে, তাই অামার অাড্ডা স্থল তাদের বাসা থেকে একটু দূরে টঙ দোকানটা।প্রতিদিন একটা করে চা, বেশ চলে যাই। . পরেরদিন সকালে অামি সেই বটতলিতে।ইপ্তির কলেজ থেকে বেশ কাছেই।শীতের সকাল খুব শীত করছে।কোয়াশাতে ডাকা চারপাশ। গায়ে একটা শার্ট, অার তা উপরে একটা পাতলা সুয়েটার। অাজকে শীতটা যেনো একটু বেশি। হঠাৎ একজন গলার শব্দ। -কি বলবেন তাড়াতাড়ি বলেন (ইপ্তি) >অাপনি কে? (অামি) -অামি পেত্নি অাপনার ঘাড় মটকিয়ে ক্লাসে যাবো। কি বলবেন বলেন। >অামার পরীটা তাহলে সত্যিই এসেছে? -অাপনার পরীকে হু >ইপ্তি নামের মেয়েটা -অাপনি অামার নাম জানেন? >যাকে ভালবাসি, তার সব কিছুই জানতে হয়। -হইছে টঙ মাইরেন না।কি বলবেন বলেন। কোন চিঠি থাকলে দেন ইসরাতকে দিয়ে দিবো। >ইসরাত কে, কেনোই বা তাকে চিঠি দিবো। -অামার বান্ধবি, যাকে দেখতে গতকাল ভার্সিটিতে গিয়েছিলেন। >চিঠি দিবো সেটা অাপনাকে, বলবো কিছু সেটা অাপনাকে -হইছে অার অামাকে পটাতে হবেনা, ইসরাতকেই পটান। >অামি অাপনাকে ভালবাসি। -কিছু বলছেন? >অামি ইসরাতকে ভালবাসি।(এই কথা বলতেই একটা থাপ্পড় মারলো) . >চড় মারলেন কেনো? -যে কথাটা বলছেন, এইটা অাবার বলেন অাবার মারবো। >অামি ইসরাতকে ভালবাসি। (এটাতে বলাতে অাবার মারলো) -অারেকবার বলেন দেখেন কি করি >অামি ইপ্তিকে ভালবাসি। (এবার অাবার মারলো) -বাই >তিনটা চড় দিলেন, দুইটা না হয় বুঝলাম ইসরাতকে ভালবাসি বলেছি বলে দিছেন। কিন্তু তৃতীয়টা কেনো দিছেন। -তোর মাথার জন্য দিছি (রেগে গিয়ে) শয়তান বান্দর অামাকে রাগালি কেনো। গতকালকে কি করে বলে সে ইসরাতকে দেখে, তখন মনটা চাইছিলো চোখ দুইটা তুলে ফেলি। অাজ অাবার বলতেছে ইসরাকে ভালবাসে।(চোখে পানি টলমল করছে) >তার মানে সামথিং সামথিং -কিছুই না। অাপনাকে ভালবাসিনা। >ভালবাসো -ভালবাসিনা >ভালবাসো -ভালবাসিনা,অামাকে প্রপোজ করা হয়নি >ও বালিকা শুনে রাখ তোমার প্রেমে বিভোর অামি। তোমাকে হারানোর জন্য পেতে চাই না,তাই প্রপোজ করবোনা। তোমাকে সারাজনমের জন্য পেতে চাই অামার ভালবাসা দিয়ে। -হইছে বুঝছি মিঃ রাহাদ। >তুমি অামার নাম জানো? -যাকে ভালবাসি শুধু তার নাম কেনো, সবকিছুই জানতে হয় >অামার ডায়লগ অামাকেই -হু, চলো যাওয়া যাক >হুম চলো। -দূরে কেনো অামার সাথে একসাথে চাদরের নিচে অাসো, শীতে তো কাপছো। >তার কথাই অামিও তার কাছে চাদরের একপাশ গায়ে দিলাম। ভালবাসার এক অন্য রকম অনুভূতি সৃষ্টি হল


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রথম অনুভূতি
→ চুক্তি নিয়ে তালেবান আমীরের আহবান ও অনুভূতি
→ ক্লান্তহীন অনুভূতি
→ ভালোবাসার অনুভূতি
→ নীরব অনুভূতি
→ অনুভূতির শেষটুকু,,
→ অন্য অনুভূতি
→ "অনুভূতি"
→ নিরব অনুভূতি (part-1)
→ ভালোবাসার মিষ্টি অনুভূতি
→ কিছু অনুভূতি
→ অনুভূতি
→ নিঃশব্দ অনুভূতি
→ *ভালোলাগার অনুভূতি*
→ অনুভূতির কারিগর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now