বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চীনের কিশোরটি তার চাইতে দশ বছর বয়সী এক বিধবা
মহিলার প্রেমে পড়ে।
.
তাদের ভালোবাসাটা ছিল বেশ
গভীর! কিন্তু চীন দেশে তখন বয়সের এই অসমতা
কোনভাবেই মেনে নিত না।তারা দুজন দুজনকে গভীরভাবে
নিজের করে চায়!
.
কোন এক প্রভাতে সব কিছু ছেড়ে দুজন পাড়ি জমালো
দূরে একটা পাহাড়ের চূড়ায়।এতটাই চূড়া যেখানে মানুষজন ভয়ে উঠেনা।দুজন প্রথম দিকে বেশ কষ্টেই দিনগুলো কাটাচ্ছিল।
.
এমনও হয়েছিল ঘাস,লতাপাতা খেতে হয়েছিল তাদের।কোন
একদিন প্রিয় মানুষটার কষ্ট দেখে
কিশোরটি প্রশ্ন করে
'এখানে কিছুই নেই।না আছে খাবারের ব্যবস্থাটুকুও।তোমার
খুব কষ্ট হচ্ছে তাইনা?'
প্রিয় মানুষটি হাসে আর কাঁধে মাথা রেখে বলে 'তুমি যতক্ষন
পাশে আছো আমার সবকিছুই আছে'!
.
টোনাটুনির সংসার চলতে লাগলো।
লোকালয়ে যেত স্বামী।খাবারের ব্যবস্থা করতো কাজ করে। কিন্তু নির্দিষ্ট একটা সময় স্বামী কোথায় যেত ঠিক কি করতো স্ত্রী
বুঝতে পারতো না।কোনদিন প্রশ্নও
করেনি যদি রাগ করে।
.
পঞ্চাশ বছর পর।
একদিন বৃদ্ধ স্বামী তার স্ত্রীকে
বলছে "চলো এবার
আমরা লোকালয়ে ফেরৎ যাই। এখন আর সমস্যা হবেনা"!
স্ত্রী বলেন "কিন্তু আমিতো পঞ্চাশটা
বছরে কোনদিন নিচে নামিনি। এতটাই উপরে চূড়াটা
যে নিচের দিকে তাকালেই
ভয় করে।কি করে নামবো আমি?"
.
বৃদ্ধ স্ত্রীর হাতটা ধরে পাহাড়ের
একপাশে নিয়ে গেল।
স্ত্রী দেখল উপর থেকে নিচ পর্যন্ত
বিশাল সিড়ির ভাজ কাটা।
যেখানে প্রায় ছয় হাজার সিড়ি হবে।
স্ত্রী স্বামীর দিকে তাকায়।
.
স্বামী বলেন ''সারাজীবন ভালোবাসা ছাড়া তোমাকে কিছুই
দিতে পারিনি।আমার জন্যইতো তুমি সব কিছু ছেড়ে এসেছো। তাই ভাবলাম বৃদ্ধ বয়সটাতে
আমরা লোকালয়ে ফেরত যাবো সবার কাছে।কিন্তু তুমিতো
পারবে না এই পাহাড় থেকে নিচে নামতে।তাই সিড়ি বেয়ে যাতে নিচে নামতে পারো পঞ্চাশটা বছর প্রতিদিন আস্তে আস্তে এই সিড়িগুলো কেটেছি"!
স্ত্রী কিছু বলেনি স্বামীর দিকে
তাকিয়ে রইল ভালোবাসার
দৃষ্টিতে!
.
গল্পটা কেবল গল্পই নয়,চীনের একটা প্রাচীন সত্য ঘটনা।
ভালোবাসাগুলো সবসময়ই
সারপ্রাইজিংয়ের মধ্যে সুন্দর
থাকে।প্রিপারেশান নিয়ে ভালোবাসা যায়না।
.
এখন সারপ্রাইজিং ভালোবাসাগুলো
নেই।নিয়মিত শপিং,ফুর্তি,দাম
ফ্রি ফোন কিংবা অভিজাত হোটেলে ডিনার এসব পেলেই
পেয়ে যায় ভালোবাসা।কিছু থাকেনা অবশিষ্ট যা
দেখাবে,দেখবে,সন্তুষ্ট হবে
ভালোবাসার মানুষটি!
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now