বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইমন: এ মানুষগুলো এ এলাকায় নতুন এসেছে। এখানে আসার পর বিভিন্ন ধরনের অগঠন ঘটে চলেছে।বিভিন্ন মানুষের সম্পদ লোঠ করে নিয়েছে।তাদেরকে গ্রামের মানুষ আসাদ লোঠখোর বলে।
তোদের সাথে সম্পর্ক কেমন?ফুয়াদ বলল।আমাদের সাথে আজ পর্যন্ত তেমন কিছু একটা হয়নি। হঠাৎ রিপন চিৎকার করে,
ভাইয়া দাদী কেমন যেন করছে।চল দেখিত,ফুয়াদ বলল।
গিয়ে দেখল ,মন খারাপ করে
নিজে নিজে কি যেন বলছে।
দাদীমা কি হয়েছে তোমার?ইমন
বলল।সাথে সাথে ফুয়াদও
বলল,কি হয়েছে বলেন।
তারপর দাদীমা আলমালী থেকে
একটা সাদা কাগজ এবং
আরেকটা রঙিন কালারের কাগজ
দিল।দেখল একটা সাদা রঙের
দলিল এবং আরেকটা রঙিন
কালারের চিঠি।চিঠিতে বড় বড়
করে লেখা,আমার পরিচয় জানার
দরকার নেই,এই দলিলটার মধ্যে
একটা সুই করে দিয়ে আপনাদের
পুরান ভিটেটা আমার নামে
লিখে দিতে হবে।
এবার ফুয়াদ বলল, আজবতো কোন পরিচয় দিল না
আবার বলে আমার নামে লিখে
দাও।হুয়াট এ ফানি, কিন্তু ইমন
সেটাকে ফানি হিসাবে নেয়নি।সে
ভাবল,নিশ্চয় আবার কোন চিঠি
আসতে পারে।কিছুদিন যেতে না
যেতেই আবার একটা চিঠি এসে
হাজির।চিঠিটা পেল রিপন, সে
তার দাদীমার চৌকিতে পেয়েছে।
সে দাদীমাকে সেটা দেখায়নি
কারণ দাদীমার আবার আসুস্থ
হয়ে যেতে পারে সে জন্য।সে চিঠিটা নিয়ে ফুয়াদকে এবং তার বড় ভাই ইমনকে এনে দেখাল,এবার চিঠিতে নাম উল্লেখ করল,মানুষটির নাম রায়হান চৌধুরী, সাথে লেখা পুলিশ জানিয়ে কোন প্রকার চালাকী করার চেষ্টা করলে পরিনাম ভাল হবে না। ফুয়াদ এবং ইমন এবার চিন্তায় আছে কিনা।
ইমন: কই আমি যত টুকু জানি তাদের এ নামে কেউ নেই।
রিপন: আমিও কোন দিন শুনিনি।
ক্যাসটা অনেক জটিল,ইমন বলল।এবার চল দাদী থেকে এবার এ নামের কেউ আছে কিনা জিঙ্গাসা করে আসি।রাতে খাওয়ার সময় ইমন দাদীকে বলল,দাদী তোমাদের কি রায়হান চৌধুরী নামে কেউ আত্তীয় ছিল।
দাদী: হ্যা ছিলত, কিন্তু কেন?
ফুয়াদ: কি রকম আত্তীয়,আগ্রহর সাথে।
দাদী: তেমন খুব একটা গভীর না,তার সাথে তোদের দাদার একবার জমির ব্যাপারে ঝামেলা হয়েছিল।আমি যতটুক জানী তিনি হেমায়েতপুর কলেজের সামনে রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে।
এটুকু জানার পর কেউ আর কোন প্রশ্ন করল না।রাতে ঘুমানোর সময় তিন জন ভাবতে লাগল।
তোমাদের কাকে সন্দেহ হয়?রিপন বলল।
ফুয়াদ: আমার কাছে মনে হয় রায়হান সাহেবের কোন আত্তীয়।
ইমন: হতেও পারে
চল এই মানুষটার ব্যাপারে খুজ নিয়ে দেখী,ফুয়াদ বলল।এরপরদিন বের হল তিন গোয়েন্দা, রায়হান সাহেব যেখানে থাকত তারা সেখানে গেল।কিন্তু এখন সেখানে আর থাকে না,বিষয়টা জানতে পারল তাদের প্রতিবেশী থেকে।এক্সিডেন্টের পর তার পরিবার নাকি আরেকটি গ্রামে চলে গেল।এবার ফুয়াদ বলল,চল তাদের ঘরটা একটু ঘুরে দেখী।
ঘরে ঢুকতেই তাদের চোখে পড়ল একটা আলমারি,ফুয়াদ গিয়ে সেটা খুলল।দেখল কত গুলো কাগজ, ফুয়াদ কাগজ গুলো খুলে হঠাৎ ইমনকে চিৎকার দিল,ইমন তাড়াতাড়ী এদিকে আয়।
ইমন দৌড়িয়ে আসল,কিরে
ফুয়াদ: দেখ ২০০৮সালের চাকরীর ইন্টারভিউর আবেদন প্রত্র,সাথে দুই কপি ছবিও।
ইমনত অবাক!
ফুয়াদ: দাদী বলেছিল,রায়হান সাহেব ২০০৬ সালে রোড এক্সিডেন্টে মারা যায় আর এটা হল রায়হান সাহেবের চাকরীর আবেদন।
এখন তাদের কাছে সব কিছু পরিষ্কার, রায়হান সাহেব মারা যায় নি, তার দাদীকে এই সব চক্রান্তের জন্য ভুল শুনানো হয়েছে।এবার তারা দাদীকে গিয়ে সব খুলে বলল।এবং পুলিশের কাছে খবর দিয়ে সব কিছু জানাল।কিছুদিন পর শুনা গেল রায়হান সাহেবকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।
আর এদিকে ফুয়াদ,ইমন,রিপন,
তাদের গোয়েন্দাগিরি সফল হল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now