বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

one O one শেষ পর্ব (3)

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মুহাঃ এ.এস শেখ (০ পয়েন্ট)

X one O one শেষ পর্ব (3) ------------------- সেরাতে একটুর জন্যে প্রায় ধরা পড়ে গিয়েছিলাম। কপাল ভালো যে কনস্ট্রাকশন সাইট থেকে বেরুনোর ঠিক আগ মুহুর্তে আসল গার্ডের মৃতদেহটা খুঁজে পাই। আমি নিশ্চিত বহুরূপীটা ওকে আমার বেশ ধরে হত্যা করেছে। ওর মৃতদেহ ভাল করে পরীক্ষা করলে প্রাপ্ত উপাত্ত সব আমাকেই দোষী সাব্যস্ত করতো। কিন্তু আমি আর সেটা হতে দেই নি। ওর দেহটাকেও সিমেন্ট মিক্সারে ভরে দিয়েছি। আর ওর মৃতদেহের পাশেই ভস্টারের কাপড় চোপড় পড়ে ছিলো। ওগুলি পড়ে সদর্পে আগুয়ান পুলিশ পেট্রলের নাকের ডগা দিয়ে বুক ফুলিয়ে বেরিয়ে হেঁটে এসেছি। গাঁধাগুলি তখনো লাল স্কার্ট পড়া খাঁটো চুলের বিধ্বংসী মেয়েটাকে খুঁজে ফিরছিলো। আমাকে ছেলে ভেবে ওরা পাত্তাই দেয় নি। ঘটনার দশ বছর পর, ঠিক এই দিনে রোন্ডা রোজ নামে এক নবাগত ডাক্তার লা তাস্তিয়েরো মানসিক হাসপাতালে জয়েন করে। চাকুরীর প্রথম দিনেই ও স্টোর রুমে কর্মরত দপ্তরীর কাছে থেকে দুজন রোগির ফাইল চেয়ে পাঠায়। পেশেন্ট নাম্বার ৩৩৪৭৭; লিয়েরো বরিস এবং পেশেন্ট নাম্বার ১১৪৩৮৮; লুই সিভাস্তো। ফাইলদুটো তার কক্ষে আসা মাত্র ও প্রথম ফাইলটা ছিঁড়ে কুটিকুটি করলো। তারপর দ্বিতীয় ফাইলটা হাতে নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়তে শুরু করে। পেশেন্ট নাম্বার ১১৪৩৮৮, ডাঃ লুই সিভাস্তো। মাথা বিগড়ে যাওয়ার আগে সে এই ফ্যাসিলিটিরই ডাক্তার ছিলো। এক সন্ধ্যায় প্রেম প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যাত হয়ে সে সিনিয়র নার্স তাশাকে খুন করে। কিন্তু কখনোই সে নিজেকে তার প্রিয়তমার হত্যাকারী হিসেবে মেনে নিতে পারে নি। ফলে সে তার কৃতকর্মের দায়ভার তার এক কাল্পনিক জমজ ভাইয়ের ঘাঁড়ে চাঁপাতে শুরু করে। আর এভাবেই সে মিসাইনোজেনোসিসে আক্রান্ত হয়। সেদিন সন্ধ্যায় নবাগত ডাক্তার তার নিজ বাসভবনে এই পেশেন্টের সাথে এক স্পেশাল ব্যাক্তিগত সেশনের আয়োজন করেন। দুজন নার্স রেস্ট্রিকশন জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় সিভাস্তোকে রোন্ডার ড্রয়িংরুমে বসিয়ে রেখে যান। পাগলটা তখনো আপন মনে বিড়বিড় করছিলো, “আমি ওকে মারি নি। ওকে মেরেছে আমার জমজ ভাই লিভাস্তো।“ এবার রোন্ডা উঠে এসে ডাক্তারের কানে কানে বললো, “আমি জানি ডাক্তার আপনি তাশাকে মারেন নি।“ জবাবে পাগলটা শুধু দাঁত বের করে খ্যাঁকখ্যাঁক করে হাসলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ one O one শেষ পর্ব (3)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now