বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
one O one
শেষ পর্ব (2)
-------------------
দশ থেকে আঠারো বছরের জেল! কিন্তু আমি
পুরো
ব্যাপারটাই ভুলে যেতে রাজি আছি যদি তুমি এই
মুহুর্তে বিনা লড়াইয়ে আমার কাছে আত্মসমর্পন
করো। সেক্ষেত্রে তোমার নামে শুধু
অনধিকার
প্রবেশের মামলা দায়ের হবে, janitor assault
case নয়। প্রত্যুত্তরে আমি পাল্টা হাঁক ছুড়লাম,
আপনি আদালতে কিছুই প্রমাণ করতে পারবেন না।
কারণ আপনি জানেন না আমি আপনাকে কোন
অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছি। এটাই ছিলো আমার
টোপ। যে বাউন্ডারীর ভেতরে এক ভয়ঙ্কর
বহুরূপী
ঘুরে বেড়াচ্ছে সেখানে আমি আমার নিজের
বাপকেও
বিশ্বাস করতে রাজি না, আর এটা তো মামুলি
সিকিউরিটি গার্ড। “তুমি কি আমাকে এতই বোকা
ভেবেছো খুকি? একটা সুযোগ দিতে চাইলাম
কিন্তু
তুমি তা নিলে না। এখন আমাকে বাধ্য হয়েই আমার
সঙ্গি সাথীদের ডাকতে হচ্ছে।“ গার্ডটা কলারে
লাগানো মিনি রেডিওটা চালু করে ওর
কন্ট্রোলরুমে
কল দিলো, “হ্যালো কন্ট্রোলরূম, আপনি
আমাকে
শুনতে পাচ্ছেন?” “কন্ট্রোলরূম থেকে আমি
অফিসার ম্যাকগনিক্যাল আপনাকে স্পষ্ট এবং
উচ্চস্বরে শুনতে পাচ্ছি।“ গার্ডঃ “একটু আগে
আমার উপর প্রাণঘাতি হামলার চেষ্টা চালানো
হয়েছিলো। সাসপেক্ট একটা কমবয়সী
মেয়ে ছোট করে
ছাঁটা চুল, লাল কলেট স্কার্ট পরিহিতা, এবং সে খুবই
ডেঞ্জারাস। আমি আবারো বলছি সাসপেক্ট খুবই
মারমুখো এবং ডেঞ্চারাস। আমার এক্ষুনি ব্যাকআপ
লাগবে। ম্যাকগনিক্যালঃ “অফিসার আপনার কোড
নাম্বারটা জানি কত?।“ গার্ডটা কোন উত্তর না
দিয়েই রেডিও কানেকশন কেটে দিলো। এই
মাত্র
আমার সংক্ষিপ্ত স্বাধীন জীবনের সমাপ্তি
ঘটেছে।
সর্বউচ্চ দশ মিনিটের ভেতরেই আরো গার্ড
এবং
পুলিশ এসে এই জায়গাটা ঘিরে ফেলবে। তারপর
সবাই
মিলে আমাকে বউ সাজিয়ে শশুরবাড়ি নিয়ে যাবে।
বাঁচতে হলে আমাকে যা করার এক্ষুনি করতে
হবে।
আমিঃ “অফিসার! আপনি মিথ্যা কথা বললেন কেন?
আপনি কি সত্যিই আমাকে আপনার মাথার পেছনে
বাড়ি মারতে দেখেছিলেন? তা কি করে সম্ভব?
আমি
তো আপনার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। তো কি
করে
আমি আপনার চোখের সামনে দাঁড়িয়ে মাথার
পেছনে
বাড়িয়ে মারতে পারি আপনিই বলুন?“ গার্ডঃ “
ভালো করে পুলিশের প্যাঁদানি খেলে সেটা
তুমিই নিজেই
ভালো করে গুছিয়ে বলতে পারবে। কাহিনী
হচ্ছে তুমি
বাড়ি মেরেছো এবং সেটা আমার মাথায়
লেগেছে.........
। গার্ডকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে এক
ঝঁটকায় ওর দিকে স্টেনগান তাক করে ট্রিগার
টিপে
দিলাম। আমি যা বুঝার বুঝে গেছি। সত্যিকারের
গার্ড হলে ও জানতো আমি ওর মাথায় বাড়ি মারিনি,
বরং ঢিল ছুঁড়েছি। বহুরূপীটা ভাবতেও পারেনি আমার
কাছে একটা স্টেনগান থাকতে পারে। ঘটনার
আকর্ষিকতায় ও এক্কেবারে ঘাঁবড়ে
গিয়েছিলো।
আমার মতোই ও এটাকে পিস্তল ভেবে ভুল
করেছিলো। ফলাফল স্বরূপ ভয়ে স্থির হয়ে
যাওয়া
বহুরূপীর বুকের ঠিক মাঝখানে স্টেনগানের পিন
দুটো
আঁমূলে গেঁথে যায়। সাথে সাথেই আমি সুইচ
টিপে দেই।
উচ্চ বিভবের শক খেয়ে এক ঝটকায় ও মাটিতে
পড়ে
তড়পাতে শুরু করে। স্টেনগানের পুরো ব্যাটারি
শেষ
না হওয়া পর্যন্ত আমি সুইচটা অন রাখি।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুণ ওর দেহের মাংস
পেশী জমে পাথরের মতো শক্ত হয়ে
গেছে। দূর
দিগন্তে ততক্ষণে সাইরনের আওয়াজ শুনা
যাচ্ছে।
তাই আমি আর কাল ক্ষেপন না করে দ্রুত
বহুরূপীর
দেহটাকে সিমেন্ট মিক্সারে পুরে মেশিনটা চালু
করে
দেই। পাঁচ হাজার ঘুর্ণন প্রতি মিনিট বেগে চলমান
এই দানবীয় মেশীনের রোটারগুলি মূহুর্তেই
ওর দেহকে
বালির মতো সুক্ষ দানায় ভেঙ্গে ফেলে এবং
সিমেন্টের সাথে ভালো করে মিশিয়ে দেয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now