বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

one O one

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মুহাঃ এ.এস শেখ (০ পয়েন্ট)

X one O one শেষ পর্ব (4) ------------------- রোন্ডাঃ “পাগলের ডাক্তার হতে হলে আপনাকে প্রথমে একজন পাগল হতে হবে মিঃ সিভাস্তো। এটাই প্রাথমিক নিয়ম। ধরুন কেউ একজন ভুল করে একটা ভুগর্ভর্স্থ গোলক ধাঁধায় আটকা পড়েছে।একজন উদ্ধারকারী হিসেবে আপনাকেও সেই গোলকধাঁধায় ঢুকতে হবে। প্রথমে খুঁজে দেখতে হবে গোলকধাঁধার ঠিক কোন অংশে লোকটা আটকা পড়েছে। তারপর ওর হাত ধরে ওকে পথ দেখিয়ে বাহিরে নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু ঘুর্ণাক্ষরেও ওকে বুঝতে দেওয়া চলবে না যে আপনি ওকে গোলকধাঁধা থেকে বাস্তব পৃথিবীতে নিয়ে আসছেন। কেননা এতটা দিন ধরে গোলকধাঁধায় থাকতে থাকতে ওর কাছে গোলকধাঁধাটাই সত্যিকারের পৃথিবী হয়ে গেছে। আপনি ওর সাথে হাঁটতে হাঁটতে গোলকধাঁধার গহিনে প্রবেশ করার ভান ধরে তাকে সঠিক পথে চালিয়ে বাহিরে নিয়ে আসবেন। এটাই একজন মনোবিজ্ঞানীর কাজ।“ পাগলটা এত লম্বা লেকচার শুনে আরো জোরে জোরে হাসতে শুরু করলো। হঠাত করে রোন্ডা নিজেও সেই হাসিতে যোগ দিলো। ঘটনার আকর্ষিকতা সিভাস্তোকে একবার ভ্রু কোঁচকালেন। উনি বুঝার চেষ্টা করছেন এটা মনোবিজ্ঞানের নতুন কোন চাল কি না। রোন্ডা এক্কেবারে বাচ্চাদের মতো হাসতে হাসতে সিভাস্তোর কোলে ঢলে পড়লো। এবার সিভাস্তো সত্যিই ভ্যাবচেকা খেয়ে গেলেন। মনোবিজ্ঞানের কোথাও ডাক্তারের সাথে রোগির দৈহিক সংস্পর্ষের অনুমতি দেওয়া নেই। মনের চিকিৎসা যথাসম্ভব শরীরকে উহ্য রেখেই করতে হয়। কিন্তু নবাগত এ মেয়েটা হয়তো সেই thumb rule টা জানে না। এমন অপেশাদারী আচরণে বিরক্ত হয়ে সিভাস্তো কাঁধের ধাঁক্কায় মেয়েটাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। ধাক্কা খেয়ে রোন্ডা এক্কেবারে গম্ভীর হয়ে গেলো। তারপর ততোধীক গাম্ভির্যের সাথে গমগমিয়ে বললো, ““মানসিক চাপ মানুষকে বদলে দেয়। চাপে পড়লে মানুষ নিজের বাপের নাম পর্যন্ত ভুলে যায়। আর আমাকে ভুলে যাওয়া তো কোন ব্যাপারই না, তাই না ডাক্তার?“ ডাঃ সিভাস্তো এবার প্রচন্ড এক ধাক্কা খেলেন। এই মেয়েটাকে তার খুব চেনা চেনা মনে হচ্ছে, কিন্তু কিছুতেই স্মরণ করতে পারছেন না ও আসলে কে। তাই পাগলামী থামিয়ে উনি একদম সিরিয়াস হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ এই মেয়ে। একদম সত্যি করে বলবে, তুমি আসলে কে?” “আমি লিয়েরা বোরিস। আপনার প্রাক্তন রোগি। (The End)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ What is cyclone.....?
→ MH2 (Mysterious Some one)
→ two in one
→ SMART PHONE
→ One sided love
→ Moner Kotha
→ Boner bandhobir preme!!! :P
→ Boner bandhobir preme.....___1
→ One real love story
→ one O one শেষ পর্ব
→ one O one শেষ পর্ব (2)
→ one O one শেষ পর্ব (3)
→ one O one

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now