বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আচ্ছা... অন্ধকার কবর থেকে,
দুনিয়ার সূর্যের আলোটা দেখতে কেমন হবে..।
মাটির নিচের থেকে, দুনিয়ার সকাল বিকেল সন্ধ্যা রাত গুলোতে এই চলমান ব্যস্ত দুনিয়ার দৃশ্যটা দেখতে অনুভবটা কেমন হবে....
লাইফ মানে ইঞ্জয়..মজা মস্তি করা..এই বয়সে একটু একটু এমন না করলে কি চলে, লাইফ অনেক বড়, সময় কি আর কোথাও চলে যাচ্ছে এই ভাবনায় থাকা যুবক যুবতী গুলা আজ কবর থেকে কি ভাবছে....চিৎকার করে করে কি কিছু বলতে চাচ্ছে আমাদের..হয়তো আমরা শুনতে পাচ্ছিনা...
এইটা কোন জীবন হল, এর চেয়ে মরন ভালো,
দুনিয়ার কষ্ট থেকে বাচার জন্য আত্মহত্যা করা মানুষগুলো, এই মূহুর্তে জীবনের গুরুত্ব কেমন অনুভব করছে...
জায়গা সম্পদের নেশায় মত্ত হয়ে, ভয় ক্ষমতা দিয়ে অন্যের জায়গা দখল করা, অত্যাচার করা, হক নষ্ট করা, অন্যকে কষ্ট দেওয়া মানুষগুলো সেই ছোট্ট ঘরটাতে শুয়ে এখন কি ভাবছে...।
ঈমান,নেক আমল নাই এমন ব্যক্তিগুলা আজ
কি বলে বলে আফসোস করছে....
চারোদিকে মাটি আর মাটি। বের হওয়ার রাস্তাটা ও বন্ধ করে দিলো নিজের আপন জনেরা।
বিষাক্ত ভয়ানক চেহারার সাপ-বিচ্ছু-ধাও ধাও করে ধেয়ে আসা ভয়ানক আগুনের সাথে সাক্ষাৎ টা কেমন হতে পারে।
যাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে জীবনটাই শেষ করে দিল...সেই তাদেরকে কবরের আশেপাশের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হেটে যেতে দেখে কেমন লাগবে। কিন্তু কেউ একটু দাড়িয়ে আজ কবরটাকে দেখছে ও না জেয়ারত করার ও সময় পাচ্ছে না...সবাই নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। অনুভব টা কেমন হবে সেই কবর থেকে।
আল্লাহ ও রাসুলের কথা ভুলে, ঈমান-ইবাদত, উত্তম চরিত্র অর্জনহীন দুনিয়ার ভাবনায় মত্ত মানুষ গুলো,আজ কবর থেকে হাশরের বিচারের দিনের মূহুর্তটার কথা ভেবে ভেবে কেমন করছে..
একাকী থাকতে বিরক্তবোধ করা, ভয় পাওয়া মানুষগুলো আজ কতটা দিন একলা ঘরে নিরব হয়ে শুয়ে আছে...
খুব জানতে করে....কেমন আছে আজ তারা....
আচ্ছা...সময়গুলো কেমন হবে....
যখন মাটির নিচে থেকে দুনিয়ার চেনা মানুষ গুলোকে দেখবো। দুনিয়ার নিস্তব্ধ নিরব গভীর রাত গুলো কবর থেকে দেখতে কেমন লাগবে।
নিজের কবর থেকে পাশের কবরের মানুষটিকে আগুনে ধাও ধাও জ্বলতে দেখতে কেমন লাগবে। কেমন লাগবে তার বাচার আকুতির চিৎকার।
সেই জগতটা কেমন হবে দেখতে....
পরিচিত যারা এই মূহুর্তে কবরে আছে...
আচ্ছা তারা এখন কি অবস্থায় আছে কি ভাবছে, কেমন আছে,কি করছে..
এমন অজানা হাজারো অনুভূতির
বাস্তব সাক্ষী একদিন হতে হবে আমাদের।
হয়তো তখন... দুনিয়াতে কেউ বসে বসে ভাববে আমাদের কথা, আমরা কেমন আছি, কেমন লাগছে কবরে, কবরের জগত কেমন সেইটা জানতে চাইবে আজকের আমাদের মত করে।
কতইনা অসহায় হব আমরা সেইদিন
ঈমান-নেক আমল-উত্তম চরিত্রের সম্পদ ছাড়া।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now