বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অন্ধকার জগৎ পার্ট ১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X রুমী বরাবরই একেবারে সাধারণ ছেলে। সাধারণ ছেলেদের মতো তাকে কেমন দেখাচ্ছে সে নিয়ে তার মাথাব্যথার শেষ ছিল না। ক্লাসের ফিটফাট ছেলেদের দেখে তাই তার ভিতরে হীনমন্যতা জেগে উঠতো। ঘুরেফিরে দুটি প্যান্ট পরেই তাকে ক্লাসে আসতে হয়, ব্যাপারটা অন্যেরা লক্ষ্য করছে কিনা সে নিয়ে তার দুশ্চিস্তার সীমা নেই। টিউশানির টাকা পেয়ে সে যখন হাল ফ্যাশানের চওড়া কলারওয়ালা নূতন একটা শার্ট তৈরি করলো তার ভিতরে তখন আনন্দের একটা জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। সে সেই শার্ট পরে দোকানের সামনে দিয়ে হাঁটার সময় সাবধানে দোকানের আয়নায় নিজেকে লক্ষ্য করতো। তার চেহারা মোটামুটি ভালো এ নিয়ে সে খুব সচেতন, গায়ের রঙটা আরেকটু ফর্সা হলে তার আর কোনো দুঃখ থাকতো না। অন্যদের দেখাদেখি সে তার চুলকে কান ঢেকে ঝুলে পড়তে দিয়েছে, তাই সেগুলিকে আগের থেকে বেশি যত্ন করতে হয়। কাছে পিঠে কেউ না থাকলে আজকাল সে তার পকেট থেকে ছোট একটা চিরুনি বের করে অনেক যত্ন করে চুল ঠিক করে নেয়। তার বয়সী অন্য যে কোনো ছেলেদের মতো রুমীরও মেয়েদের নিয়ে খুব আগ্রহ। রাস্তাঘাটে কোথাও কোনো মেয়ে তাকে আলাদা করে লক্ষ্য করে কিনা সেটা জানার তার খুব কৌতূহল। কখনো কোনো কারণে কোনো মেয়ে ঘুরে দ্বিতীয়বার তার দিকে তাকালে সে সারাদিন ঘটনাটি ভুলতে পারে না। এমনিতে সে খুব মুখচোরা, কোনদিন যেচে কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবে এরকম সাহস নেই; অথচ প্রায়ই সে কল্পনা করে একটা আধুনিকা মেয়ে তার জন্যে পাগল হয়ে আছে। প্রতিবার নুতন টিউশানি নেবার আগে সে মনে মনে আশা করে একটি সুন্দরী মেয়েকে পড়াবে, কিন্তু কখনোই তা হয়ে ওঠেনি। কে জানে, সুন্দরী মেয়েদের বাবারা হয়তো উঠতি বয়সের কলেজের একটা ছেলের হাতে মেয়েকে অংক কষতে দেয়ার সাহস পান না। রুমীর সবচেয়ে বড় সমস্যা তার নিজেকে নিয়ে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করে কেউ যেন বুঝতে না পারে সে মফঃস্বলের ছেলে। ক্লাসের ফিটফাট ইংরেজী কথা বলা ছেলেদের সে মুগ্ধ বিস্ময়ে লক্ষ্য করে। শুদ্ধ ইংরেজীতে সে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখে যেতে পারে, কিন্তু মুখে মুখে সে ইংরেজীতে একটা কথা পর্যন্ত বলতে পারে না। চেষ্টা করে দেখেছে, তার গ্রাম্য ক্লাস টীচারের সুর এসে পড়ে। বৃদ্ধ ক্লাস-টীচারের তাকে নিয়ে যত গর্বই থাকুক না কেন, রুমীর নিজেকে নিয়ে লজ্জার সীমা নেই। এক সময় ফিটফাট ছেলেদের সাথে সে মেশার চেষ্টা করে দেখেছে, কিন্তু তাদের প্রচ্ছন্ন অবহেলা বুঝতে পেরে সে নিজের মাঝে গুটিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে রুমী কল্পনা করে সে বিদেশ থেকে অনেক বিখ্যাত হয়ে ফিরে এসেছে, আর এই সব ফিটফাট ছেলেরা তার সাথে দেখা করতে এসেছে। সে যেন বিশুদ্ধ সাহেবী ইংরেজীতে বলছেঃ তোমাদের দেখেছি দেখেছি মনে হচ্ছে, কিন্তু ঠিক চিনতে পারলাম না তো!রুমীর এই ধরনের অনেক কল্পনা, সাধারণ ছেলেদের মতো তার কল্পনাগুলিও সাধারণ। মোহ আর উচ্চাশা তাকে বাচিয়ে রাখে। যা কিছু বিদেশী তাতেই আজকাল তার প্রচণ্ড বিশ্বাস। নিজের দেশের রাজনীতি পর্যন্ত সে বিদেশী সাংবাদিকদের আলোচনা পড়ে শিখতে চেষ্টা করে। দেশকে নিয়ে সে আজকাল সত্যি সত্যি হতাশাগ্রস্ত, বিদেশীরা কিভাবে উন্নতি করে ফেলছে আর এদেশের লোকেরা কিভাবে নিজেদের সর্বনাশ করছে এ ব্যাপারে আজকাল সে বুদ্ধিজীবীদের সাথে একমত। একবার দেশের বাইরে যেতে পারলে সে আর কোনদিন ফিরে আসবে না এরকম একটা ধারণা আস্তে আস্তে তার ভিতরে গড়ে উঠছে। সার্থক জীবনের অর্থ বিদেশে প্রতিষ্ঠা, এ ব্যাপারে তার আজকাল আর কোনো সন্দেহ নেই। এই আশা নিয়েই সে আস্তে আস্তে বড় হয়ে উঠছিল, কিন্তু একদিন সেটাতে একটা চোট খেয়ে গেল। তখন পরীক্ষার মাসদুয়েক বাকি, পড়াশোনার খুব চাপ। বিকেলে একটা টিউশানি করে রুমী খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ছাত্রটার আলাদা পড়ার ঘর নেই, কাজেই মধ্যবিত্তের সংসারের ঠিক মাঝখানে বসে থেকে তাকে পড়াতে হয়। দৈনন্দিন তিক্ত ঘটনাবলীর মাঝে বসে থেকে প্রায় নির্বোধ একটি ছেলেকে এক জিনিস দশবার করে বোঝাতে তার দুই ঘণ্টা সময়কে দশ ঘণ্টার মতো দীর্ঘ মনে হয়। তার উপর কোনদিনই তাকে কিছু খেতে দেয় না, প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে সে উঠে আসে। চা খেয়ে খিদে নষ্ট করার জন্যে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকার কাছাকাছি একটা চায়ের দোকানে যেতো। আজকাল সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রেরা এসে আড্ডা জমায়। তাদের দেখা একটা মজার কাজ। একজন দুজন রুমীর মনের মতো বের হয়ে পড়ে, তাদের সে যুগ্ধ বিস্ময় নিয়ে লক্ষ্য করে সময় কাটিয়ে দেয়। নিজের অগোচরে সে তাদের মতো হওয়ার চেষ্টা করে কথাবার্তায়, হাসিতে, পোশাকে, হাঁটার ভঙ্গিতে। সেদিন বৃষ্টি বলে চায়ের দোকানে ভিড় কম। রুমী জানালার পাশে একটা চা একটা সিংগারা নিয়ে আরাম করে বসেছে। তার ঠিক পাশেই একজন গভীর মনোযোগ দিয়ে গাজা ভরা একটা সিগারেট নির্বিকার ভাবে টেনে যাচ্ছে। সামনের টেবিলে বসে দুজন তর্ক করছে—বিষয়বস্তু রুমীর জ্ঞানের বাইরে কোনো একজন আমেরিকান অর্থনীতিবিদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের যৌক্তিকতা। তর্ক উত্তপ্ত হতেই কথাবার্তায় ইংরেজী বের হয়ে আসতে থাকে। কি সুন্দর উচ্চারণ, কি সুন্দর কথা বলার ভঙ্গি, কি চমৎকার শব্দ চয়ন। রুমী মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। দাদা কি করে আপনাদের? রুমী গলার স্বর শুনে চমকে তাকায়। গাজা খাওয়া লোকটি লাল চোখে কিন্তু মুখে একটা হাসি নিয়ে তর্করত ছেলে দুটিকে জিজ্ঞেস করছে। ছেলে দুটি থতমত খেয়ে থেমে গিয়ে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালো। প্রশ্নটি ঠিক বুঝতে পারেনি ভেবে লোকটি গলা উঁচিয়ে আবার জিজ্ঞেস করলো, আপনাদের দাদারা কি করতেন? এক্সকিউজ মি? আপনার দাদা, মানে আপনার বাবার বাবা কি করতেন? কেন ? গরীব ছিলেন কিনা? চাষা, কি গোয়ালা, কি মাঝি?হোয়াট? একজনের ফর্সা মুখ টকটকে লাল হয়ে ওঠে, হোয়াট ডু ইউ মীন? আহা-হা-হা রাগ করেন কেন? আমি শুধু জানতে চাইছি আপনাদের দাদারা কি করতেন? কেন? ইটস নান অফ ইওর বিজনেস। আমার দাদা যা খুশি করুক তাতে আপনার কি? লোকটার মুখে তখনো হাসি। পান খাওয়া দাত বের করে বললো, বলতে না চাইলে বলবেন না। লজ্জা করলে বলবেন কেন? একটা বড় ঝগড়া লেগে যাবার উপক্রম, অন্য ছেলেটা কোনমতে থামিয়ে দিয়ে তাকে টেনে নিয়ে বের হয়ে গেল। গাঁজা খাওয়া লোকের সাথে ঝগড়া করে কখনো কি বলতে গিয়ে কি বলেছে। রুমী আড়চোখে লোকটাকে দেখার চেষ্টা করে, এমন অভদ্র লোকও আছে। লোকটা তখনো খিক খিক করে হাসছে যেন একটা ভারি মজার ব্যাপার হয়েছে। রুমীর চোখে চোখ পড়তেই বললো, দশ টাকা বাজি। রুমী থতমত খেয়ে বললো, বাজি? হ্যা। ঐ দুইটার ভিতরে অদ্ভুত একটার দাদা গয়লা না হয় ধোপা ছিল। কেন? রুমী একটু উত্তপ্ত হয়ে যোগ না করে পারলো না, ধোপা কিংবা গয়লা হওয়া দোষ নাকি? দোষ কেন হবে? লোকটা সাগ্রহে মাথা এগিয়ে আনে, দাদা ধোপ! ছিল তাই বাপ খুব কষ্ট করে বড় হয়েছে। এখন ছেলেদের তাই সাহেব বানাচ্ছে। ভুলতে পারে না তো নিজে ধোপার পোলা! এমন সাহেবের সাহেব যে বাড়িতেও ইংরেজী ছাড়া কথা বলে না। রুমী যুক্তিটার মাথামুণ্ডু কিছু না বুঝে চুপ করে রইলো। লোকটার তাতে নিরুৎসাহিত হবার কোনো লক্ষণ দেখা গেল না, নিজের মনে সে মা-বাপ তুলে গালিগালাজ দেয়া শুরু করে। অস্বস্তিতে নড়েচড়ে বসে রুমী তাড়াতাড়ি নিজের চা শেষ করার চেষ্টা করতে থাকে। উঠে পড়া ভালো, কে জানে আবার কখন তাকে ধরে বসবে। ইংরেজী। ইংরেজী বলেন। লোকটা আবার শুরু করে, জার্মান বলে না কেন? স্প্যানিশ বলে না কেন? ফ্রেঞ্চ বলে না কেন? প্রশ্নগুলি রুমীকে নয়, তাই রুমী চুপ করে থাকে। তাড়াতাড়ি চা খেতে গিয়ে তার জিভ গেছে পুড়ে, রাগটা উঠছে এই লোকটার উপর। লোকটা হঠাৎ দুই হাত মাথার উপরে তুলে নাচার ভঙ্গি করলো, ইংরেজী বলে কারণ তাদের ব্রিটিশ বাবারা ইংরেজীতে কথা বলেন। তারা তিনশো বছর তাদের পাছায় লাথি মেরে গেছেন, এখন তাদের ভাষায় কথা না বললে চলে কেমন করে? কর্তায় কইছে শালার ভাই, আনন্দের আর সীমা নাই ৷ লোকটা হঠাৎ তার দিকে ঘুরে বললো, ঐ ব্রিটিশ বাবারা কি তাদের মানুষ বলে জানতো? জালিয়ানওয়ালা বাগে ডায়ার যখন চারশো লোককে কুত্তার মতো গুলি করে মেরে নিজের দেশে ফিরে গেছে তখন তার দেশের লোক কি করেছিল? রুমীর চা শেষ। সে উঠে দাড়িয়ে বললো, কি করেছিল?ব্রিটিশেরা চঁাদা তুলে ডায়ারকে ছাব্বিশ হাজার পাউণ্ড উপহার দিয়েছিল। আর আমরা এখনো সেই ব্রিটিশের ইয়ে ধরে লাফাই। লোকটা অশ্লীল একটা কথা বলে মাটিতে একদলা থুতু ফেললো। রুমী আর দাঁড়ালো না, পয়সা দিয়ে দ্রুত বের হয়ে এলো। লোকটার পুরোপুরি মাথা খারাপ। পরের কয়দিন কিন্তু ঘুরেফিরে লোকটার কথাগুলি মনে হতে থাকে রুমীর। বিশেষ করে সেই ইংরেজটার কথা, এদেশের মানুষকে খুন করেছিল বলে যাকে নিজের দেশের লোকেরা খুশি হয়ে চঁাদা তুলে টাকা উপহার দিয়েছে। কথাটি কতটুকু সত্যি জানার জন্যে ওর ভিতরটা উশখুশ করতে থাকে। কাউকে জিজ্ঞেস করে লাভ নেই, ক্লাসের বন্ধু বান্ধবেরা তার মতোই ইতিহাস বইয়ে শুধুমাত্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গুণপনা আর বীরত্বের কথা পড়ে এসেছে। সত্যি কথাগুলো কোথাও লেখা নেই। রুমী কথা প্রসঙ্গে ফিটফাট ছেলেগুলিকে জিজ্ঞেস করে একদিন, তারাও কিছু জানে না। একজন শুধু বললো টাগোর নাকি ঐ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদস্বরূপ নিজের স্যার উপাধি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। রুমী স্কুলে শিখেছিল প্রপার নাউনের নাকি ইংরেজী হয় না, কিন্তু ঠাকুরের ইংরেজী কেমন করে টাগোর হল? রুমী অবাক হলো আগে কখনো ওর এই প্রশ্নটি মনে হয়নি কেন ভেবে। কয়দিন পর এক বিকেলে কোনো কাজ খুঁজে না পেয়ে সে পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘পাক ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশ নামে একটা বই বের করে পড়তে বসে যায়। রাতে পরীক্ষার পড়া আছে তাই বেশিক্ষণ পড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হলো না। এমনিতেও তার পাঠ্য বই এবং পত্রপত্রিকা ছাড়া আর কিছু পড়ার অভ্যাস নেই, একটা কথা তিন চার বার পড়ে বুঝতে হয়। সন তারিখ দিয়ে কণ্টকিত ইতিহাস পড়ে কিছু বুঝে ওঠাও মুশকিল। রুমী ঘণ্টা দুয়েক চেষ্টা করে খানিকটা বিরক্ত হয়েই উঠে এলো। প্রথম যে ইংরেজ মোগল বাদশাহদের সুনজরে পড়ার চেষ্টা করেছিল সে-ব্যাটা পরিষ্কার জোচ্চোর ছিল, দুই ঘণ্টা পড়ে এইটুকু মাত্র জ্ঞান লাভ হয়েছে। ফিরে যাবার সময় রুমী ঠিক করে এই শেষ, আর সে বাজে সময় নষ্ট করবে না। কবে কখন কোন ইংরেজ কার কি ক্ষতি করেছে তাতে তার কি? পরদিন বিকালে কিন্তু রুমী আবার পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরে এসে ঠিক ঐ বইটা খুঁজে বের করে। সেদিন রুমী লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে আসে অনেক রাতে লাইেব্ররি বন্ধ হয়ে যাবার পর। পরীক্ষার পড়া আজ আর হলো না, কিন্তু তাতে এমন কিছু ক্ষতি হবে না। সে মাঝে মাঝেই এরকম ছুটি নেয়, বিশেষ করে পরীক্ষার আগে। পড়ার চাপটা মাঝে মাঝে অন্য কিছু করে বের করে দিতে হয়। আজ অবশ্যি অন্য ব্যাপার। সিপাহী বিদ্রোহের পুরোটা শেষ না করে সে কিছুতেই উঠে আসতে পারছিল না। ও জানতো না ঈস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর প্রভুত্ব দূর করার শেষ চেষ্টাকে ইংরেজরা কি নির্মম ভাবে দমন করেছিল। বিদ্রোহী সিপাহীদের ফাসী দিয়ে হত্যা করেই সন্তুষ্ট হয়নি, তাদের মৃতদেহ কানপুর থেকে এলাহাবাদ পর্যন্ত পুরো রাস্তার দু'পাশের গাছ থেকে ঝুলিয়ে রেখেছিল। নীলক্ষেতের অন্ধকার রাস্তায় বড় বড় গাছগুলির নিচে দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রুমীর মনে হয় সে বুঝি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অন্ধকার জগৎ পার্ট ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now