বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
স্বচ্ছ পানির অবিরাম বয়ে যাওয়া নদীর পাশে আসন গেরে থাকা গ্রামটির নাম প্রতাব নগর।গ্রামে বাস করা শান্ত শিষ্ট মানুষ গুলোর মন অশান্ত হয়ে যায় মাঝে মধ্যেই তবে সবার নয় যারা রাত করে বাজার থেকে ফিরে শফিউদ্দিন কলেজ গেট দিয়ে।মাঝে মাঝে শোনা যায় কলেজের তিন তলায় কে যেন বেন্স টেবিল নিয়ে টানাটানি করছে।তার শব্দ ভেসে আসে কানে।আবার শোনা যায় গ্রামের আমজাদ মিয়া একরাতে বাজার থেকে ইলিশ মাছ কিনে বাড়ি ফেরার সময় কি যেন এক অদ্ভুদ আকৃতির পিচ্ছিল জীবের সাথে ধস্তাধস্তি করে মাছ নিয়ে প্রাণে বেচে আসলেও পরদিন সেই মাছটি আর হদিস মেলে নি। আসলে কি আছে ওখানে? এবার আসল ঘটনায় আসা যাক।আমি আর আমার বন্ধু আরিফ দুজনে এমন বন্ধুত্ব যে একজন আরেকজন কে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারি না।বাড়ি থেকে মাইল দুই দূরে আমার বাবার ব্যবসার স্থান সেখানে আমাদের মিল আছে।একদিন রাতে আমি আর আরিফ বাইরে বসে আছি এমন সময় বাবা আসলেন মোটরসাইকেল চালিয়ে।আমরা বাইরে বাইরে থেকে শুনতে পেলাম বাবা বলছেন তিনি কাচা বাজার ভিতরে রেখে নাকি মিল ঘরের তালা লাগিয়ে এসেছেন তার মনে নেই।আমি গিয়ে বললাম বাবা আমি আর আরিফ গিয়ে বাজার নিয়ে আসি নাহলে নষ্ট হয়ে যাবে বাবা রাজি হলেন।দুই বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে রওনা দিলাম। সেই শফিউদ্দিন কলেজের গেটে যেতেই হেড লাইটের আলোতে দেখতে পেলাম একটা মূর্তি যার এক চোখ থেকে অনবরত রক্ত পড়ছে অন্য চোখ দিয়ে আগুন বের হচ্ছে।তার হাতে একটি কুড়ালের মত অস্র নিয়ে এদিক ওদিক ঘুরাঘোরি করছে।আমাদের চোখ তার উপর পড়তেই সে দিল এক দৌড়।আমরা ভয়ে ভয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ আমার হাত কেপে ওঠে আর মোটরসাইকেলের গতি যায় বেড়ে এরই মধ্যে শুনতে পাই এক আওয়াজ মনে হলো কেউ যেন চাপা পড়ে চিৎকার দিল।আমরা তারাতারি চলে গেলাম মিলে ভয়ে শরীর কাপছে আমাদের বাজারের ব্যাগ নিয়ে দ্রুত রওনা হলাম বাড়ির দিকে।কলেজ গেট ছাড়া বাড়িতে যাওয়ার আর কোন রাস্তা না থাকায় সেই পথই আবার ধরতে হল।এবার ঘটল আসল ঘটনা যাওয়ার সময় যে স্থানে চিৎকার শুনেছিলাম সেখানে এসে দেখি এক বিশাল শিয়ালের ঝাক,চারপাশ থেকে ভেসে আসছে অদ্ভুদ শব্দ।আর তার মাঝখানে মরে পড়ে আছে একটি বাচ্চা যেটি দেখতে হুবুহু সেই আগের দেখা কুড়াল হাতে ঘুরাঘোরি করা জীবটার মত।আমরা গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়লাম এবং দৌড়ে ঝোপের আড়ালে পালানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু পরক্ষণে দেখি সেই অবয়ব ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে বাচ্চার দিকে আমি দৌড়ে এক গাছের আড়ালে পালালাম।কিন্তুু আরিফের পা গাছের শিকরের সাথে লেগে পড়ে যায়।পড়ার সময় শব্দ হওয়ায় সেই অবয়ব টি আরিফের চিৎকার করে আরিফের দিকে এগিয়ে এসে তার গলা চেপে ধরে এবং আছার মারতে মারতে বলে সন্তান হত্যার প্রতিশোধ। আমি গাছের আড়াল হতে এই দৃশ্য দেখে কাপছি।কয়েকটি আছার দেওয়ার পর আরিফের মৃত্যু হয়।আমি আর কিছু বলতে পারি না হঠাৎ করে চোখ মেলে দেখি আমার পাশে অনেক লোকজন। বন্ধু আরিফের লাশ নিয়ে যাচ্ছে তার আত্বীয় স্বজনরা...।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now