বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অমিয়েন্দ্র!!!

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☫☤Ꮶℳ ЅᎯᎫU Ꭿℋℳℰⅅ ℛᎾᏦℐℬ ☢☣ (০ পয়েন্ট)

X প্রারম্ভিকা ।। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। দূরের মসজিদ থেকে আযান শোনা যাচ্ছে ছাড়া ছাড়া ভাবে। বাতাস হচ্ছে খুব উল্টো পাল্টা ভাবে। সময়ের আগেই চারপাশটা বড় বেশি অন্ধকার হয়ে গেছে, মেঘে ছেয়ে গেছে সন্ধ্যার আকাশটা। গোধূলির ম্লান আলোটা নেই। কেমন যেন থম মেরে আছে চারপাশটা। কেবল বাতাসের উল্টো পালটা ছোটা ছুটি। হঠাৎ হঠাৎ দু এক ফোঁটা পানি এসে পড়ছে গায়ে। বৃষ্টি ঝাপিয়ে নামার আগের লক্ষণ। নূসরাত ছাদের রেলিং-এ হেলান দিয়ে বসেছে। সিমেন্টের বেঞ্চের মত ওখানটায়, কার্নিসের সঙ্গে সিঁড়ির ধাপের মত করে বানানো হয়েছিল প্রায় নব্বই-পঁচানব্বই বছর আগে। ছাদের প্রতিটা ইঞ্চি এখন রঙ হারিয়ে কালচে বর্ণ ধারণ করেছে। প্রায় জায়গায় শ্যাওলা আর ফার্ণ জন্মেছে। পরিষ্কার করা হয় না ঠিক মত। তাই হঠাৎ করে ছাদে এলে মনে হয় যেন কোনো উঠানে আসা হয়েছে যেখানে ছোট ছোট ঝোপ ঝার আছে। ছাদটা সমান না, কয়েক ধাপে উঠে গেছে উত্তর-পূর্ব দিক বরারর। নূসরাতের বাবা বুলবুল সাহেব ছাদের ওপর টবে নানান জাতের অর্কিড লাগিয়েছেন। তাই হঠাৎ করে ছাদটাকে ঠিক ছাদ মনে হয় না, বাগান বলে মনে হয়। সন্ধ্যার এ সময়টাতে নূসরাত প্রায়ই এসে ছাদে বসে থাকত বিয়ের আগে। মাগরিবের সময় ছাদে যাওয়া একদম পছন্দ করেন না তার মা বাহেলা খাতুন। বিশেষ করে মাথায় কাপড় না দিয়ে যদি চুল ছেড়ে ছাদে বসে থাকে- ধমক দিতেন মেয়েকে। আজ অবশ্য আগের মত কিছু বললেন না। রাহেলা খাতুন মেয়েকে খুঁজতে খুঁজতে যখন ছাদে উঠে এলেন, দেখলেন কার্নিসের কাছে হেলান দিয়ে বসে রয়েছে নূসরাত। পাশে দুটো ক্র্যাচ রাখা। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে বাড়ির সামনের গাঙটার দিকে। মাথায় কাপড় দেয়নি। এলো মেলো বাতাসে কয়েক গোছা চুল উড়িয়ে এনে মুখের ওপর ফেলেছে। অদ্ভূত একটা বিষাদে ছেয়ে আছে মুখটা। রাহেলা খাতুন সূক্ষ্ম একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করলেন। আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলেন মেয়ের কাছে। নূসরাত খেয়াল করেনি যে রাহেলা খাতুন এসেছেন, এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে গাঙ্গের দিকে। “আযান দিয়েছে। আর কতক্ষণ বসে থাকবি?” মেয়ের পাশে বসলেন। চমকে উঠল নূসরাত। মাকে দেখে আস্বস্ত হল, “কখন এলে? সাড়াই পেলাম না।” মাথায় ওড়না টেনে নিল। “মাত্র এলাম। তোর পায়ের কি অবস্থা? ডাক্তার তো নিষেধ করেছে- ভাঙ্গা পা নিয়ে হাটা চলা যতটা পারা যায় কম করতে। তুই তো দেখি ক্র্যাচ নিয়ে রাজা রায় চৌধুরীর মত সিঁড়ি বাওয়া শুরু করেছিস! ক’দিন পর পাহাড় বাওয়া শুরু করবি দেখবো।” হেসে ফেলল নূসরাত, “কাকাবাবুর কথা এখনো মনে আছে তোমার? তুমি তো কখনো পড়তেই চাইতে না। কত যে সাধা সাধি করেছি পড়ার জন্য।” “পরীক্ষার খাতা পড়তে পড়তে চোখ পঁচে গেছে। গল্পের বই পড়ার সময় কোথায়?” একটা নিঃশ্বাস ফেলে মেয়ের দিকে তাকালেন। “কলেজ বন্ধ নাকি তোমার?” ভ্রুঁ কোঁচকালো নূসরাত। “নাহ। ছুটি নিয়েছি তিন দিনের। ভাবলাম তুই বাড়িতে একা একা বোর হচ্ছিস। তাই তোর সঙ্গে থাকলাম একটু। শান্তকে তো বাড়িতে রাত দশটার আগে দেখা যায় না! ছেলেটা যত বড় হচ্ছে তত অনিয়ম করা শুরু করেছে। কানের নিচে কষে কয়েকটা থাপ্পড় লাগানোর সময় হয়েছে।” গম্ভীর গলায় বললেন। “হয়েছে। সত্যি সত্যি লাগিয়ে বোসো না আবার। তোমার তো কোনো ঠিক ঠিকানা নেই।” গাঙ্গের দিকে আবার তাকাল নূসরাত। “কেনো? মার ধোর করলে খারাপটা কি?” “আজ কালকার ছেলে। না মেরে বুঝিয়ে বললে হয়। রাগা রাগী করলে এসব বয়সের ছেলেরা উল্টো পাল্টা কাজ কার্বার শুরু করে দিবে। সবখানে শাসন করা যায় না।” “তুই দেখি বুড়ো মানুষের মত কথা বলা শুরু করেছিস!” হাসলেন হঠাৎ রাহেলা খাতুন, “তুই কি কম জেদি ছিলি নাকি?” “সে জন্যই তো বলছি। এ বয়সে জেদ একটু বেশিই থাকে। সামান্য কিছু বললেই মাথায় গণ্ডগোল লেগে যায়। ওকে ধমক না দিয়ে ভাল করে বুঝিয়ে বোলো।” মেয়ের দিকে একটু অবাক হয়ে তাকালেন রাহেলা খাতুন। নূসতার এখনো এক দৃষ্টিতে গাঙ্গের দিকে তাকিয়ে আছে। রাহেলা খাতুন নিজের মেয়েকে ঠিক চিনতে পারছেন না। মাত্র দু বছর আগে বিয়ে দেয়া হয়েছিল নূসরাতকে। দু বছরের সংসার জীবন কাটিয়ে মেয়েটা কেমন যেন অন্যরকম হয়ে গেছে। বিয়ের আগের সেই ছটফটে স্বভাবের মেয়েটার সঙ্গে কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। দু সপ্তাহ হল স্বামীর বাড়ি থেকে চলে এসেছে নূসরাত। “শ্বশুড় বাড়ি” ভাগ্য ভাল জোটেনি তার ভাগে। দিন রাত ফিজিক্যাল টর্চারের ওপর থাকতে থাকতে বদলে গেছে নূসরাত। শেষ বার স্বামী- মোনেম চৌধুরীর অত্যাচারের চোটে ডান পা’টা ভেঙ্গে গেছে হাটুর নিচ থেকে। এই ঘটনার পর আর সেখানে থাকার কোনো অর্থ হয় না- চলে এসেছে। থানা পুলিশে যেতে দেয়নি মা-বাবাকে, চায়নি বদনাম হোক তাদের পরিবারের। এমনিতেই এদেশে মেয়ে পক্ষের বাড়ির ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে বেশি ভালবাসে সবাই। কথা গড়াক- চায়নি নূসরাত। তাই পুরো ঘটনা চাপা পড়ে গেছে। রাহেলা খাতুন আস্তে আস্তে বললেন, “চল, অন্ধকার হয়ে গেছে। বৃষ্টি আসবে। ভিজে গেলে জ্বর টর বাঁধবে। নামাযও পড়া হয়নি আমার।” শুনতে পেল না যেন নূসরাত, গাঙ্গের দিকে চোখ। “কি হল? আয়?” উঠে দাঁড়ালেন। প্রায় শোনা যায় না এমন স্বরে হঠাৎ বলল নূসরাত, “আচ্ছা মা, এই গাঙটা কবে থেকে বইছে এখানে?” সামান্য অবাক হলেন, দ্বিধান্বিত গলায় বললেন, “ঠিক জানি না। বিয়ে করে এ বাড়িতে যখন আসি আমি – তখনো ছিল। সারা বছর শুঁকিয়ে থাকে, বর্ষায় ভরে ওঠে। এখন যেমন ভরে আছে। বেশি ছোট দেখে নদী বলে না, গাঙ বলে লোকে।” নূসরাত বিড়বিড় করে বলল, “শুভমঙ্গল গাঙ……. নামটা কেমন জানি…..” রাহেলা খাতুন ক্র্যাচ দুটো এগিয়ে দিলেন নূসরাতের দিকে, “নে, তাড়াতাড়ি ওঠ।” নূসরাত এখনো এক দৃষ্টিতে বাড়ির সামনের গাঙ্গের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তিন তলা উঁচু ছাদ, বেশ ওপরে- তবুও অনেক দূর থেকেও দেখতে পাচ্ছে গাঙ্গের তীরে ঝোপ ঝাড়্গুলোর কাছে আবছা অন্ধকারের মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটা ছেলে। হাল্কা বৃষ্টি নামছে কুয়াশার মত। তার মাঝে দিয়েও বোঝা যাচ্ছে নীল রঙের একটা শার্ট পরনে ছেলেটার। কেমন যেন মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রয়েছে অনেক্ষণ ধরে। নড়ছে না একদম। পুরো দৃশ্যটার মাঝে কোথাও যেন একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার আছে- ধরতে পারছে না নূসরাত। নূসরাতকে ওর ঘর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে চলে গেলেন রাহেলা খাতুন। নামাযের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। দো’তলার লম্বা করিডোরে খানিক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল নূসরাত। দেয়ালে ম্লান হলুদ বাতি জ্বলছে, পোঁকা উড়ছে ওটার চারপাশে। এত বছর ছিল এ বাড়িতে, তবুও সব কেমন যেন অচেনা লাগছে। মনে হচ্ছে আগে কখনো আসেনি এ বাড়িতে। অথচ ছোট বেলা থেকেই এখানে ছিল নূসরাত। কেবল মাঝের কিছুদিন – ভার্সিটির জীবনটা শহরের একটা বাসায় কাটিয়েছিল। পরে আবার চলে এসেছে এখানে। করিডোরটা অনেক লম্বা। বেছানো প্যাসেজের মত চলে গেছে সামান্য বাঁক নিয়ে। এক মাথা থেকে অন্য মাথা ভাল করে দেখা যায় না। ক্র্যাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে রইল নূসরাত করিডোরের অন্য প্রান্তের দিকে। ঘুট ঘুটে অন্ধকার ওদিকটায়। কালি গুলে দেয়া হয়েছে যেন অন্য প্রান্তে। শেষ মাথায় কাঁচের বড় জানালা রয়েছে। হঠাৎ হঠাৎ বজ্রপাতের আলো এসে করিডোরে ছড়িয়ে পরছে। আবার ঘন কালো অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে। বুলবুল সাহেবের দাদা জমিদার হাজী নাবিদ জায়গিরদার এই বিশাল বাড়িটা বানিয়েছিলেন। প্রায় নব্বই বছর আগের কথা। গ্রামের লোকেরা বলতো হাজী সাহেবের নাকি পোষা জ্বীন রয়েছে। যারা সব সময় তাঁর সঙ্গে থাকত। নানা রকম কাজ করে দিত। অনেকের দাবী এই বিশাল বাড়িটা তৈরি করার সময় নাকি হাজী সাহেবের জ্বীনগুলো কাজ করেছিল। এবং তাঁর মৃত্যুর পর জ্বীনগুলো এ বাড়িতে থেকে গেছে। যায়নি কোথাও। শোনা কথা এসব। নূসরাত ছোট বেলা থেকেই এসব শুনতে শুনতে বড় হয়েছে। কিন্তু কখনো কিছু চোখে পরেনি। শান্ত আর সে এই বাড়ির নানান গলিঘুপচিতে অনেক লুকোচুরি খেলেছে- কখনো অস্বাভাবিক কিছু দেখেনি, শোনাওনি। কিন্তু আজ কেন জানি সামান্য গা শিরশিরে অনুভূতি হল করিডোরের অন্ধকার প্রান্তটার দিকে তাকিয়ে। আগে কখনো হয়নি এমন। অবাক লাগল নিজের কাছেই। মাথার ভেতর সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা ঘুরপাক খায় ইদানীং- হয়তো সেজন্যই এরকম লাগছে। ঘুরে ওর রূমে ঢূকতে যাবে হঠাৎ মনে হল করিডোরের অন্য মাথার অন্ধকার অংশটায় কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে। বোঝা যাচ্ছে না কে? কেবল আবছা অবয়বটা দেখা যাচ্ছে। বজ্রপাতের হঠাৎ আসা আলোয় নূসরাত চমকে উঠতে নিয়েও সামলে নিল। তীক্ষ্ম চোখে তাকাল ঐ প্রান্তের দিকে। মনে হচ্ছে অন্ধকারের মাঝে কেউ দাঁড়িয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে সিগারেট টানছে, লালচে আগুণটা দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট। শান্ত নাকি? লুকিয়ে সিগারেট খাচ্ছে নাতো? অবাক লাগল নূসরাতের। কিন্তু এত তাড়াতড়ি তো ওর বাড়ি ফেরার কথা না। আর ফিরলেও এখানে এসে সিগারেট খাবে কেন? তিন তলার সব রূমগুলোই ফাঁকা। ইচ্ছে হলে সেখানে গিয়েই খেতে পারে। “শান্ত? তুই নাকি ওখানে?” অনিশ্চিত গলায় জিজ্ঞেস করল। ক্র্যাচ নিয়ে ধীরে ধীরে এগুতে লাগলো করিডোরের ঐ প্রান্তের দিকে। জবাব এলো না। কেবল সিগারেটের লালচে আলো আর ধোঁয়ার আবছা ছায়া। নূসরাতের কেমন যেন ঘোরের মত লাগছে। ও জানে ওখানে আসলে শান্ত নেই। তবুও নিজের অজান্তেই একটা অদৃশ্য শক্তি টেনে নিয়ে চলেছে তাকে ওদিকে। পা কথা শুনছে না…… বজ্রপাতের সাদাটে আলোতে হঠাৎ হঠাৎ ছেলেটাকে দেখা যাচ্ছে, নীল রঙের একটা শার্ট পরনে। বজ্রপাতের আলোয় করিডোরের সব কিছুর ছায়া পরছে লম্বা হয়ে। জানালার গ্রিলের ছায়াটাও করিডোরময় ছড়িয়ে পড়েছে। নূসরাত স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে নীল শার্ট পরা একটা ছেলেটার কোনো ছায়া পরছে না……… বারবার ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার গিলে নিচ্ছে ঐ অংশটাকে। সেই সঙ্গে ছেলেটাও ডুবে যাচ্ছে ঘন রহস্যময় আঁধারে। কেবল সিগারেটের আগুণ দেখা যাচ্ছে। আবার বিদ্যুৎ চমকালো। থমকে দাঁড়ালো নূসরাত। ছেলেটা নেই! বাতাসে কেবল সিগারেটের কড়া গন্ধ…… মেঝেতে একটা আধ খাওয়া সিগারেটের গোড়া। একটু আগেও এখানে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটা রীতিমত গায়েব হয়ে গেছে চোখের পলকে….. নূসরাতের দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। খোলা জানালা দিয়ে শোঁ শোঁ শব্দে বাতাস ঢুকছে, লম্বা করিডোরের মাঝে ঝড়ের সেই পাগলাটে বাতাস বিচিত্র শব্দ তুলেছে। তার সঙ্গে হাল্কা ভাবে ফিসফিসানো একটা কন্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছে ও….. ওর চারপাশে সিগারেটের ধোঁয়ার মত কিছু একটা ঘুরপাক খাচ্ছে….. সেখান থেকেই আসছে কন্ঠস্বরটা। অস্পষ্ট, জড়ানো একটা কন্ঠ। “ অমিয়েত্রা….. আমি অমিয়েন্দ্র……. তোমার চারপাশেই আছি…… অনন্ত নক্ষত্রবীথির মত……” বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠের মত চমকে উঠল নূসরাত, নড়তে ভুলে গেছে যেন। ফিসফিসানো কন্ঠটা ঘুরপাক খাচ্ছে ওর চারপাশে, মিলিয়ে যাচ্ছে দ্রুত বাতাসের সঙ্গে….. শীত শীত লাগছে খুব। নড়তে পারছে না। (চলবে...)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অমিয়েন্দ্র!!!(পর্ব৪)
→ অমিয়েন্দ্র!!!(পর্ব৩)
→ অমিয়েন্দ্র!!!(পর্ব ২)
→ অমিয়েন্দ্র!!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now