বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
অমীমাংসিত তদন্ত ৪
"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nira anam (০ পয়েন্ট)
X
জ্যাক দ্য রিপার
১৮৮৮ সাল থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে লন্ডনের
হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় একে একে ১১ নারী
রহস্যজনক খুনের শিকার হন। এসব খুনের তদন্তে
বেরিয়ে আসে জ্যাক দ্য রিপারের নাম। অভিযোগ ওঠে
হত্যাকান্ডের শিকার ওই নারীদের মধ্যে ১৮৮৮ সালেই
অন্তত ৫ জনকে খুন করেছেন রিপার। সাধারণত
যৌনকর্মীরাই তার দ্বারা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছিল। কিন্তু
কে এই জ্যাক দ্য রিপার? তার হদিস করতে পুলিশ আদাজল
খেয়ে মাঠে নামে। প্রায় ২০০০ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ
ছাড়াও অন্তত ৩০০ লোকের ওপর তদন্ত এবং ৮০ জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু কোনো কিছুতেই প্রকৃত
খুনিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ বিভাগের অন্যতম জনপ্রিয় তত্ত্ব হলো জর্জ
চ্যাপম্যান হলো জ্যাক দ্য রিপার। তিনি ছিলেন
পোল্যান্ডের এক অধিবাসী। তার আসল নাম সেভেরিন
ক্লোসোউস্কি। হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় তিনি নাপিতের
কাজ করতেন। তিন নারীকে কোনো কারণ ছাড়া
বিষপ্রয়োগে হত্যার জন্য ১৯০৩ সালে তার মৃত্যুদন্ড
কার্যকর করা হয়। এসময় রিপারকে খুঁজে বের করার
মিশনে নিয়োজিত চিফ ইন্সপেক্টরও দাবি করেন,
চ্যাপম্যানই ছিল রিপার।
অন্য আরেকটি সূত্র কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করে,
রিপার হলেন জনৈক ডাক্তার স্ট্যানলি। বিপত্নিক ওই
ভদ্রলোকের একমাত্র ছেলেটি যৌনকর্মী মেরি
কেলির সংস্পর্শে গিয়ে সিফিলিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
এরপরই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য একের পর এক
পতিতাকে খুন করেন তিনি। দাবি করা হয় আর্জেন্টিনার
বুয়েন্স আয়ার্সে মৃত্যুর আগে তিনি তার স্বীকারোক্তি
দিয়ে গেছেন।
সম্প্রতি ‘দ্য আইডেন্টিটি অব জ্যাক দ্য রিপার’ বইয়ে
ডোনাল্ড ম্যাককরমিক দাবি করেন, রিপার ছিল এক খুনে
উন্মাদ যাকে রাশিয়া থেকে লন্ডনে পাঠানো হয়েছিল শুধু
ইংরেজ পুলিশকে হতবাক করে দেওয়ার জন্য।
জ্যাক দ্য রিপারের সিরিয়াল কিলিং এত আলোড়ন তুলেছিল
যে, তাকে নিয়ে হয়েছে অসংখ্য গবেষণা, তথ্যচিত্র
আর চলচ্চিত্র।
উত্তর লন্ডনের ব্যবসায়ী রাসেল এডওয়ার্ডসের লেখা
‘নেমিং জ্যাক দ্য রিপার’ নামে একটি বইয়ে দাবি করা হয়, রিপার
ছিলেন আসলে অ্যাডাম কসমিনস্কি। তিনি পোল্যান্ড
থেকে আসা এক ইহুদি।
বইয়ের লেখক এডওয়ার্ডস ২০০৭ সালে নিলাম থেকে
একটি শাল কেনেন। রক্তমাখা এই শালটি জ্যাক দ্য রিপারের
চার নম্বর খুনের ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করেছিল পুলিশ।
শালটি সংগ্রহ করার পর কখনো ধোয়া হয়নি। এডওয়ার্ডসের
দাবিটিও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
এখন পর্যন্ত একশ’রও বেশি মানুষকে ‘জ্যাক দ্য রিপার’
মনে করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত খুনি এখনো রয়ে
গেছে রহস্যের আড়ালে।
Collected
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now