বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অমানুষ

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X ছেলেটি সদ্য গলাকাটা মুরগীর মতো ছটফট করছে। মুখে শক্ত করে ওড়না বাধা থাকায় তার কণ্ঠস্বর শুনা যাচ্ছিলোনা। আমি আর সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে দ্রুত ওয়াশরুমে চলে গেলাম। ওয়াশরুমে হ্যান্ডওয়াশ খুজে পেলাম না। রুমে ফিরে খোজাখুজি করে একটি লাক্স সাবান পাওয়া গেলো। যাক তবে আপাতত এই সাবান দিয়েই কাজ চালিয়ে নেয়া যায়। সাবান দিয়ে বারবার খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিচ্ছিলাম আমার রক্তাক্ত হাতদুটো। রক্তের দাগ কিছুটা চলে গেলেও একেবারে মুছে গেলোনা। ইশ! অমানুষের রক্ত বুঝি এমনই হয়! মানুষের রক্ত কেমন হয় সেটা কখনো দেখিনি। কারন একসময় রক্ত দেখলে আমার ভয় করতো খুব। আর আজ সেই আমি নিজহাতে কাউকে খুন করলাম। কি ভাবছেন! আমি খুনি? হ্যা আমিই খুনি। এই মাত্র যে ছেলেটি আমার সামনে ছটফট করতে করতে মারা গেলো তার খুনটা আমিই করেছি। খুন বললেও কম হবে কারণ তার শরীরটা জখম করেছি নিষ্ঠুরভাবে। আমি আনমনে হাত ধুচ্ছি আর ভাবছি কিভাবে ছেলেটার গলা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটেছি। প্রতিশোধটা ঠিকমতো নিতে পেরেছি কিনা! এই মুহূর্তে একটা বিজয়ীর মতো হাসি দিলেও আমার জন্য কম হবে। অট্টহাসি কিভাবে দেয় জানা থাকলে সেটাই দিতাম। কারন আমি বহু কষ্ট করে হলেও আজ পেরেছি এক পাপিষ্ঠকে হত্যা করতে। যেমনভাবে সে সবার অগোচরে নির্মমভাবে আমার প্রাণপ্রিয় বড়বোনের ইজ্জত লুটেছে,অতঃপর তাকে মেরে ফেলে শরীরের প্রত্যেকটি অংশকে ব্লেড দিয়ে কেটে ক্ষতবিক্ষত করেছে। ঠিক তেমনভাবে আমিও এই পশুটির শরীরটি ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছি, টুকরো করে দিয়েছি। কাকপক্ষীরও টের পাবার কথা না। পাবে কিভাবে!আর কেনোই বা পাবে!যখন অমানুষটি অপকর্ম করতো, তারপর কসাইয়ের মতো কাজ করতো তখন তো কেউ টের পায়নি! সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি! -------- ৬মাস আগের কথা। বড়আপুর নাম রেবেকা, আর আমি টুম্পা। আমরা দুইবোন,আর মা বাবা এই নিয়ে আমাদের ছোট্ট পরিবার। বড়আপু আমার ৩ বছরের বড়।কিন্তু আপু আমার থেকে ২শ্রেণী ওপরে। আপু দেখতে মায়ের মতো সুন্দরী ছিলো। আর আমি বাবার মতো, কিছুটা উজ্জ্বল শ্যামবর্ণা। বাবার অনেক স্বপ্ন ছিলো আপুকে ডাক্তারি পড়াবেন। ভালো ফলাফলের আশায় তাগিদে রেবেকা আপুকে ইন্টারমিডিয়েটে শহরের একটি ভালো কলেজে ভর্তি করিয়ে দিয়ে আসেন বাবা। আপু চলে যাওয়ার পর আমি খুব একা হয়ে যাই। যদিও রোজ আপুর সাথে কথা হতো।কিন্তু আপুকে দেখতে পেয়েছি ৪/৫ মাস পর একবার। শেষবার যখন আপু এইচ.এস.সি পরীক্ষার আগে বাড়িতে এসেছিলো আপুকে অনেক খুশিখুশি দেখাচ্ছিলো। খেয়াল করলাম আপু ফোনে ঘনঘন কাকে যেনো টেক্সট করছে। আমি সেই রাতে আপুর সাথে ঘুমাই। >রেবুপু কি ব্যাপার বলতো।তুই কেমন যেন পাল্টে গেছিস।এসেছিস পর থেকেই ফোন হাতে নিয়েই থাকিস, আমাকেতো সময়ই দিসনা আগের মতো। বলনা কি হয়েছে।তুইকি কারোর সাথে প্রেম করিস? আপুকে আমি ছোটো করে রেবুপু(রেবু+আপু) বলে ডাকি। আপু হঠাত কেমন যেন ইতস্তত করতে লাগলো।ঠিক যেমন চোর ধরা খাবার পর তার মুখটি করে রাখে কিছুটা তেমন। >টুম্পা তুই বাসায় কিছু বলিস না যেনো। তারপর রেবেকা আপু সব খুলে বললো আমায়। ছেলেটার নাম জয়। শহরের ছেলে। পরিবার ভালো।বাবা বড় ব্যবসায়ী। আপুর ফোনে জয় নামের ছেলেটার ছবিটা দেখলাম। দেখতে ভালোই, তবে চেহারায় কিছুটা নেশা করে এমন ভাব ভেসে ওঠে। >যখন তুইও শহরের কলেজে এসে ভর্তি হবি তখন পরিচয় করিয়ে দিবো সামনাসামনি। (আপু) >আপু,ভাইয়া দেখতে তো অনেক দারুণ। কিন্তু... >কিন্তু কি? >মাইন্ড করবি নাতো? >আচ্ছা, বল।তোর কাছে কিসের মাইন্ড করা! >আপু, জয় ভাইয়া কি নেশা করে? আমি হঠাত মুখ ফসকে বলে ফেললাম।আপুকে কিছুটা দুঃখিত হতে দেখা গেলো। >আগে অনেক করতো রে।আমি চেষ্টা করছি ছাড়ানোর। তবে মনটা অনেক ভালো ওর। আমি আর কথা বাড়াই না।তবে নিজের কাছে কেমন যেন অস্বস্তি লাগছিলো কথাটা শুনে। নেশা খুবই খারাপ জিনিস। তাও আপুর মুখের দিকে তাকিয়ে আর কিছু বলার সাহস পাইনি। ২দিন পর আপু নিজ গন্তব্যে চলে যায়। দেখতে দেখতে আপুর এইচ.এস.সি পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু প্রাক্টিক্যাল এক্সামের জন্য আসতে কিছুটা দেরী হবে জানালো। আমার যেহেতু সামনে এস.এস.সি পরীক্ষা সামনে তাই পড়াশোনায় মন দিলাম। ভেবেছি বড়আপু বাড়ি আসলে আমাকে পড়াবে ভালোভাবে। হঠাত একদিন রেবেকা আপুর ফোন বন্ধ পেলাম। দ্বিতীয় দিনই সেই অবস্থা। বাবা মা খুব টেনশনে পড়লো। বাবা রেবেকা আপুর হোস্টেলের কাকে যেনো ফোন করলেন খোজ নেবার জন্য।তিনি যে খবর দিলেন সেটা শুনবার জন্য আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। রেবেকা আপুকে ২দিন থেকে খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা! মা শুনে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। আমিও ভিতর থেকে বড় এক ধাক্কা খাই। সেদিনই কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার সাথে শহরে যাই। ---------- পুলিশকে খবর দেয়া হলেও সেদিন তারা আপুকে খুজে পায়নি। পরদিন সকালে শহরের এক ছোট্ট গলি থেকে বড়আপুর বিছিন্ন কাটাছেড়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। চেহারার এমন হাল ছিলো যে মা দেখলেও হয়তো নিজের সন্তানকে চিনতে পারতোনা। আমি সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। সেদিনই প্রথম দেখেছিলাম রক্ত। মানুষের রক্ত! লাল টকটকে রক্ত। আর সেটা আমার প্রাণপ্রিয় বোন রেবেকা আপুর রক্ত!তবে সেটা পবিত্র রক্ত ! আর একটা রক্ত ছিলো সবার অগোচরে।সেটা হচ্ছে আমার শরীরের টগবগে রক্ত। বাবা হার্টএ্যাটাক করেছিলেন।আল্লাহর রহমতে অল্পের জন্য বেচে গেলেন। মা তো খবর শুনেই পাগলের মতো হয়ে গেলো। কেউ মুখ খুলতে চাইলোনা। উল্টো আমার মৃত বোনটিকে নোংরা অপবাদ দেয়া হলো। পোস্টমর্টামে ধর্ষন প্রমান হয়। টানা ২দিন ধর্ষন করা হয় মেয়েটাকে। ধর্ষনের পর মার্ডার,এতো বড় ক্রাইম তাও প্রথম দুদিন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দলেদলে সাংবাদিকরা শুধু মজা নিতে আসছিলো। তাতো আসবেই! ধর্ষিতা হয়ে নির্মমভাবে খুন এটাতেই তাদের পত্রিকা ছাপাবে। খুনী কে,কিভাবে প্রমাণ করা যায় এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই তাদের। আমি পুলিশকে জয়ের নামটা বলেছি।পুলিশ প্রমাণ ছাড়া কেস নিতে রাজি হলোনা।শেষে কেউ একজন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলো। >আমি ডিটেকটিভ অরুণ। এটাই আমার প্রথম তদন্তের কেস।আপনারা এখনই জয়কে আটক করেন। প্রমাণের ব্যবস্থা পরে করা যাবে। ডিটেকটিভ অরুণ এসব বলার পরে পুলিশ জয়কে ধরেছিলো। >রেবেকার সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক ছিলো? (পুলিশ) >কোন রেবেকা?আমি কোনো রেবেকাকে চিনিনা। জয় ব্যাপারটাকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেলো। কোনো প্রমাণ না থাকাতে জয় কিছুক্ষণের ভিতরেই ছাড়া পেয়ে গেলো। ডিটেকটিভ অরুণ অনেক দুঃখিত হলেন বোঝা গেলো। >মিস টুম্পা আমি আপনাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করার চেষ্টা করবো। >ধন্যবাদ। একটু ভরসা পেলাম। আমিও আমার বোনের হত্যার উপযুক্ত শাস্তি দিতে পারবো,আর আপনিও আপনার প্রথম কাজে সফল হবেন। . রেবেকা আপুর রুমমেট ঘটনার দিনই বাড়ি চলে যায়। আমরা কিছুটা নিশ্চিত হই রেবেকা আপুর ব্যাপারে সে কিছু জানে। আমি ডিটেকটিভ অরুণের সহায়তায় রেবেকা আপুর রুমমেট দিপার বাড়িতে চলে যাই। দিপা আপু প্রথমে সব না জানার ভান করে।শেষে অনেক নির্ভয় দিয়ে তার থেকে কিছু তথ্য বের করতে সমর্থ হই। >দিপা আপু,তুমি কি চাওনা একটা খুনী সাজা পাক? সমাজে আর কোনো মেয়ের সাথে এমনটা না হোক? রেবেকা আপুর জায়গায় নিজেকে বসিয়ে দেখো ব্যাপারটা কতোটা নিষ্ঠুর। অবশেষে দিপা আপু মুখ খুললো। দিপা আপু ভাষায়- "রেবেকা জয় ভাইয়ার ব্যাপারে আমাকে বলেছিলো।জয় ছেলেটি প্রচুর ড্রাগস নিতো।রেবেকা অনেক বুঝাতো। শেষেরদিন রেবেকা অনেক রাতে জোরে জোরে চেঁচাচ্ছিলো আর কাঁদছিলো- >আমি তোকে ভালোবেসেছিলাম।অনেক বিশ্বাস করতাম।আর তুই! আগেও অন্য মেয়েদের নিয়ে নোংরামি করেছিস।সব আমি এখন জানতে পেরেছি ।এসব আগে জানলে তোর মতো ছেলের দিকে কখনোই ফিরে তাকাতাম না।আমাকে নিয়ে নোংরামো করার কথা কিভাবে চিন্তা করিস? তারপর হয়তো ওপাশ থেকে কিছু হুমকি দেয়া হয়। >চুপ, তুই আমার কি করবি!ওপরে আল্লাহ আছে।তোর বিচার সে করবে।কখনো আমার চোখের সামনে যেন তোকে না দেখি। এরপর আমাকে আর বিরক্ত করলে পুলিশে ধরিয়ে দিবো। পরদিন সকালে রেবেকা না খেয়ে প্রাকটিকাল পরীক্ষা দিতে চলে যায়। তারপর থেকে ও নিখোঁজ। প্লিজ আমি এসব বলেছি সেটা যেন কেউ না জানে।" দিপাকে নির্ভয় দিয়ে ডিটেকটিভ অরুনের সহায়তায় কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করে জয়কে গ্রেফতার করাই। পড়ালেখার তাগিদে বাড়ি ফিরি।বাড়ি ফেরার ২দিন পর শুনি জয় ছাড়া পেয়েছে। আরও একটা খবর শুনে অনুতপ্ত হই। দিপা আপুর সাথেও তেমনটা করা হয় যেমনটা আমার বোনের সাথে করা হয়েছিলো। কারন দিপা আপু প্রমাণ হিসেবে বেচে থাকলে জয়ের সাজা হতে পারে। এবার দিপা আপুর মার্ডারের কোনো প্রমাণ না থাকায় জয়কে আটক করা হয়না।বলা হয় জয় তখন জেলে ছিলো। ডিটেকটিভ অরুণ অনেকটা বন্ধুসূলভ।সে আমাকে জয়ের সব খোঁজখবর দিতো। পরপর দুটি মেয়েকে খুন করে খুনী সবার সামনে হেসেখেলে বেড়াচ্ছে ভেবে আমার শরীরের রক্ত টগবগিয়ে উঠতো। অপেক্ষা করতে থাকি শোধ নেবার জন্য। ---------- মনকে শক্ত করে ভালোভাবে পরীক্ষা শেষ করি।তারপর আবার শহরে যাই শোধ নেবার জন্য। আধুনিক সাজসজ্জার মাধ্যমে নিজের লুকটা আরো গর্জিয়াস করে জয়কে প্রেমের জালে ফাসাই। একমাত্র ডিটেকটিভ অরুণকে ভরসা করে এই ব্যাপারটা বলি। কিন্তু বেচারা কিছু একটা আচ করতে পেরে ঘাবড়ে যায়। >দেখো, তোমার এই পদক্ষেপ অবশ্যই তোমার সাহসিকতার পরিচয় দিবে।কিন্তু এতে অনেক বেশি রিস্ক। কেউ টের পেলে তোমায় পুলিশের হাতে তুলে দিবে। >কেনো? যখন রেবেকা আপুকে রেপ করা হয়েছিলো, তারপর নির্মমভাবে মার্ডার হয়েছিলো তখন কোথায় ছিলো সাক্ষী! কি করছিলো পুলিশ! দ্বিতীয়বার দিপা আপুর সাথেও এমন করতে তো তার বুক কাপেনি! ভয় আমি কেনো পাবো! আমি নারী হতে পারি, তবে দূর্বল নই। আর প্রতিশোধের স্পৃহায় আমার রক্ত এখন গরম।যেটা ঠিক করেছি সেটা আমি করেই ছাড়বো। >আচ্ছা তোমার যেটা ইচ্ছা হয় করো। তবে সাবধানে কাজ করবে। এরপর ২দিন পরেই জয়ের সাথে রুমডেটের কথা বলে জয়কে নিরিবিলি জায়গায় নিয়ে যাই। প্রথমে জয়কে মদের নেশায় আসক্ত করি।তারপর কৌশলে রেবেকা আপু আর দীপার আপুর খুনের কাহিনী রেকর্ড করি। আরো কিছু কুকীর্তি জেনে নেই যা রেবেকা আপুর সাথে জড়ানোর আগে করেছিলো। অমানুষটি মদ আর নারীর নেশায় এতটাই মগ্ন ছিলো যে কখন ওকে পুরো কব্জায় এনে হাত আর মুখ বেধে ফেললাম বুঝতেই পারেনি। তারপর যা ঘটেছে সেটা আগেই বলেছি। অমানুষের রক্ত মুছে গেলো পুরোটা। চোখমুখে পানি ছিটিয়ে রুম থেকে চুপচাপ বের হয়ে গেলাম। রুম থেকে বের হয়ে দেখি দরজার কাছে ডিটেকটিভ অরুণ অপেক্ষা করছে। >আপনি এখানে? >তোমাকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছিলো তাই আসলাম। >চিন্তার কিছু নেই আমাকে নিয়ে।এই নিন অমানুষটির নোংরামির প্রমাণ। রেকর্ডিং ক্যাসেটটা যখন দিচ্ছিলাম ডিটেকটিভ অরুণ আমার দিকে অবাক আর ভয়ের দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন। >আমার দিকে এভাবে তাকানোর কিছু নেই। আমি একটি অতি সাধারণ মেয়ে। >নাহ টুম্পা, তুমি ছাই চাপা আগুন। যখনই জ্বলে উঠলে সব জ্বালিয়ে ছারখার করে দিলে। এই বয়সে কে বা পারে এতো কিছু করতে! I salute you. তোমার যেকোনো সহায়তায় দরকার হলে আমাকে বলবে। >ধন্যবাদ। ডিটেকটিভ অরুণকে ছোট্ট একটা হাসি উপহার দিয়ে চলে আসলাম সেখান থেকে। আমি জানি এই হাসিটি দেখার জন্য সে আমার সামনে আবার আসবে, বারবার আসবে! কারণ সে একজন মানুষ, অমানুষ নয়। এটুকু বোঝার মতো ক্ষমতা আমার আছে। এরপরের কাহিনীটা নাহয় সবার কাছে অজানাই থাকুক। বিঃদ্রঃ ঘটনা,চরিত্র সম্পূর্ণ কাল্পনিক। ধর্ষনকেই মূখ্য বিষয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অমানুষ
→ অমানুষ
→ একদল অমানুষের গল্প
→ অমানুষ
→ অমানুষ
→ অমানুষ?
→ অমানুষের উপকার নৈব নৈব চ
→ একদল অমানুষের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now