বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
“ছুটছি, গুলি ছুঁড়ছি, গ্রেনেড ছুঁড়ছি, মারছি, মরছি, চলছে তো চলছেই। শরীরে বিন্দুমাত্র শক্তি নেই, কিছু ভাবারও ক্ষমতা নেই, শুধু জানি বেঁচে থাকতে চাই। কিন্তু অবাক হয়ে যাই, এর মধ্যে বেঁচে আছি কি করে! মৃত্যুকে আর কতবার ফাঁকি দিতে পারব?”–পৃঃ নং ১০৩
বিশ্বযুদ্ধের সময় এক জার্মান সৈনিকের জীবন-মৃত্যুর মাঝে টিকে থাকার লড়াইয়ের গল্প ‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’। যুদ্ধক্ষেত্রের বিভীষিকার গল্প জানতে পড়ে ফেলুন এ বইটি।
লেখক এরিক মারিয়া রেমার্ক নিজেই মাত্র আঠারো বছর বয়সে যোগ দিয়েছিলেন জার্মান সেনাবাহিনীতে। জুন ১২, ১৯১৭-তে তাঁকে পাঠানো হয় ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে, দু’নম্বর কোম্পানিতে। সেখানে তিনি বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অংশ নেন। খুব কাছ থেকে দেখেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বীভৎসতা, ধ্বংসযজ্ঞ। গোলার বিস্ফোরণে তাঁর বাম পা, ডান হাত আর ঘাড়মারাত্মকভাবে জখম হলেতাঁকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় জার্মানির এক সামরিক হাসপাতালে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতাকেই চমৎকারভাবে তুলে ধরেন এরিক রেমার্কতাঁর ‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’ বইটিতে।
বইটি নিয়ে ১৯৩০ সালে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। এরিক মারিয়া রেমার্ক এই উপন্যাসে যুদ্ধেরভয়াবহ পরিবেশের বর্ণনা এত সুনিপুণ বিষাদময়ভাবে দিয়েছেন, মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। তিনি যে কতটা শক্তিমান লেখক, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রতিটি শব্দের গাঁথুনিতে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now