বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চাকরি নেওয়ার জন্য, হাতে কাগজ গুলো নিয়ে রাস্থা দিয়ে হেটে যাচ্ছি,
আর মাত্র কয়েক মিনিট লাগবে, অফিসে যাইতে,,চাকরি টা হলে অনেক ভালো হবে,,
এইতো এসে গেছি,প্রায়,
যখনি সামনের দিকে আগাই,তখনি আমার শরিরে রাস্থায় জমে থাকা,,বৃষ্টির পচা পানি, আমার শরিরে আসে,
আমি তাকিয়ে দেখি একটা বড় দামি গাড়ি, আমার এই অবস্থা করছে,
চাকরি নেওয়ার আশা টা পুরো শেষ করে দিলো,,রাগের চুটে একটা ইট নিয়া দিলাম জুরে ডেল,
ইটটা গাড়ির গ্লাসে লাগে
গ্লাসে লাগার কারনে দেখি গাড়ি টা সেখানে দাড়ালো,,
আর ভিতর থেকে একটা মেয়ে বাহির হলো,,
আমি রাগান্তিত ভাবে মেয়েটার সামনে গিয়েই,
আমিঃঠাস ঠাস ঠাস করে থাপ্পর দিলাম,
মেয়েটাঃতোর সাহস কতো বড়, ছোটলোক, তুই আমাকে থাপ্পর মারস
আমিঃআপনি দেখেন আমার কি অবস্থা করেছেন,,
মেয়েটাঃছোটলোক এর বাচ্চা, তোর চিহারা দেখেই মনে হচ্ছে, তুই একটা ছোটলোক
আমিঃদেখুন একি তো আপনি অন্যায় করেছেন, তার ওপর আবার বড় বড় কথা বলতাছেন
মেয়েটাঃতুই আমাকে চিনিশ আমি কে, তোর সাহস হলো কি আমার সাথে এমন ভাবে কথা বলার,
আমিঃআপনার জন্য আজ আমি চাকরি টা নিতে পারলাম না।আপনি কি করছেন দেখেন,
মেয়েটাঃতোদের মতো রাস্থার ছেলেদের এই একটাই কাজ ছোটলোক দামি গাড়ি দেখলে ডিল মারা,আবার আমাকে থাপ্পর মারিস,,তোবে দেখে নিবো,,
আমিঃআমার এতো ঠেকা পড়ে নাই আপনাকে আমার মুখ দেখাতে,,আর আপনি আমাকে নোংরা পানি দিছেন তাই, আমি এটা করছি
মেয়েটাঃ রাগে গজ গজ করতে করতে চলে গেলো,
(যদি পরের বার তোর সাথে আমার দেখা হয় মনে রাখিন কি করি তোর,,)
এটা বলে চলে গেলো,
আমিঃসেখানে কিছুক্ষন দাড়িয়ে, বাসার দিকে এসে পড়ি,,
আজকের চাকরি টা হলো না,,
ভাবছিলাম আজকে চাকরি টা হবে কিন্তু ফাজিল, বড় লোকের মেয়েটার জন্য হলো না,
মাঃজনি তোর শরিরের এমন অবস্থা কেনো,
আমিঃমা রাস্থার পচা পানি শরিরে আসে তাই আর চাকরি নিতে পারি নাই,
মাঃযা বাবা, আগে ফ্রেশ হয়ে, তোর সাথে কিছু কথা আছে
আমিঃওকে মা,বলে ফ্রেশ হতে যাই,
ফ্রেশ হয়ে এসে,মায়ের রুমে যাই,
আমিঃমা বলো কি কথা
মাঃজনি আমি তোকে এখন যেটা বলমু রাখবি কিন্তু,
আমিঃহুম মা বলো, রাখবো,,
মাঃতোর বাবা যেখানে চাকরি করতো সেখানে, আজ থেকে তুই যাবি,
আমিঃআমি শেষে কিনা গাড়ি চালাবো,,
মাঃতো সমস্যা কোথায়,,বাবা না করিস না,, তোর বাবা এখন অসুস্থ যদি সুস্থ থাকতো তাহলে কি, তোকে যেতে হতো,,আর তুই তো বুঝিস,,
আমিঃআচ্ছা মা,
মাঃদেখ বাবা যাবি কিন্তু কারো সাথে খারাপ আচরন করবি না, ওনারা বড় লোক তোর সাথে খারাপ আচরন করতেই পারে, তুই কিছু বলবিনা,
আমিঃঠিক আছে মা,,
মাঃএই তো লক্ষি ছেলে,
তার পরের দিন, বাবার থেকে ঠিকানা নিয়ে গেলাম সেই বাড়িতে,
বাড়ির সামনে গিয়ে আমি অবাক এটা বাড়ি না তো রাজপ্রাসাত
কতো বড়,, আর কতো সুন্দর বাড়ি,,
দারোয়ান কে চিঠিটা দেওয়া মাত্র আমাকে ভিতরে নিয়ে গেলো,,
দারোয়ানঃওই যে স্যার, যান আপনি কথা বলেন,
আমিঃআমি স্যার ওখানে গেলাম,
স্যারঃতুমার বাবা তোমাকে পাঠিয়েছে
আমিঃজি,,
স্যারঃতোমার বাবা কিছুদিন না আসাতে একজন ডাইবার আমি নিয়ে নিছি,
তুমি গাড়ি কেমন চালাতে পারো,,
আমিঃজি ভালো পারি,,
স্যারঃতুমি আইছো যেহেতু,, আমার মেয়ের জন্য একটা ডাইবার লাগবেই,, তা হলে তুমি আমার মেয়ের গাড়ি চালাবে, পারবে,
আমিঃজি পারবো,,
স্যারঃচলো তাহলে তোমাকে নিয়ে পরিচয় করিয়ে দিবো আর, আজ থেকেই তুমি আমার মেয়ের সাথে থাকে,,স্ক্রেরেটারি হিসেবে,
আমিঃজি, থাকবো,,
স্যারঃবর্ষা মা
বর্ষাঃজি বাবা,,বলো,
স্যারঃতোর তো আবার ডাইবার লাগবে তাই এই ছেলেটাকে তোর জন্য রাখলাম,
বর্ষাঃওকে,,,,,,,,,কিন্তু কই,,,ছেলেটা
স্যারঃএই যে যে ছেলেটা,
বর্ষাঃআমাকে দেখা মাত্র , আমার দিকে তাকিয়ে রইলো,,
আমিঃআল্লান এ তো কালকের সেই মেয়ে যাকে আমি অপমান করছি,,
না জানি আমার কপালে কি আছে,,
বর্ষাঃবাবা ঠিক আছে চলবে,,
স্যারঃএ হলো আমার মেয়ে,,বর্ষা,,
আমিঃ------------
স্যারঃওকে থাকো আমি যাই,,এটা বলে চলে গেলো,
বর্ষাঃকুত্তার বাচ্চা, ছোটলোক, মনে রাখিস আমি বর্ষা, তোর কি অবস্থা আমি করি,, আমাকে কালকে থাপ্পর দিছিলি,,
আমিঃআমি সরি,, প্লিজ মাপ করে দেন,
বর্ষাঃজোরে হাত টা তুলে দিলো আমাকে থাপ্পর,
আমিঃগালে হাত দিলাম কেনো মারলো বুঝলাম না,
বর্ষাঃযা গাড়িতে গিয়ে বসেক, বলা লাগবে কেনো,, এর পর থেকে যদি কোন ভুল করিস, তাহলে,, মনে রাখবি, কি অবস্থা করি,,
আমিঃগাড়িতে গিয়ে, বসলাম,
কতো জুরে থাপ্পর মারছে,,
কিছুক্ষন পর আসে গাড়িতে বসলো,
বর্ষাঃমনে রাখিস ছোটলোক, আমার এই গাড়ি টার দাম অনেক, চালানোর সময় যেনো কোন ক্ষতি না হয়,,
আমিঃওকে হবে না,এটা বলে গাড়ি চালাতে লাগি,,
আমিঃকোথায় যাবো,,
বর্ষাঃআমি বলে দিবো, তোকে,,
আমিঃগাড়ি চালাতে লাগি,
বর্ষাঃতোর ওপর আমার কতো রাগ,,তুই আমাকে থাপ্পর মারিস,তুই বর্ষা কে থাপ্পর দেস,,তোকে আমি কি করি তুই শুধু দেখ,,
বর্ষাঃসামনে গিয়ে গাড়ি থামাবি
আমিঃওকে,
গিয়ে গাড়ি থামালাম,
বর্ষা লামলো,,আমি ও নামি নেমে, সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি, আরো অনেক মেয়ে আছে,
বর্ষা সেখানে গেলো,
বর্ষাঃতুই এখানেই থাকবি,, কোথাও যাবি না,, আর গাড়ির যাতে কোন ক্ষতি না হয় মনে রাখিস,,
আমিঃওকে আপনি যান,,
বর্ষাঃতখন সবার সামনে দিলো আমাকে থাপ্পর,,
আমিঃআমাকে মারলেন কোনো,,
বর্ষাঃঠাস ঠাস,,তোর সাহস কতো বড়,,,আমাকে,,,,,,,,,
ম্যাডাম বলে ডাকবি,,,
আমিঃঠিক আছে
বর্ষা তাদের সাথে চলে গেলো,,
আমি মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লাম,
না জানি আরো কতো কিছু সয্য করতে হবে,,,
মাথা টা ব্যাথা করছে বর্ষা ম্যাডামের হাতের থাপ্পর খেয়ে,
আমি সেখানে অনেক ক্ষন থাকি কিন্তু ম্যাডাম দের আসার কোন নাম নাই,,তাই সামনের দিকে, যাই গিয়ে কাউবে পাইনা, তখন আবার গাড়ির কাছে আসে,,
দেখি সবাই গাড়ির সামনে দাড়িয়ে আছে,,
দৌড় দিয়ে গাড়ির সামনে যাই,,
বর্ষাঃরাগি ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমিঃআপনাদের খুজতেই সামনের দিকে গেছিলাম
বর্ষাঃতোকে এখান থেকে কোথাও যেতে বলছি,
আমিঃনা এখানে থাকতে বলেছেন,
বর্ষাঃসো কেনো গেলি তাহলে,,
আমিঃনা মানে, আপ........
বর্ষাঃআর এটা কি গাড়ির ওপর দাগ কেনো,,
আমিঃআমি তো জানি না.......
বর্ষাঃহাতে থাকা কাচের বতল দিয়ে, দিলো জুরে বারি.....মাথায়.....
ভেঙ্গে গেলো কাচের বতল টা,,
বর্ষাঃতোকে কি করতে মন চাচ্ছে যানস....
আমিঃ............
বর্ষাঃআমি যদি কোন একটা ভুল তোর দেখি তাহলে মনে রাখিস তোর কিন্তু অবস্থা কাহিল করে ছারবো,,
আমিঃআচ্ছা ম্যাডাম......
বর্ষাঃসবাই গাড়িতে বস........
সবাই গাড়িতে বসলো,,,
আমিঃগিয়ে গাড়ি চালাতে থাকি,,
রাস্থায় সবাই নেমে যায়,
বর্ষা ম্যাডামের বাসায় এসে,,
বর্ষাঃআমি যে তোকে তোর ভুলের জন্য শাস্তি দিছি,,এগুলো কাউকে বলবি না,, না হলে আরো বেশি করে করবো,,
আমিঃআচ্ছা ম্যাডাম.........
বর্ষাঃবিকালে আমি এক জায়গায় জাবো রেড়ি থাকিস,,
আমিঃওকে...............
বর্ষা ম্যাডাম চলে গেলো,,
সেখানে দাড়িয়ে রয়েছি,,
একটা লোক আসলো,,
লোকটাঃআসো তোমার রুম টা দেখিয়ে দেই,
আমিঃ......
তার পিছন পিছন যাই,,
একটা রুমে গিয়ে
লোকটাঃতুমি এখানেই থাকবে,,,
আর কিছুক্ষন পর ম্যাডাম এক জায়গায় যাবে,, তুমি রেড়ি থেকে,,
আমিঃমাথা নারালাম,,
লোকটা চলে গেলো.
আমি বিছানায় সুয়ে পড়লাম,
কাচের বতল দিয়ে বারি মারায়, মাথাটা অনেক ব্যাথা করছে,,
কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি,,
কোন কিছুর আঘাতে চমকে ওঠি ঘুম থেকে,
তাকিয়ে দেখি,বর্ষা ম্যাডাম দাড়িয়ে আছে,হাতে একটা লাঠি নিয়ে,,
আমিঃওঠে পড়লাম,
বর্ষাঃআমার দেরি হয়ে যাচ্ছে এখানে তুই.....ঘুমাচ্ছিস,,এটা বলে আরেক টা বারি মারলো,,
আমিঃম্যাডামের দিতে তাকিয়ে রইলাম
ম্যাডামঃআমার দিকে কি তোর,, মেয়ে দেখিস নাই কোন দিন,,
মাত্র ২ মিনিট ম্যাডাম. আমি রেড়ি হচ্ছি,,বলে ২ মিনিটে রেড়ি হয়ে গাড়ির কাছে গেলাম,
ম্যাডামঃআমি এখন অফিসে যাবো...
আমিঃওকে,,বলে গাড়ি চলাতে লাগি,,
ম্যাডাম কে নিয়ে অফিসে গেলাম,
ম্যাডাম নেমে ভিতরে গেলো,,
আমি গাড়ি টা পার্ক করে,, গাড়ির সামনে বসে রইলাম,,
একটা দারোয়ান আমাকে ডাকলো,,
আমিঃজি বলুন,
ম্যাডাম আপনাকে ডাকে,
আমিঃওকে,,,বলে গেলাম ম্যাডাম এর কাছে
আমিঃজি ম্যাম বলুন,,
বর্ষাঃআমার গাড়ির চালক তুই আবার স্ক্রেরেটারি ও, তাহলে তুই আমার এখানে না এসে কই ছিলা,,
আমিঃনা মানে বাইরে ছিলাম,
বর্ষাঃঠাস ঠাস করে দিলো থাপ্পর,,,
আমিঃঅফিসের লোকজন আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আর হাসতাছে,,
বর্ষাঃমনে রাখবি, আমি তোর জম,,, কালকের কথা মনে হলে, তোর ওপর রাগ হয় আমার,,এখন এই যে ফাইল গুলো...আমার আব্বুর কাছে থেকে, সাইন করে নিয়ে আয়,,
আমিঃফাইল গুলো নিয়ে স্যার এর রুমে যাই,,
আসবো স্যার,
স্যারঃতুমি অফিসে,, আবার ফাইল নিয়ে,, কেনো,
আমিঃবর্ষা ম্যাডাম পাঠাইছে,,
স্যারঃওহহ, আসো,,
আমিঃফাইল গুলো স্যার এর হাতে দিলাম স্যার সাইন করে দিলো,
স্যারঃজনি,,,
আমিঃজি স্যার,
স্যারঃআগে যারা আমার মেয়ের, স্ক্রেরেটারি ছিলো,,তারা এতো কাজ দেখে চলে গেছে...এক দিনেই,, তুমি ও কি আবার চলে যাবে নাকি,
আমিঃনা স্যার যাবো না,
স্যারঃতোমার বাবা ও ভালে মানুনুষ ছিলেন....আমার ডাইবার ছিলো..তা এখন তোমার বাবা কেমন আছে,,
আমিঃঅসুস্থ আছে, বেশি ভালো না,,আর ডাক্তার বলেছে অনেব টাকা লাগবে,,
স্যারঃতুমি যদি চলে না যায়, তাহলে তোমার বাবা কে সুস্থ হতে যতো টাকা লাগে আমি দেবো,,
আমিঃওকে স্যার,
স্যারঃযাও,, আর আমার মেয়ের খেয়াল রাখবা সারাদিন শুধু গুরে বেরায়,, পারি না সামলাতে,,
আমিঃজি স্যার,,
স্যারঃওকে যাও তাহলে,
আমিঃস্যার এর কাছ থেকে ম্যাডাম এর কাছে আসি,,
ম্যাডামঃআমার দিকে রাগি ভাবে তাকিয়ে আছে,
আমিঃএই নিন ফাইল,
ম্যাডামঃতোর এতো সময় লাগে......
আমিঃ.........
ম্যাডামঃকথা কস না কেনো,,
আমিঃ....সরি,,
ম্যাডামঃতোকে এখন গায়ে হাত তুললাম না....যা গাড়িতে যা আমি আসতাছি,,
আমিঃওকে,,
গাড়িতে আসি,,
জানিনা কপালে কি আছে,,১ দিন থেকেই আমি শেষ,,
আমার সাথে যা করতাছে সবার সাথে কি এমন করতো,,,।
আমার মরে হয় না এমন করেছে,,দুই একটা দমকে মন হয় চল গেছে
ম্যাডামঃযা বাসার দিকে যা,,
আমিঃবাসার দিকে যাই,,
বাসায় গিয়ে ম্যাডাম চলে গেলো,,
আমিঃরুমে গিয়ে বসা মাত্র
ম্যাড়াম আপনাকে ডাকে,,
আমিঃআসতাছি,,
কেমন ডা লাগে,আমিঃআসবো
বর্ষাঃহ্যা আসেক,,,
আমিঃবলুন,,
বর্ষাঃআমার সাথে সকাল থেকে রাত ১২ টা পযন্ত থাকবি, আমি যেখানে যাই সেখানে তুই, থাকবি,,
আমিঃঠিক আছে,
বর্ষাঃতাহলে তুই তোর রুমে গেলি কেনো,
আমিঃসরি জানতাম না তো,
ম্যাডামঃকাছে আয়,,
আমিঃদিরে দিরে গেলাম,
ম্যাডামঃবস সামনে
আমিঃহুম বলুন,
বর্ষাঃনরবি না,,,, আমি যেটা বলমু তার উত্তর দিবি,,
আমিঃওকে, বলুন,
বর্ষাঃসেদিন আমি যে তোকে গাড়ি দিয়ে শরিরে ময়লা দিয়েছি,,তখন তোর কতোটা রাগ ওঠছিলো,,
আমিঃ...........
বর্ষাঃবল বলছি........
আমিঃঅনেক টা....
বর্ষাঃতাই তো আমাকে থাপ্পর দিছিলি তাই না
আমিঃহুম.......
বর্ষাঃহুম বলার সাথে সাথে
ঠাস, ঠাস, ঠাস ,ঠাস করে আমাকে থাপ্পর দিলো,
বর্ষাঃআমারো এখন অনেক রাগ ওঠছে তোর ওপর, আমাকে না জানিয়ে তোর রুমে গেলি তাই, এই থাপ্পর গুলো দিলাম তোকে,
আমিঃগালে হাত দিয়ে রইলাম,
বর্ষাঃআমাকে থাপ্পর মারস তুই।, বলছিলাম না পরের বার তোর সাথে দেখা হলে কি অবস্থা করি,,,
বর্ষাঃমনে রাখিস তুই তো এখান থেকে চলে যেতে পারবি না আর চলে গেলে, তোর সমস্যা,,
আর,, এক চিমটি ভুল হলে তোকে আমি এমন করে মেরেই যাবো,, কোন ছার পাবি না তুই।
আমিঃওঠে পড়ি,, রুম থেকে বাহির হতে যাবো,,
বর্ষাঃদাড়া
আমিঃদাড়ালাম,
বর্ষাঃআমার কাছে আসলো,,
তোকে মেরে আমার তাও শান্তি হয় না,
আমার প্রথম আঘাত তুই করছিস জিবনে,, কারো হাতে কোন দিন চড় থাপ্পর খাইনি, কিন্তু তুই আমাকে প্রথম ৩ টা থাপ্পর দিছস,
এটার প্রতিশোধ তো এমনন করেই নিবো ১ বছর কি ৫ বছর,
তোর ৩ টা থাপ্পর, এর জন্য তোকে হাজার হাজার থাপ্পর খেতে হবে,,
ঠাস ঠাস,
বর্ষাঃএই ২ টা হলো আমাকে না জানিয়ে ওঠে চলে আসার জন্য,,
ছোটলোক কোথাকার !!
চলবে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now