বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অহংকারী (২য় পার্ট) শেষ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আবির বুকে হাত দিয়ে মিথিলাকে জিজ্ঞাসা করল,কেমন আছ...?? সাথে সাথেই মিথিলা বলে উঠল কি ব্যাপার এত ইনোসেন্ট হলেন কবে থেকে...??দেখলেই তো গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে শুরু করেন। আবিরঃ না মানে!আমি কাল রাতে ভেবেছি আমাদের মাঝে যেন আর ঝগড়া না হয়।এজন্য নিজে থেকেই আপোস করতে চলে এলাম। মিথিলাঃ তাই নাকি! ভালো। বলেই চলে যেতে লাগল। পিছন থেকে আবির ডেকে উঠল মিথিলা!আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। মিথিলাঃ ক্লাস শেষে পারলে শুনব। ঠিক আছে বলে মিথিলার ক্লাসে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে রইল আবির। পিছন থেকে ডেকে উঠল সিহাব। কি ব্যাপার দোস্ত! আজকাল দেখছি ডুবে ডুবে জল খাচ্ছ।তা মেয়ে কি পটেছে...??? আবির বলে উঠল, বলেছিলাম না দোস্ত ঐ মেয়েকে আমি পটাবই। তা এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলবি নাকি ক্লাসে যাবি???? অহ হ্যা চল ক্লাসে। অতঃপর ক্লাস শেষ করে আবির মিথিলাকে ডাকল,এই মিথিলা শোনো! হ্যা বলেন! চল ঐদিক টায়। ঐ গাছটার নিচে বসে কথা বলি। অকে চলুন। গাছের নিচে বসে আবির মিথিলাকে বলল, আমি আসলে তোমাকে এখানে ডেকেছি কিছু কথা বলার জন্য।যা কয়েকদিন ধরেই ভাবছি বলব।বলব বলব করে আর বলা হয়নি। এত ভুমিকা না করে যা বলার তারাতারি বলুন। আবিরঃ হ্যা আমিও চাইনা ভুমিকা করতে তাই যা বলার সরাসরি বলছি। আমার লাইফে আসলে তোমাকে খুব প্রয়োজন।আমি ফিল্মি স্টাইলে পারবনা না পারব কোন কবির রোমান্টিক কবিতার মত তোমায় প্রপোজ করতে শুধু জানি আমি তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। ........ কি ব্যাপার তুমি নিরব কেন??? হ্যা /না একটা তো বল! মিথিলা এবার বলতে শুরু করল,আমি অনেকক্ষণ থেকেই আপনার বকবক সহ্য করছি।আমি আপনার এই কথা জানতে পারলে আপনার সাথে কখনোই এখানে আসতাম না। আর হ্যা আরেকটা কথা শুনুন।আমি আপনাকে কখনোই ভালোবাসতে পারবনা।আপনার মত গেঁয়ো ভুতকে আমার একদম অসহ্য লাগে।কি আছে আপনার??? আমার সাথে লাইন মারতে এসেছেন আমার ব্যাকগ্রাউন্ড দেখেছেন? তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন??? নিজের লেভেলের একটা মেয়ের সাথে লাইন মারুন তাতেই আপনাকে ভালো মানাবে। আপনার এই মুখটা আমাকে আর দেখাবেন না আশা করি। আবিরঃ তোমার অনেক ধন দৌলত।বাড়ি-গাড়ি,সব কিছুই আছে তোমার। কিন্তু একটা জিনিষ এর অভাব আর তা হল সুন্দর একটা মন। ভালো সবাইকে বাসা যায়না।আর ভালোবাসলে তার থেকে দুরে থাকা যায়না।কিন্তু তুমি যখন আমাকে সহ্যই করতে পারনা তবে কথা দিচ্ছি আর কখনো তোমার সামনে আসব না। ভালো থাকুক তোমার অহংকার। বলেই অনেক কষ্ট ভরা মুখ নিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে চলে গেল আবির। আর এদিকে মিথিলা কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারলনা। এরপর আর কয়েকদিন আবিরকে ভার্সিটির ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি।আবিরকে না দেখে মিথিলা একটু চিন্তিত হয়ে পড়ে।মনে মনে ভাবে কোন অঘটন ঘটেনি তো। রাতে আবিরকে নিয়ে অনেক ভাবে মিথিলা।নিজেকে এই মুহূর্তে অনেক ছোট মনে হচ্ছে।আমার জন্য একটা ছেলে ভার্সিটি আসা বন্ধ করে দিবে!নাহ আর ভাবতে পারছেনা মিথিলা।কালই ওকে স্যরি বলতে হবে।কিন্তু ওকে পাব কোথায়? ও তো ভার্সিটি আসেনা।তাহলে কি করা যায়??অনেক ভেবে একটা আইডিয়া বের করে মিথিলা। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে মিথিলা ভার্সিটি যায়।গিয়েই সিহাবের কাছে আবিরের ফোন নম্বর নেয়। রাতে মিথিলা আবিরকে ফোন দেয়।কয়েকবার রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে বলছে হ্যালো!কে বলছেন?? আমি!মিথিলা। আবিরঃ অহ! আপনি। কি মনে করে??? মিথিলাঃ চুপ কর! ভার্সিটি আসিস না কেন??? কালকে যদি ভার্সিটি না দেখি তাহলে পা ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দেব। আবিরকে কিছু বলতে না দিয়ে ফোন কেটে দেয় মিথিলা। মুচকি মুচকি হাসছে মিথিলা। বাধ্য ছেলের মত সকালে ভার্সিটি যায় আবির।গিয়েই দেখে মিথিলা চোখ বড় বড় করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।ভয় পেয়ে দৌড় দিবে সে সময় মিথিলা হাত ধরে ফেলে। এই ছেলে কোথায় যাচ্ছিস?? আবিরঃ আপ্নি যেভাবে তাকিয়ে আছেন মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে আমাকে গিলে খাবেন.... মিথিলাঃ চুপ কর।আর শোনো আমাকে আর এখন থেকে আপনি করে বলবে না বুঝেছ...?তুমি করে বলবে। আবির বাধ্য ছেলের মত জবাব দিল জ্বি আচ্ছা। আবির তুমি আসলে আমাকে আমার ভুল টা ধরিয়ে দিয়েছ।আমি অর্থের মাঝে থেকে নিজের মনুষ্যত্ব টাকেই হারিয়ে ফেলেছিলাম।কিন্তু তুমি আমার চোখে আঙ্গুল দিয়ে তা ধরিয়ে দিয়েছ।এই কয়টা দিন আমি তোমাকে এতটা মিস করেছি যা তোমাকে ভাষায় বুঝাতে পারবনা। আবির এবার রসিকতা করে বলল তাই নাকি??? মিথিলা রাগের ভাব করে বলল হ্য তাই!কিন্তু তিনটা কথা এখনো বাকি আছে। আবির না বুঝার ভান করে বলল কোন তিনটা? আবির ভালো হবেনা বলে দিচ্ছি, তুমি বলবে??? আরে আরে রাগ করছ কেন বলছি তো। তারাতারি বল। ভালোবাসি..... মিথিলা চোখ রাঙিয়ে আবিরের দিকে তাকিয়ে আবার একটু মুচকি হেসে বলল.... আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি বুদ্ধু। The End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অহংকারী (২য় পার্ট) শেষ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now