বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অফলাইনের ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X নিরব যখন, সিগারেট খাওয়া, আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিল, ঠিক তখন তার এই ব্যস্ততাকে কমিয়ে দেওয়ার জন্য, তার জিবনে চলে আসে একটি মেয়ে,,,নাম ইরা, দেখতে সুন্দর, কিন্তু বদের হাড্ডি, সারাহ্মন শুধু নিরবের পিছে লেগে থাকে, নিরব ছেলেটা ভদ্র হলেও সিগারেট খাওয়াকেই সে জিবনের একটা আর্ট বলে ধরে নিয়েছে, কারন এটা কেউ করতে পারে না, কারন এটার পিছনে সবার কোন না কোন কারন থাকেই,,, কিন্তু নিরবের কোন কারন নেই, তাই সে নিজেকে মহাপুরুষ বলে মনে করে,,, নিরব আর নিরবের বন্ধু সিয়াম দুজন এক সাথে বসে আনমনে সিগারেট খাচ্ছে, দেখে মনে হচ্ছে তাদের মত সুখি মানূষ এই পৃথিবীতে নেই, অবশ্য সিয়ামের সিগারেট খাওয়ার একটা কারন আছে, সে কিছুদিন আগে একটা সেকা খেয়েছে, তারপর থেকে তার নিকোটিন খাওয়া শুরু, মেয়েটাকে বড্ড ভালোবাসত সিয়াম, কিন্তু মেয়েটা তার ভালোবাসা না বুঝে চলে গেছে, এতে সিয়ামের কোন দুঃখ নেই, কারণ সে,ইভাকে হারিয়ে নিকোটিন এর মত বন্ধু পেয়েছে,যা মৃত্যুর আগ পযন্ত ধরে রাখবে, সিয়ামকে,,,, তাদের স্বর্গ থেকে নামিয়ে, ইরা হাজির,,,, এই যে আপনাকে কতবার বারন করছি না যে আপনি সিগারেট খাবেন না? নিরব পিছনে তাকিয়ে দেখে ইরা চোখ মুখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে তার দিকে! কেন ইরা তোমার প্রবলেম কি??? শুনুন আপনাকে এখনও বলছি এর আগেও বলছি আমি আপনাকে ভালোবাশি, শোন ইরা, মহাপুরুষ দের জিবনে কোন প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু নেই, আমি মহাপুরুষ তাই আমি আপনার সাথে প্রেম ভালোবাসা কিছুই করতে পারব না, কি আপনি মহাপুরুষ??? আন্টিকে বলে আপনার সিগারেট খেয়ে মহাপুরুষ হওয়া বের করছি, বলেই চলে গেল,ইরা আমাদের পাশের ফ্লাটেই থাকে ইরা, আমাদের বাসায় প্রতিদিন কমপক্ষে দশবার আসে মেয়েটা, আম্মুর সাথে প্রতিদিন এত কি কথা বলে নিজেই বুঝতে পারি না, বরই অদ্ভুদ ব্যপার, বাসায় চলে আসলাম, কি জানি আম্মুকে কি বলে আবার ধোলাই খাওয়াবে, আম্মু কিছুই বলছে না, আম্মুর মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করছি, কিরে এমন করে তাকিয়ে আছিস কেন? না আম্মু এমনি, ইরা তোমাকে কিছু বলেছে? কই না তো! কিছু বলার কথা আছে নাকি, ? আরে না, ও আবার কি বলবে, পাগল মেয়ে একটা! তুই যাই বলিস মেয়েটা কিন্তু খুব ভালো, বাসায় একা একা থাকি, মেয়েটা এসে গল্প করে সময় পার করে দেয়? ভালো না ছাই, আমার জানি ও কেমন মেয়ে বদের হাড্ডি একটা ,,, তুমি তো সবই জান, তুমি তো মহা পুরুষ? আয় ভাত খাবি,, হুম চলো! খাওয়া দাওয়া করে, শুয়ে শুয়ে গল্পের বই পরছি, এটাও আমার জিবনের একটা অংশ, রাত ভরে গল্পের বই পড়া, বই পড়তে আমার খুব ভালো লাগে, তবে, কলেজের বই না, গল্পের বই, এতে অনেক কিছু শেখা যায়, যেমন আমি মহাপুরুষ, হবার এই আইডিয়া টা আমি হুমায়ন আহম্মেদ এর হিমু বই থেকে পেয়েছি, যেটার চেষ্টায় এখন ব্যাস্ত আছি, মোবাইল টা বারবার শব্দ করে কেপে উঠছে, ওদিকে আমার কোন মন নেই, কারন আমি যখন যেটা করি সেটা মনযোগ সহকারেই করি, যেমন এখন বই পড়ছি, কিন্তু বারবার মনযোগ নষ্ট করে দিচ্ছে এই মোবাইল, বিরক্ত হয়ে, মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি, ইরা,, বারবার মিস কল দিচ্ছে, এটা ছাড়া আর মেয়েরা বা পারেই কি, যদি পৃথিবীর মধ্যে মিসকল নিয়ে গবেষণা করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের মেয়েরা থাকবে এক নাম্বারে, এতে বাংলাদেশের কতটা মানহানি হবে ধারনা করা যায়? এটা মেয়েরা বুঝবে না, তাদের টাকা বাচলেই হলো, দেশের যা হবার হোক এনিয়ে তাদের কোন মাথাব্যথা নেই, নিরুপায় হয়ে ফোন দিলাম, (নাই ঢুকতে রিসিভ হলো) হ্যালো, কেমন আছ নিরব? ভালো নেই, কেন? আগে বলো তুমি এতোবার মিসকল দিচ্ছো কেন ? কেন আবার তোমার সাথে কথা বলার জন্য, আকাশে কত সুন্দর চাদ উঠেছে দেখছো,(মায়াবি শুরে) কই না তো দেখিনি, আর চাদ তো সুন্দরই হবে, এটা আবার দেখার কি আছে? দেখার কি আছে মানে? তুমি না আসলেই আনরোমান্টিক, হ্ম্যাত, তোমার সাথে আমার প্রেম করাই ভূল হয়েছে, স্টুপিড তেলাপোকা! কি, আমি তো তোমার সাথে প্রেম করি না, বল্লেই হলো নাকি? তোমাকে আমি ছারছি না, তোমাকে তো আমার সাথেই প্রেম করতে হবে, মিঃ নিরব না করলে? কি করবে? কি আবার করবো, আমার ভাইকে দিয়ে আচ্ছামত ধোলাই খাওয়াবো,? (কি সাংঘার্তিক মেয়েরে বাবা) ইরা আসলে আমি তো একজনকে ভালোবাসি, তাকে ছাড়া বাচবো না, এখন কি করবো বলো তো? (বাচার জন্য) আমি জানি নিরব তুমি কাউকে ভালোবাস না, ? কে বলেছে তোমায়? কে আবার তোমার আম্মু বলেছে, আর এটাও বলেছে তোমাকে একটা মেয়ে ক্লাস থ্রিতে চড় মেরেছিল, তুমি নাকি, থ্রিতে পড়ে ক্লাস ফাইভ এর মেয়ের প্রেমে পরেছিলে? তাই? এটাও বলেছে??? হুম! আর কি কি বলেছে? আরো অনেক কিছু বলেছে? বাট তোমাকে বলতে নিষেধ করছে? কেন??? সেটা তুমি তোমার আম্মুর কাছে শুনো,,। আচ্ছা, রাখি তাহলে, ? কেন, রাখবে কেন? তো কি করবো? (রাগি কন্ঠে বল্লাম ) আমার সাথে সারারাত কথা বলতে হবে তাছাড়া তোমার আম্মুকে বলে দেব, তুমি আমাকে ডিষ্টাব কর! হোয়াট, কখন তোমাকে ডিষ্টাব করলাম? এখনো করো নি, তবে আমি মিথ্যা বলতে ভালো পারি, বানিয়ে বানিয়ে বলে দেব! কি??? হুম, একটু ছাদে আছো তো? কেন, আমি আসতে বলছি তাই, ব্লাকমিল করছ? হুম, ভালোবাসার জন্য সব করা যায়, ,, কোন উপায় না পেয়ে ছাদে চলে আসলাম, আসলেই আজকের আকাশ টা খুব সুন্দর, লহ্ম তারার ঝিকিমিকি আলো, আর মাঝখানে, খুব সুন্দর একটি মায়াবি চাদ,,,,দেখতে অসাধারন লাগছে, ইরা দেখলাম তাদের ছাদে হাটছে আর কথা বলছে, নিশ্চয় মুখ বাকিয়ে বাকিয়ে কথা বলছে, এটা তার এক্সটা ভাব বলা যায়, আমি ছাদের এক কোনে গিয়ে বসলাম। বসে কথা বলছি, অনেক ভালো লাগছে, এভাবে প্রতিদিন কথা বলতে বলতে, প্রায় মাস কেটে গেল, অনেক ভালো লাগা শুরু হলো তার উপর, কিন্তু এখনো বলি নাই, এমন কি তাকে বুঝতেও দেই নি, আমার ভালোবাসার কথা, প্রতিদিনের মত, আজকেও, ইরাকে ফোন দিচ্ছি কিন্তু, ইরার ফোনটা অফ, , আজকে সারাদিনে একবার দেখিনি তাকে, বড্ড বেশি টেনশন হচ্ছে, কিছু হলো না তো মেয়েটার??? সারাদিনের টেনশন রাতে এসে ভর করছে, রাত নয়টা, ইরার ফোন এখনো অফ, ছাদের এক কোনে বসে সিগারেট খাচ্ছি, অনেকগুলো সিগারেট শেষ, টেনশন একটুও দুর হয় নি? , কে যেন বলেছিল সিগারেট খেলে টেনশন দুর হয়, আসলে কি এটা সত্তি??? রাত এগারটা, চোখে ঘুম নেই, এর কারন ও ইরা, মেয়েটার সাথে রাত ভোরে কথা বলতে বলতে অভ্যাস হয়ে গেছে, আবার ফোন দিলাম, এবার ফোন যাচ্ছে, কিন্ত রিসিভ হচ্ছে মনের টেনশন আরো বেড়ে গেল, আবার দিলাম, এবার রিসিভ হলো,, ওপাশ থেকে, কি ব্যাপার নিরব এতোবার ফোন এস এম এস দেওয়ার মানে কি?? তুমি তো বলে দিয়েছ তুমি আমাকে ভালোবাস না, তা হলে, নিরব এবার আর কান্না চেপে রাখতে পারল না, কান্না করতে করতে বল্ল,, কে বলেছে আমি তোমাকে ভালোবাসি না, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, আজকে সারাদিনে আমি বুঝতে পেরেছি আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি,,, এই, তুমি না ছেলে মানূষ, মহাপুরুষ তো কাদছো কেন, চাই না আমি মহা পূরুষ হতে, আমি সুধু তোমার ভালোবাসা চাই,,, ওলে বাবালে, এতো ভালোবাসা কই পাবো, তোমার জন্য, যেটুকু আছে সেটুকু দিলেই চলবে,,,, দেবে তো আমাকে, হুম, তোমার জন্যই তো গুছিয়ে রেখেছি, তোমাকে দেবো বলে,,,,কোন এক পৃর্নিমার চাদের আলো ভরা, নির্জন কোন এক রাতে। সমাপ্ত আবার চলতে শুরু করল, তাদের অফলাইনের কথা!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অফলাইনের ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now