বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটা আমার এক বড় ভাই থেকে শুনা।তিনি তখন HSC দিবেন।তাই তিনি ঢাকায় থাকেন।তিনি এক ম্যাসে থাকতেন।ম্যাসে এক বুয়া থাকত।বয়স ৫০ হবে।বুয়া ম্যাসে রান্না করত।বুয়াটা খুব ভালো ছিল।সময় মতো আসত কাজ করে চলে যেত।কোনো দিন আবার ম্যাসের মানুষেন কাপড় ধুয়ে দিত।একদিন রাতে বুয়া রান্না করতে আসে নি।কারণ তিনি খুব অসুস্থ।তাই আমার ভাইয়াকে রাতে না খেয়ে থাকতে হবে।তিনি তখন বাইরে থেকে খেয়ে আসল।পরদিন তিনি বুয়কর বাসায় গিয়ে দেখেন বুয়া কালরাতে মারা গেছেন।ভাইয়া কান্নাকাটি করে বুয়ার দাফন কাজ সমপন্ন করেন।এই রাতেও তিনি বাইরে থেকে খেয়ে আসেন।যখন তিনি বাসায় ঢুকেন।তখন তিনি কিছুক্ষণ পর শুনতে পান কে যেন রান্না ঘরে পেয়াজঁ কাটছে এমন একটা শব্দ।তিনি ভয় পেয়ে যান। কারণ তিনি ছাড়া আজকে ম্যাসে আর কেউ নেই।তিনি ভয়ে ভয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করেন।তিনি দেখেন পেয়াজঁটি এমনেই দা উপর বসে কাটছে।মনে হয় কে যেন বসে পেয়াজঁ কাটছে।কিন্ত তাকে দেখা যায় না।তিনি দেখেন পেয়াজ কাটা হলে একটি ডিম কে যেন ভেঙে ডিম ভাজি করছে।তিনি ভয়ে নড়তে পারছেন না।তিনি আর দেখেন ডিম ভাজা শেষ হলে দরজাটা এমনিই খুলে গেল।যেন কেউ দরজা খুলে বাইরে যাচ্ছেন।তিনি অজ্ঞান হয়ে গেলেন। পরদিন যখন সবাই দরজা ধাক্কা দিচ্ছে কিন্ত কেউ খুলছে না।তখন ম্যাসের কয়েকজন দরজা ভেঙে রুমে প্রবেশ করে দেখে তিনি অজ্ঞান।তার যখন জ্ঞান ফিরল। তখন সবাই তাকে জিজ্ঞাসা করল কি হয়েছে? তিনি সব খুলে বললেন।তিনি ভাবলেন না দেখা মানুষটিই বোধ হয় তার বুয়া খালা।মারা যাবার পরও তার এই অভ্যাস যায়নি। আমি এর উত্তর আজও আমাকে অবাক করে।আপনাদের জানা থাকলে লিখবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now