বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ব্যোমকেশ বিরক্ত স্বরে বলিল, ‘মাপ করবেন বিজয়বাবু্, আপনি এ মামলার কিছুই বুঝতে পারেননি।’
ভ্রূকুটি করিয়া বিজয়বাবু বলিলেন, ‘তার মানে?’
ব্যোমকেশ বলিল, ‘মানে পরে বলব। আগে আপনি আমার কয়েকটা প্রশ্নের জবাব দিন দেখি।–যে ছুরি দিয়ে খুন হয়েছিল সেটা পাওয়া গেছে কি?’
‘না। তপন সেটা নিয়ে পালিয়েছে।’
‘তপনের বাড়ি তল্লাশ করে কিছু পেয়েছেন?’
‘না, এমন কিছু পাইনি যাতে হদিস পাওয়া যায়। তবে সিন্দুকটা এখনো খোলা হয়নি, তার চাবি তপনের কাছে।’
‘শান্তাকে জেরা করে কিছু পেয়েছেন?’
‘কাজের কথা কিছু পাইনি। মাস চারেক আগে ওদের বিয়ে হয়েছে; স্বামীর কাজকর্মের কথা শান্তা কিছুই জানে না।’
‘আমি কিন্তু সব জানি। কে খুন করেছে জানি, এমন কি আসামী কোথায় আছে তাও জানি—’
বিজয়বাবু লাফাইয়া উঠিলেন, ‘জানেন তবে এতক্ষণ বলেননি কেন?’
ব্যোমকেশ হাসিল, ‘সময় হলেই বলব। তার আগে আমি তপনের বাসাটা একবার ঘুরে ফিরে দেখতে চাই। আর শান্তাকে কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই। আপনি অবশ্য তাকে যথেষ্ট জেরা করেছেন এবং সন্তোষজনক উত্তরও পেয়েছেন। আমি কেবল দুচারটে প্রশ্ন করব।’
বিজয়বাবু বলিলেন, ‘তা বেশ। কিন্তু আসামী–’
‘আসামীকেও পাবেন।’
‘পারবেন। আগে চলুন ওই বাড়িতে। আসামীকে ধরার জন্যে প্রস্তুত থাকবেন।’
‘তার মানে-আপনি বলতে চান তপন সেন বাসায় ফিরে আসবে, কিম্বা বাসাতেই লুকিয়ে আছে–?’
‘আসুন আসুন—’ ব্যোমকেশ অগ্রগামী হইয়া সিঁড়ির দিকে চলিল, চিন্তামণিবাবুর দ্বারের সম্মুখে দাঁড়াইয়া বলিল, ‘চিন্তামণিবাবু্, আপনি নিৰ্ভয়ে থাকুন। আমরা একবার ও বাড়িতে যাচ্ছি, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই খুনের কিনারা হয়ে যাবে।’
তারপর আমরা সিঁড়ি দিয়ে নামিয়া গেলাম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now