বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অদ্ভুত দেখা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Anahita Anjin (০ পয়েন্ট)

X অদ্ভুত দেখা Episode 2 Writer gjrimrose (Me) খেয়ে ছাদে গেলাম.... বসে আছি কেমন যেন অস্থির লাগছে আম্মু কি বলে থেমে গেল???????? রিং রিং রিং ???? কে ফোন দিল আবার........ রাফী A— হ্যা রাফি কেমন আছিস? R— আলহামদুলিল্লাহ ভালো, তুই কেমন আছিস? বাড়িতে গিয়ে কি ভুলে গেলি আমাকে?? A — আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, আরে না ভুলব কেনো?এখানে গ্রামে তো নেট problem Online আসতে পারিনা তেমন। রাফির সাথে কথা বলতে বলতে হঠাৎ নিচে তাকিয়ে দেখি একটা দবদবে সাদা বিড়াল, চোখের মণি গাঢ় নীল।আমার দিকে তাকিয়ে আছে R— কি হলো চুপ কেনো? A— না কিছুনা আমি free হয়ে তোকে ফোন করব... R— Ok. এই বিড়াল আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেনো ???? কালকে রাতে কি এই বিড়ালটাই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে ছিলো ???? দেখিতো একটু নিচে গিয়ে........ সিড়ি থেকে নামতেই দেখি আমার কাকাতো ভাই বোন ঘিরে ধরলো। আমাকে চিন্তিত দেখে জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে?? A— আমি ছাদে বসে ছিলাম একটা সাদা কিউট বিড়াল আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। একদম সাদা আর চোখের মণি নীল। তিসা : কই আমরাতো এই মাত্র এখানে থেকেই আসলাম কোথাও তো কোনো বিড়াল দেখলাম না আর তুই যে রকম বিড়ালের কথা বলছিস এই রকম বিড়াল এই গ্রামে আমি কখনো দেখিনি। আমি ওর কথা শুনে বাহিরে যেয়ে দেখি বিড়ালটি নেই চলে গিয়েছে। তিসা : চল চল আমরা সবাই ছাদে যাই আয়ান চল আয়ান : ওকে। সবাই ছাদে বসে গল্প করছি। ওরা ঠিক করল বিকাল বেলা একসাথে ঘুরতে যাবে। আয়ান : এই শোন রিসাদ আর সিহাব কে ফোন দিচ্ছি ওরা যাবে কিনা...... ???? এই রিসাদ কেমন আছিস? রিসাদ : হ্যা ভালো আছি, তুই কেমন আছিস?? আয়ান: হ্যা ভালো আছি, এই শোন আমি বাড়িতে এসেছি আমরা ঠিক করেছি বিকেলে ঘুরতে যাবো। তুই কি যাবি আমাদের সাথে?? রিসাদ : হ্যা অবশ্যই অনেক দিন তোকে দেখিনি.. কোন সময় আসব? আয়ান : বিকেল ৪ টায় আর হ্যা সিহাবকেও সাথে নিয়ে আসিস। রিসাদ : আচ্ছা আমি ওকে বলে দিচ্ছি ৪ টায় দেখা হবে। ওরা আমাদের সাথে যাচ্ছে ৪ টায় যাব। সবাই যার যার বাসায় গেলো। আমি বাসায় এসে গোসল করে দুপুরে খাবার খেয়ে শুয়ে আছি। এই যায়ান শোন............ Z: হ্যা ভাইয়া বলো। A : আজকে সবাই মিলে একটু ঘুরতে যাব ৪ টায় ready হয়ে থাকিস আর আম্মুকে বলে দিস যে বেশি দূর যাবো না । এখন একটু ঘুমাবো আমাকে উঠিয়ে দিস। এই ভাইয়া ৪ টা বেজেছে প্রায় উঠতে হবে নাকি..... ঘুম ঘুম চোখে......... ৪ টা বেজে গিয়েছে?? যায়ান : ৪ টা বাজতে ২০ মিনিট বাকি আছে। আয়ান : ওহ তুই যা ready হয়ে নে আমি ready হয়ে নিচ্ছি। যায়ান : ওকে ভাইয়া। ৪ টা বাজতেই সবাই চলে আসল সবাই এক সাথে বের হলাম। ঘুরতে ঘুরতে ঐ পরিত্যক্ত বাড়িটির কাছে এসে পড়েছি। আয়ান : চলনা সবাই বাড়িটির ভিতরে যাই। আমরা ছিলাম ৮ জন কাকাতো ভাই আরিফ ও আলিফ, কাকাতো বোন তিসা ও তুনা, রিসাদ আর শিহাব ছোট বেলার বন্ধু, আমি আর যায়ান। ওরা সবাই মনে মনে ভয় পেলেও প্রকাশ করল না কিন্তু সিহাব আর তুনা তুতলে তুতলে বলছে যেয়ে কি লাভ?শুনেছি গ্রামের কত মানুষ এই বাড়িটি নিয়ে কত সত কথা না না যাবো না ,, আয়ান : এ-ই ভীতুর ডিম ২ টা ভয় পাচ্ছিস কেনো?? সিহাব :শুনেছি রাতে এখানে কেউ আসলে পথ দিয়ে কান্নার আওয়াজ শোনে, পিছেনে পিছনে কেউ হাটে আমি আর বলতে পারছিনা ভয় লাগছে খুব। আয়ান: দেখ আমরা এখানে ৮ জন ভয়ের কিছুই নেই। সবাই এক সাথে থাকলে কোনো কিছুই ভয় দেখাতে পারেনা। চল বাড়িটার ভেতরে যাই কিন্তু একটা কথা আমরা যে এখানে এসেছি আমরা ৮ জন ছাড়া আর কেউ না জানে ???? তিসা: ওকে ওকে কাকিয়া কিছু জানতে পারবে না ???????? আয়ান: ইয়ে মানে হ্যা আম্মু যেনো কিছু না জানতে পারে ???? এখন কি আনজ্বীনের দেখা পাবো (মনে মনে) চল ভিতরে যাওয়া যাক। বাড়িটির ভিতরে যেয়ে দেখি কালো গোলাপটি নেই । অন্য কেউ নাকি আনজ্বীন ছিড়ে নিয়েছে ????????পুকুর ঘাটে সবাই গল্প করছি। হঠাৎ বাড়িটির ভিতর থেকে মিউ মিউ ডাকছে। বাড়ির উপর তলা কাচের জানাল দিয়ে দেখলাম সেই সাদা বিড়ালটি আমার দিকে তাকিয়ে আছে। এই দেখ তোরা এ-ই বিড়ালটিকেই দেখে ছিলাম তখন। আর জানিস রাতে কিছু একটা ঝাপিয়ে পড়েছিল বিড়ালের মতই অন্ধকারে দেখতে পাইনি কিছু আমার মনে হয় এ-ই বিড়ালটিই হবে। (নুপরের আওয়াজের কথা বলব না থাক ওরা যদি ভয় পেয়ে বাসায় যেতে চায়.... কিছু একটা রহস্য আছে আমাকে জানতে হবে। রহস্যটা জানার জন্য আমাকে এ-ই বাড়িটার ভেতরে যেতে হবে।) →মনে মনে যায়ান : তুমি আগে বললে না কেন?? আয়ান : এই সামান্য এইটুকু কি বলব কিন্তু আম্মু তো জানিসই এ-ই সামান্য কারন নিয়েও কতো চিন্তা করে। কেনো জানিনা আমাকে নিয়ে কিসের এতো চিন্তা?? এই চল না বাড়িটার ভেতরে যাই দেখি বাড়িটি কি রকম কি রহস্য?? সিহাব: পাগল হলে নাকিরে তুই? এই ভুতের বাড়িটির ভিতরে যাবি ..... তুনা : হ্যা রে ভাইয়া কি বলছিস এইগুলা আর কি করেই বা যাবো তালা দেয়া দেখোনা?? আয়ান : আরে বুদ্ধ তালা ভেঙে যাব। তোরা কি যাবি??? আরিফ : যেয়ে কি লাভ হবে? কি করব যেয়ে?? আলিফ : হ্যা ভাইয়া ঠিক বলছে যেয়ে কি হবে?? আয়ান : আমার জন্য যাবি কি যাবিনা বল ???? রিসাদ : তুই যখন বলছিস চল। আমারও ইচ্ছে ছিল এ-ই বাড়িটির ভিতরে দেখার। আয়ান : এ-ই না হলো আমার বন্ধু ???????? তিসা : আচ্ছা তাইলে তালা টা ভেঙে ফেলি এখনি। এই যায়ান কাকিয়া কে কিচ্ছু বলবি না। যায়ান : আচ্ছা আপু। একটা ইট দিয়ে তালা ভাঙা হয়। দরজা খুলতেই ধোঁয়া ধোয়া গ্যাস বের হয়ে গেলো। অনেক বছর পর এ-ই তালাটি খোলা হয়। সবাই ভিতরে এসে চারিদিক দেখতে লাগলো । জানালা গুলো কাচের তাই পর্দা সরিয়ে দিলাম। দিনের আলোতে সব দেখা যাচ্ছে। বাড়িটা দুই তলা নিচ তলায় খাবার রুম, রান্না ঘর,বাথরুম । আয়ান : চলো উপরে যাই সবাই। এখানে একটা বেডরুম। এ-ই সেই বিড়ালটি কোথায় গেলো?? যায়ান : আমাদের টের পেয়ে মনে হয় চলে গিয়েছে.... আয়ান : Hmm... কথা বলতে বলতে চোখ পড়ে দেয়ালে বড় দুইটা ছবির উপর। একজন মহিলা আর একজন পুরুষ। উপরের তলার কাচের জানালা বেশ বড় হওয়ায় সব কিছুই পরিস্কার দেখা যাচ্ছিল। আয়ান : দেখো সবাই ছবি দুইটা। এক সময় তারাই থাকত। সিহাব : আমার দাদুর কাছে শুনেছিলাম ২০ বছর এই গ্রামে একজন পুরুষ ও মহিলা এসেছিল তারা স্বামি-স্রী ছিলেন। তোর দাদু এই বাড়িটি তাদের কাছে বিক্রি করেছিল। আয়ান : কি আমার দাদু? এই বাড়িটি দাদুর ছিল কই কোনো দিন শুনেনি তো?? সিহাব : জানার চেষ্টা করিসনি আর তুই তো গ্রামে থাকিসনা আর তোরা জমিদারি বাড়িটি ছিল তোদের স্বাভাবিক। তারা দুইজন যে কোথায় চলে যায় তা কেউ জানেনা।সবার অজানাই থেকে যায়। এই টুকুই শুনেছিলাম তার আগে পিছনে জানিনা। কিন্তু এই বাড়িটি থেকে তো তারা চলে যায় তাহলে ভুতের হলো কেনো কি রহস্য জানিনা। আয়ান : ছবি ২ টার নিচে ছোট করে লেখা হ্যাজেল And ইলেনা। যায়ান : ইলেনা!! এই নামটা আমি শুনেছি মনে পড়ছে না। আয়ান : তুই কি করে আগে থেকে শুনবি?? ???? তিসা: হ্যা হ্যা আমিও এই ইলেনা নামটা শুনেছি যখন ছোট ছিলাম কাকিয়ার মুখে কয়েকবার। শুধু এই টুকুই মনে আছে যে কাকিয়া বলছিলো ঐ ইলেনা আমার কাছ থেকে কেড়ে নিবে just এই টুকুই। যায়ান : হ্যা মনে পড়েছে আম্মু আব্বু একদিন কথা বলছিল আব্বু বলেছিল ঐ ইলেনা এখন কিছুই করতে পারবে না। আমার একটু অদ্ভুত লেগেছিল। আয়ান : কি বলছিস এইগুলা?? তাহলে কি বাড়িটির রহস্য আম্মু আব্বু জানে?? আর কি কেড়ে নিবে আম্মুর কাছ থেকে??? রহস্য আর রহস্য ???????? যায়ান : আজকেই আম্মুকে জিজ্ঞেস করব। আয়ান : না না এতো আগেনা আম্মু কিছুই বলবেনা উল্টে আমাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিবে। ইসসস দাদু যদি বেচে থাকতো তা হলে কতো সহজেই জানা যেতো ???????? [কি এই রহস্য কে এই ইলেনা?? গল্পটি ভালো লাগলে সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করুন। এতে গল্প লিখতে উৎসাহ পাই। ]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অদ্ভুত দেখা
→ অদ্ভুতদেখা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now