বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অদ্ভুত বিয়ে..অতঃপর ভালবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Parves khan(guest) (০ পয়েন্ট)

X সানি সানি উট বাবা অফিস যাবিনা কটা বাজে খেয়াল আছে...? হুম বাবা উঠছি কয়টা বাজে....? ৮:৩০বাজে তাড়াতাড়ি উঠ...! কি.....?৮:৩০বাজে আগে বলবা ত কতদিন বলছি সকাল সকাল ডাকতে আমাকে...! যা এখন ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে আয়। তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে কোন রকম নাস্তা করে আফিস চাললাম, পিছন থেকে বাবা বলছে সাবধানে যাস। ও এখন আপনাদে আমার পরিচয় দেই। আমি সানি। একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব ককরি। যার সাথে কথা হচ্ছিল উনি আমার বাবা। আমার বাবাই আমার কাছে সব জন্মের পরেই আমার মা মারা যাই, তার পর থেকে বাবাই আমাকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছে। বাবার কথা ভাবতে ভাবতে বাসাই চলে আসলাম। বাসাই সুয়ে সুয়ে অফিসের কাজ করছি তখনি বাবা রুমে আসলো। বাবা: কিরে কি করিস..? সানি: এইতো বাবা একটু কাজ করছি, কিছ বলবে...? বাবা: হুম ভাবছি তুই বড় হয়েছিস চাকরিও করিস এখন তর বিয়ে দেয়া দরকার। সানি: বাবা আমি এখন বিয়েটিয়ে করতে পারবনা! সবে মাত্র চাকরি পেয়েছি আগে নিজের পায়ে দারাই তারপর বিয়ে। বাবা: আমি কিছু জানিনা, বিয়ে তকে করতেই হবে আমি বুরো হয়েছি মারার আগে তর বউটাকে দেখে যাওয়া হবে না মনে হই আমার। সানি: তুমার যা ইচ্ছা কর তাও মরার কথা বলবা না। বাবা: তাহলে আমি মেয়ে দেখছি। সানি: ঠিক আছে দেখো। এভাবে আরো কিছু দিন কেটে গেলো ভালোই চলছিল।বারান্দাই দারিয়ে কফি খাচ্চি। সরি কফিত আর খাওয়া যাই না পাণ করছিলাম আর প্রকৃতি দেখছিলাম ,তখনি বাবার আগমন। বাবা: কিরে কি হয়েছে এভাবে দারিয়ে আছিস কেন...? আমি: কিছু না বাবা এমনি। বাবা: ও কালতো তর অফিস বন্দ কাল তকে নিয়ে এক জাইগা যাব। সানি: কোথায় বাবা..? বাবা: গেলেই দেখতে পারবি।এইটা বলেই বাবা চলে গেল! আমিও রাতের খাবার খেয়ে গুমিয়ে পরলাম। সকালে বাবার ডাকে গুম ভাংল ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে গেলাম বাবা বল্ল নাস্তা করে রেডি হয়েনে।এক্টুপর আমারা বের হব। রেডিহয়ে বাবার সাথে বের হলাম একটা মিস্টির দোকানে যেতে বল্ল বাবা। আমি গাড়ি মিষ্টির দোকানের সামনে দার করিয়ে কিছু মিস্টি কিনে আবার রওনা দিলাম। সানি: আমরা কোথায় যাচ্ছি বাবা...? বাবা: গেলেই দেকতে পারবি। আমি আর কিছু না বলে চুপচাপ গাড়ি চালাতে লাগলাম। একটা বাড়ির সামনে গাড়ি দার করতে বল্ল বাবা আমি গাড়ি পারকিং করে বিতরে ডুকলাম। ডুকেই পুরা ৪৪০ ভোল্টের একটা সখ খেলাম,এটা ইকবাল আনকেলের বাসা আগে আমরা পাশা পাশী বাসায় থাকতাম অনার একটা মেয়ে আছে।আমি এখন বুজলাম বাবা অই মেয়েকে দেখতে আসছে। আনকেলের কথায় আমার গোর কাটলো আনকেল: কেমন আছো বাবা..? সানি: জি ভাল। আপনি? আনকেল: এইতো আছি কোনরকম। এরমাজে কাকিমা নাস্তা দিল নাস্তা করতে করতেই বাবা বল্ল মামনিকে দেখছিনাজে বাসাই নাই নাকি....? তখনি আন্টি মাইসাকে নিয়ে আসলো। ও উনার মেয়ের নাম মাইসা। আমিতো দেখে ক্রাশ খাইয়ালাইছি। মাইয়া নাকি পরি..? আন্টি কথাই বাস্তবে ফিরে আসলাম। উনি মাইসাকে বল্ল মাইসা সানিকে নিয়ে ছাদে যাও! মাইসা বল্ল চলুন, আমিও তার পিছু পিছু চললাম ছাদে। দুজনেই নিরব,আমিই নিরবতা বেঙে বললাম। সানি: কেমন আছ মাইসা..? মাইসা: ভালো। আপনি? সানি: ভাল। আরো কিছু কথা বলে নিচে চলে আসলাম। আসতেই কাকিমা বল্ল দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে তারপর যাবে। আমিও আর কিছু বললাম না। খাওয়া দাওয়া করে বাসাই চলে আসলাম সন্ধায়। ফ্রেশ হয়ে টিভি দেখছি, তখনি বাবা জিজ্ঞেস করলো মাইসাকে কেমন লাগছে তর। সানি: আমি বললাম ভালই। বাবা: আলহামদুলিল্লাহ তাহলে বিয়ের কথাটা পাকা করে ফেলি..? সানি: বাবা এখানে বিয়ে আসলো কোতাথেকে! বাবা: কেন তুই কি বিয়ে করবি না? আমি কি মরার আগে তর বউ দেখে যেতে পাড়ব না? আমি কিছু জানিনা আগামী মাসে তর বিয়ে এটাই ফাইনাল। সানি: কিছুই করার নেই বাবার আদেশ মান্তেই হবে। বিয়েটা হয়েই গেল শেষ পর্যন্ত।বন্দুদের পিড়াপিড়িতে রাত ১:০০টাই বাসরঘরে ডুকালম। দরজা বন্ধ করে বিতরে গেলাম মাইসা এসে সালাম করল। তার পর দুজনে মিলে দুরাকাত নামাজ পরলাম। বাকিটা আর বলা যাবে না............. তারপর দুজন মিলে সুখের সংসার শুরু করলাম.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অদ্ভুত বিয়ে..অতঃপর ভালবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now